ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিট ও লাউঞ্জসহ বিশেষ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হবে আরও ৪ শিশুর প্রাণ গেল, হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই মোদি-শাহ’র পদত্যাগ দাবি রাহুল গান্ধীর শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সরোয়ার তুষার বিএনপি সরকার হাওয়ায় ভেসে আসেনি: আযম খান ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

কাদেরের কাছে মেয়ের নিরাপত্তা চেয়েছিলেন শক্তিমান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে যেদিন হত্যা করা হয়, সেদিন সকালেও তিনি ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি তার মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন।

বৃহস্পতিবার নানিয়ারচর বাজারে ঢুকার পথে মোটরসাইকেল আরোহী শক্তিমানকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। আহত হন তার মোটরসাইকেল চালক। শুক্রবার শক্তিমানের শেষকৃত্যে যোগ দেয়া পাঁচ জনকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছে আরও পাঁচ জন।

ওবায়দুল কাদের জানান, শক্তিমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিত তার কথা হতো। তিনি নিজের জীবনের পাশাপাশি তার ডাক্তারি পড়ুয়া কন্যার জীবন নিয়েও ছিলেন শঙ্কিত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমিতে খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শক্তিমানের স্মৃতিচারণ করেন কাদের। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘আমাকে বলেছিল পরশু দিন, ভাই আপনার কাছে কিছুই চাওয়ার নাই। আমার জীবন ঝুঁকির মুখে। আমার মেয়েটা রাঙ্গামাটি মেডিকেলে পড়ে। ওখানে আমি কিছুতেই তাকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকতে পারছি না।’

‘আমি নিজেও শহরে যেতে পারি না। নানিয়ারচর উপজেলায় থাকি। আমার একটা অনুরোধ, আমার মেয়েটিকে একটু রক্ষা করেন, চট্টগ্রাম অথবা ঢাকায় তাকে ট্রান্সফার করে দেন।’

কাদের বলেন, মেয়ের জীবন ঝুঁকির মুখে বলল, আর তার জীবন শেষ হয়ে গেল। আর তার জন্য আজও ৪/৫জন মারা গেল!’

প্রায় প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় শক্তিমানের সঙ্গে ফোনে কথা হতো বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার কথা হতো। আমাকে ফোন করত। গতকালও ফোন করেছিল, আজ তার ফোন পাইনি। এই ছেলেটি কত যে ত্যাগী, কত যে সৎ আমি জানি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী

কাদেরের কাছে মেয়ের নিরাপত্তা চেয়েছিলেন শক্তিমান

আপডেট সময় ১০:২৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে যেদিন হত্যা করা হয়, সেদিন সকালেও তিনি ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি তার মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন।

বৃহস্পতিবার নানিয়ারচর বাজারে ঢুকার পথে মোটরসাইকেল আরোহী শক্তিমানকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। আহত হন তার মোটরসাইকেল চালক। শুক্রবার শক্তিমানের শেষকৃত্যে যোগ দেয়া পাঁচ জনকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছে আরও পাঁচ জন।

ওবায়দুল কাদের জানান, শক্তিমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিত তার কথা হতো। তিনি নিজের জীবনের পাশাপাশি তার ডাক্তারি পড়ুয়া কন্যার জীবন নিয়েও ছিলেন শঙ্কিত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমিতে খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শক্তিমানের স্মৃতিচারণ করেন কাদের। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘আমাকে বলেছিল পরশু দিন, ভাই আপনার কাছে কিছুই চাওয়ার নাই। আমার জীবন ঝুঁকির মুখে। আমার মেয়েটা রাঙ্গামাটি মেডিকেলে পড়ে। ওখানে আমি কিছুতেই তাকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকতে পারছি না।’

‘আমি নিজেও শহরে যেতে পারি না। নানিয়ারচর উপজেলায় থাকি। আমার একটা অনুরোধ, আমার মেয়েটিকে একটু রক্ষা করেন, চট্টগ্রাম অথবা ঢাকায় তাকে ট্রান্সফার করে দেন।’

কাদের বলেন, মেয়ের জীবন ঝুঁকির মুখে বলল, আর তার জীবন শেষ হয়ে গেল। আর তার জন্য আজও ৪/৫জন মারা গেল!’

প্রায় প্রতিদিন সকালে হাঁটার সময় শক্তিমানের সঙ্গে ফোনে কথা হতো বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার কথা হতো। আমাকে ফোন করত। গতকালও ফোন করেছিল, আজ তার ফোন পাইনি। এই ছেলেটি কত যে ত্যাগী, কত যে সৎ আমি জানি।’