ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

দুর্নীতি অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দুর্নীতি সামাজিক বৈষম্য, বিচ্ছিন্নতা, স্বার্থপরতা ও অবিশ্বাস বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। এর ফলে দুর্নীতি দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সব দিক থেকে পিছিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগ দুর্নীতি দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকার দেশের জন্য যে উন্নয়নের রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে তাতে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিবাজদের কোনো জায়গা নেই। তাই দুর্নীতি-সংক্রান্ত মামলার বিচারকালে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিশেষ জজ এবং জেলা ও দায়রা জজদের জন্য আয়োজিত বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিচারকসহ বিচারকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনে রাখা দরকার, মানুষ নিরুপায় না হলে আদালতের দ্বারস্থ হয় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ আদালতের শরণাপন্ন হয়। তাই আদালত-ই বিচারপ্রার্থী জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। কাজেই বিচারপ্রার্থী জনগণ যাতে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পেতে পারেন সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। আইনি প্রক্রিয়া, বিচারব্যবস্থার জটিলতা ও মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মানুষের মধ্যে যাতে কোনো হতাশার সৃষ্টি না হয় সেদিকে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

আনিসুল হক বলেন, ন্যায়বিচারের দ্বার যেন সর্বস্তরের বিচারপ্রার্থীদের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং কেবলমাত্র বিত্তশালীদের জন্য সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার প্রতিটি পর্যায়ে সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্বপালন করলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তৃতা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

দুর্নীতি অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দুর্নীতি সামাজিক বৈষম্য, বিচ্ছিন্নতা, স্বার্থপরতা ও অবিশ্বাস বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। এর ফলে দুর্নীতি দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সব দিক থেকে পিছিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগ দুর্নীতি দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকার দেশের জন্য যে উন্নয়নের রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে তাতে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিবাজদের কোনো জায়গা নেই। তাই দুর্নীতি-সংক্রান্ত মামলার বিচারকালে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিশেষ জজ এবং জেলা ও দায়রা জজদের জন্য আয়োজিত বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিচারকসহ বিচারকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনে রাখা দরকার, মানুষ নিরুপায় না হলে আদালতের দ্বারস্থ হয় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ আদালতের শরণাপন্ন হয়। তাই আদালত-ই বিচারপ্রার্থী জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। কাজেই বিচারপ্রার্থী জনগণ যাতে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পেতে পারেন সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। আইনি প্রক্রিয়া, বিচারব্যবস্থার জটিলতা ও মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মানুষের মধ্যে যাতে কোনো হতাশার সৃষ্টি না হয় সেদিকে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

আনিসুল হক বলেন, ন্যায়বিচারের দ্বার যেন সর্বস্তরের বিচারপ্রার্থীদের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং কেবলমাত্র বিত্তশালীদের জন্য সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার প্রতিটি পর্যায়ে সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্বপালন করলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তৃতা করেন।