ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এক চোখ বন্ধ: রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের সব অভিযোগ স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের গোচরে আনা হলেও তারা এক চোখ বন্ধ করে কাজ করছেন বলে দাবি করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নিজেদের সাংবিধানিক স্বাধীনতা অস্বীকার করে সরকারের কাছে পরাধীন হওয়ার জন্য আত্মসমর্পণ করেছে।’ মঙ্গলবার দুপর পৌনে ১টার দিকে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারেরই ফটোকপি। সরকারের ‘কম্প্রোমাইজড কপি’। সেই জন্য তাদের কারণে একতরফা নির্বাচনের জয়জয়কার। তাই আওয়ামী ভোট-সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া, ভোটারদের ভোট কেড়ে নিতে বাধাহীন। এখন পর্যন্ত খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভয়ভীতি আর রক্তচ্ছটায় পরিব্যাপ্ত।’

তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সরকারি জয়োল্লাসের ধরন থেকে বোঝা যাচ্ছিল নির্বাচনের দিন ভোটের পরিণতি কী হবে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘হাসিনা মার্কা’ নির্বাচনের স্বরূপ আত্মপ্রকাশ করতে শুরু করেছে। ধানের শীষের এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়া, কয়েক দিন ধরে তাদের বাড়িতে বাড়িতে হুমকি, শারীরিক আক্রমণ, মহিলা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করাসহ আওয়ামী লীগের রক্তাক্ত নির্বাচন বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকার সমর্থিত টিভি চ্যানেলগুলোতেও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট সন্ত্রাস ও ভোট জালিয়াতির চিত্র প্রচারিত হয়েছে।’

রিজভীর ভাষায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। তিনি এসবের একটা পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দৌলতপুরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দেয়ানা উত্তরপাড়া ভোটকেন্দ্রে হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। ২১ নম্বর ওয়ার্ডের উদয়ন বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা ভোটারদের বের করে দিচ্ছে। ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের বের করে দিয়েছে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্র ২৭৭ ও ২৭৮ লবণচোরা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ড কমিশনার প্রার্থী আসাদুজ্জামান রাসেলের নেতৃত্বে কেন্দ্র দখল করে নৌকা মার্কায় জাল ভোট চলছে। ২৪নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র-২০১ ও ২০২ ইকবাল নগর বালিকা ভোটকেন্দ্রে নৌকা মার্কায় জাল ভোট চলছে। ২২নং ওয়ার্ডের ফাতেমা স্কুল কেন্দ্রে নৌকা মার্কায় জাল ভোট কাটা হচ্ছে।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘ওয়ার্ড ১১ কেন্দ্র নং-৮০ বিএনপি এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। বুথের সামনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নিজেদের এজেন্টদের বলছে, নৌকা মার্কায় জাল ভোট দেয়ার জন্য। তিনি অভিযোগ করেন, ৩০নং রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রার্থীর ভোটার ও সমর্থকদের মারধর করে বের করে দিয়েছে। ৩১নং ওয়ার্ডের ২৭৫ ও ২৭৬নং কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে, ধানের শীষের কর্মীদের মারধর করে বের করে দিচ্ছে।

রিজভী বলেন, ২৫নং ওয়ার্ডের ২১৭নং কেন্দ্র দারুল কোরআন সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ব্যালটপেপার নিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে। ওয়ার্ড নং-২৬, গল্লামারী লায়ন্স স্কুল কেন্দ্রের সামনে যুবলীগ নেতা হাফিজের নেতৃত্বে কেন্দ্রটি সন্ত্রাসীরা দখল করে নিয়েছে। ওয়ার্ড নং ২৪, ইকবাল নগর স্কুল কেন্দ্র ও সোনাপাতা স্কুল কেন্দ্রে কোনো ব্যালটপেপার নেই। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোরেই ব্যালট কেটে বাক্সভর্তি করে রেখেছে।

তিনি বলেন, ওয়ার্ড নং-১৯, ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেয়া যাবে না, ভোট দিলেও প্রকাশ্যে সিল দিতে হবে বলে আওয়ামী ক্যাডাররা অস্ত্র হাতে হুমকি দিচ্ছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে থেকে বিএনপি নেতাকর্মী ও ভোটারদের মারধর করে বের করে দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ড নং-৪, কেন্দ্র নং-২৫, ২৬, ২৮ ও ৩১ থেকে ধানের শীষের সব এজেন্টদের বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অস্ত্রধারী ক্যাডাররা। আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ১৮নং ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট ও ভোটারদের বের করে দিয়েছে। ২৪নং আব্দুল গণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ওয়ার্ড নং-২৫, কেন্দ্র নং-২২০ নুরানী বহুমুখী মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে। ওর্য়াড নং-২৬, বানিয়া খামার সরকারি প্রা. বি. ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের সব এজেন্টকে বের করে দিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কেন্দ্রটি দখলে নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহদফতর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এক চোখ বন্ধ: রিজভী

আপডেট সময় ০৫:৪০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের সব অভিযোগ স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের গোচরে আনা হলেও তারা এক চোখ বন্ধ করে কাজ করছেন বলে দাবি করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নিজেদের সাংবিধানিক স্বাধীনতা অস্বীকার করে সরকারের কাছে পরাধীন হওয়ার জন্য আত্মসমর্পণ করেছে।’ মঙ্গলবার দুপর পৌনে ১টার দিকে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারেরই ফটোকপি। সরকারের ‘কম্প্রোমাইজড কপি’। সেই জন্য তাদের কারণে একতরফা নির্বাচনের জয়জয়কার। তাই আওয়ামী ভোট-সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া, ভোটারদের ভোট কেড়ে নিতে বাধাহীন। এখন পর্যন্ত খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভয়ভীতি আর রক্তচ্ছটায় পরিব্যাপ্ত।’

তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সরকারি জয়োল্লাসের ধরন থেকে বোঝা যাচ্ছিল নির্বাচনের দিন ভোটের পরিণতি কী হবে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘হাসিনা মার্কা’ নির্বাচনের স্বরূপ আত্মপ্রকাশ করতে শুরু করেছে। ধানের শীষের এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়া, কয়েক দিন ধরে তাদের বাড়িতে বাড়িতে হুমকি, শারীরিক আক্রমণ, মহিলা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করাসহ আওয়ামী লীগের রক্তাক্ত নির্বাচন বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকার সমর্থিত টিভি চ্যানেলগুলোতেও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট সন্ত্রাস ও ভোট জালিয়াতির চিত্র প্রচারিত হয়েছে।’

রিজভীর ভাষায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। তিনি এসবের একটা পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দৌলতপুরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দেয়ানা উত্তরপাড়া ভোটকেন্দ্রে হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। ২১ নম্বর ওয়ার্ডের উদয়ন বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা ভোটারদের বের করে দিচ্ছে। ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের বের করে দিয়েছে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্র ২৭৭ ও ২৭৮ লবণচোরা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ড কমিশনার প্রার্থী আসাদুজ্জামান রাসেলের নেতৃত্বে কেন্দ্র দখল করে নৌকা মার্কায় জাল ভোট চলছে। ২৪নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র-২০১ ও ২০২ ইকবাল নগর বালিকা ভোটকেন্দ্রে নৌকা মার্কায় জাল ভোট চলছে। ২২নং ওয়ার্ডের ফাতেমা স্কুল কেন্দ্রে নৌকা মার্কায় জাল ভোট কাটা হচ্ছে।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘ওয়ার্ড ১১ কেন্দ্র নং-৮০ বিএনপি এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। বুথের সামনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নিজেদের এজেন্টদের বলছে, নৌকা মার্কায় জাল ভোট দেয়ার জন্য। তিনি অভিযোগ করেন, ৩০নং রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রার্থীর ভোটার ও সমর্থকদের মারধর করে বের করে দিয়েছে। ৩১নং ওয়ার্ডের ২৭৫ ও ২৭৬নং কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে, ধানের শীষের কর্মীদের মারধর করে বের করে দিচ্ছে।

রিজভী বলেন, ২৫নং ওয়ার্ডের ২১৭নং কেন্দ্র দারুল কোরআন সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ব্যালটপেপার নিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে। ওয়ার্ড নং-২৬, গল্লামারী লায়ন্স স্কুল কেন্দ্রের সামনে যুবলীগ নেতা হাফিজের নেতৃত্বে কেন্দ্রটি সন্ত্রাসীরা দখল করে নিয়েছে। ওয়ার্ড নং ২৪, ইকবাল নগর স্কুল কেন্দ্র ও সোনাপাতা স্কুল কেন্দ্রে কোনো ব্যালটপেপার নেই। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোরেই ব্যালট কেটে বাক্সভর্তি করে রেখেছে।

তিনি বলেন, ওয়ার্ড নং-১৯, ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেয়া যাবে না, ভোট দিলেও প্রকাশ্যে সিল দিতে হবে বলে আওয়ামী ক্যাডাররা অস্ত্র হাতে হুমকি দিচ্ছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে থেকে বিএনপি নেতাকর্মী ও ভোটারদের মারধর করে বের করে দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ড নং-৪, কেন্দ্র নং-২৫, ২৬, ২৮ ও ৩১ থেকে ধানের শীষের সব এজেন্টদের বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অস্ত্রধারী ক্যাডাররা। আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ১৮নং ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট ও ভোটারদের বের করে দিয়েছে। ২৪নং আব্দুল গণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ওয়ার্ড নং-২৫, কেন্দ্র নং-২২০ নুরানী বহুমুখী মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারছে। ওর্য়াড নং-২৬, বানিয়া খামার সরকারি প্রা. বি. ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের সব এজেন্টকে বের করে দিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কেন্দ্রটি দখলে নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহদফতর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।