ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

দশ নোবেল বিজয়ীর সৌদি বাদশাহর কাছে মৃত্যুদণ্ড মওকুফের চিঠি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৪ জন শিয়ার মৃত্যুদণ্ড রোধ করার আহ্বান জানিয়ে সৌদি আরবের কাছে এক খোলা চিঠি লিখেছেন দশ জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। সৌদি আরবের শিয়া অধ্যূষিত পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ কাটিফে এক শিয়া বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়। সহসাই এদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৃত্যুদণ্ড রদ করার আহ্বান জানিয়ে সৌদি বাদশাহ সালমানের কাছে লেখা খোলা চিঠিতে যারা সই করেছেন তাদের মধ্যে আছেন আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, ইরানের মানবাধিকার কর্মী শিরিন এবাদি এবং পূর্ব টিমুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা।

চিঠিতে তারা বাদশাহ সালমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এদের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শনের জন্য। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অভিযোগ করছে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত এই ১৪ জনের কাছ থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জোর করে স্বীকোরোক্তি আদায় করে এবং তাদের কোন রকমের ন্যায্য বিচার পাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়নি।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৪ জনের একজন হচ্ছে মুজতাবা আল সোয়েইকা। ১৮ বছর বয়সী মুজতাবা যখন ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টার্ন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য রওনা হচ্ছিলেন, তখন তাকে রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের একটি হচ্ছে ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করা।

আরেকজন আলী আল নিমর এর বিরুদ্ধে অভিযোগ নানা হয়েছে ব্ল্যাকবারিতে একই রকম গ্রুপ খুলে বিক্ষোভের ছবি দিয়ে লোকজনকে বিক্ষোভে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো।

উল্লেখ্য সৌদি আরব হচ্ছে বিশ্বের সেই সব দেশের অন্যতম যেখানে ব্যাপক হারে লোকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট গত জুলাইতে এই ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। তবে সৌদি বাদশাহ বা যুবরাজ এই মৃত্যুদন্ড অনুমোদন করলেই কেবল তা কার্যকর করা হবে।

১৪ জনের সবাই কাটিফ প্রদেশে বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়। সৌদি আরবের এই প্রদেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিয়াদের মধ্যে অসন্তোষ এবং বিক্ষোভ চলছে।

২০১১ সালে এই প্রদেশের আওয়ামিয়া শহরে আরব বসন্তের বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। এতে নেতৃত্ব দেয়া শিয়া নেতা নিমর আল নিমরের মৃত্যুদণ্ড গত বছর কার্যকর করা হয়। তার বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদে’র অভিযোগ আনা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম

দশ নোবেল বিজয়ীর সৌদি বাদশাহর কাছে মৃত্যুদণ্ড মওকুফের চিঠি

আপডেট সময় ১১:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৪ জন শিয়ার মৃত্যুদণ্ড রোধ করার আহ্বান জানিয়ে সৌদি আরবের কাছে এক খোলা চিঠি লিখেছেন দশ জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। সৌদি আরবের শিয়া অধ্যূষিত পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ কাটিফে এক শিয়া বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হয়। সহসাই এদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৃত্যুদণ্ড রদ করার আহ্বান জানিয়ে সৌদি বাদশাহ সালমানের কাছে লেখা খোলা চিঠিতে যারা সই করেছেন তাদের মধ্যে আছেন আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, ইরানের মানবাধিকার কর্মী শিরিন এবাদি এবং পূর্ব টিমুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা।

চিঠিতে তারা বাদশাহ সালমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এদের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শনের জন্য। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অভিযোগ করছে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত এই ১৪ জনের কাছ থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জোর করে স্বীকোরোক্তি আদায় করে এবং তাদের কোন রকমের ন্যায্য বিচার পাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়নি।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৪ জনের একজন হচ্ছে মুজতাবা আল সোয়েইকা। ১৮ বছর বয়সী মুজতাবা যখন ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টার্ন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য রওনা হচ্ছিলেন, তখন তাকে রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের একটি হচ্ছে ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করা।

আরেকজন আলী আল নিমর এর বিরুদ্ধে অভিযোগ নানা হয়েছে ব্ল্যাকবারিতে একই রকম গ্রুপ খুলে বিক্ষোভের ছবি দিয়ে লোকজনকে বিক্ষোভে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো।

উল্লেখ্য সৌদি আরব হচ্ছে বিশ্বের সেই সব দেশের অন্যতম যেখানে ব্যাপক হারে লোকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট গত জুলাইতে এই ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। তবে সৌদি বাদশাহ বা যুবরাজ এই মৃত্যুদন্ড অনুমোদন করলেই কেবল তা কার্যকর করা হবে।

১৪ জনের সবাই কাটিফ প্রদেশে বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়। সৌদি আরবের এই প্রদেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিয়াদের মধ্যে অসন্তোষ এবং বিক্ষোভ চলছে।

২০১১ সালে এই প্রদেশের আওয়ামিয়া শহরে আরব বসন্তের বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। এতে নেতৃত্ব দেয়া শিয়া নেতা নিমর আল নিমরের মৃত্যুদণ্ড গত বছর কার্যকর করা হয়। তার বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদে’র অভিযোগ আনা হয়েছিল।