ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বেশি দামে পচা মাংস বিক্রি, জরিমানা ৬ লাখ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুরান ঢাকার কাপ্তানবাজারে নতুন মাংসের সঙ্গে ছয় মাস আগের পচা মাংস মিশিয়ে বিক্রি ও সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে মাংস বিক্রির অপরাধে ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং পাঁচ ব্যবসায়ীকে দুই মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় চার মণ পচা মাংস উদ্ধার করে র‌্যাব।

শুক্রবার দুপুরের দিকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাব-১০ ও বিএসটিআই যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।

এদিকে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখারও অভিযোগ ছিল এই মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। রোজা শুরুর আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ও মাংস ব্যবসায়ীদের যৌথ সিদ্ধান্তে দেশি গরুর মাংসের কেজি ৪৫০ টাকা ও বিদেশি গরু এবং মহিষের মাংস ৪২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। খাসির মাংস ৭২০ টাকা এবং ছাগি ও ভেড়ার মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয় ৬০০ টাকা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় দেখা গেছে , কাপ্তানবাজারে মাংস ব্যবসায়ীরা গরুর মাংস ৫০০ টাকা আর খাসির মাংস ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছিলেন। আবার সব মাংসই দেশি গরুর ও খাসির বলে চালিয়ে দিচ্ছিলেন তারা।

অভিযান শেষে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম জানান, চার মণের অধিক মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো বাজারের ফ্রিজে রাখা ছিল। এই মাংসের কিছু অংশ ছয় মাস আগে রাখা হয়েছে ফ্রিজে। এই মাংসগুলো বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে বিক্রি করা হতো। পাশাপাশি খাসির মাংসের ওজন বাড়াতে পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

বেশি দামে পচা মাংস বিক্রি, জরিমানা ৬ লাখ

আপডেট সময় ০৬:১৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুরান ঢাকার কাপ্তানবাজারে নতুন মাংসের সঙ্গে ছয় মাস আগের পচা মাংস মিশিয়ে বিক্রি ও সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে মাংস বিক্রির অপরাধে ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং পাঁচ ব্যবসায়ীকে দুই মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় চার মণ পচা মাংস উদ্ধার করে র‌্যাব।

শুক্রবার দুপুরের দিকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাব-১০ ও বিএসটিআই যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।

এদিকে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখারও অভিযোগ ছিল এই মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। রোজা শুরুর আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ও মাংস ব্যবসায়ীদের যৌথ সিদ্ধান্তে দেশি গরুর মাংসের কেজি ৪৫০ টাকা ও বিদেশি গরু এবং মহিষের মাংস ৪২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। খাসির মাংস ৭২০ টাকা এবং ছাগি ও ভেড়ার মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয় ৬০০ টাকা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় দেখা গেছে , কাপ্তানবাজারে মাংস ব্যবসায়ীরা গরুর মাংস ৫০০ টাকা আর খাসির মাংস ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছিলেন। আবার সব মাংসই দেশি গরুর ও খাসির বলে চালিয়ে দিচ্ছিলেন তারা।

অভিযান শেষে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম জানান, চার মণের অধিক মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো বাজারের ফ্রিজে রাখা ছিল। এই মাংসের কিছু অংশ ছয় মাস আগে রাখা হয়েছে ফ্রিজে। এই মাংসগুলো বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে বিক্রি করা হতো। পাশাপাশি খাসির মাংসের ওজন বাড়াতে পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছিল।