ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দুর্নীতি অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দুর্নীতি সামাজিক বৈষম্য, বিচ্ছিন্নতা, স্বার্থপরতা ও অবিশ্বাস বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। এর ফলে দুর্নীতি দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সব দিক থেকে পিছিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগ দুর্নীতি দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকার দেশের জন্য যে উন্নয়নের রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে তাতে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিবাজদের কোনো জায়গা নেই। তাই দুর্নীতি-সংক্রান্ত মামলার বিচারকালে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিশেষ জজ এবং জেলা ও দায়রা জজদের জন্য আয়োজিত বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিচারকসহ বিচারকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনে রাখা দরকার, মানুষ নিরুপায় না হলে আদালতের দ্বারস্থ হয় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ আদালতের শরণাপন্ন হয়। তাই আদালত-ই বিচারপ্রার্থী জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। কাজেই বিচারপ্রার্থী জনগণ যাতে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পেতে পারেন সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। আইনি প্রক্রিয়া, বিচারব্যবস্থার জটিলতা ও মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মানুষের মধ্যে যাতে কোনো হতাশার সৃষ্টি না হয় সেদিকে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

আনিসুল হক বলেন, ন্যায়বিচারের দ্বার যেন সর্বস্তরের বিচারপ্রার্থীদের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং কেবলমাত্র বিত্তশালীদের জন্য সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার প্রতিটি পর্যায়ে সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্বপালন করলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তৃতা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতি অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দুর্নীতি সামাজিক বৈষম্য, বিচ্ছিন্নতা, স্বার্থপরতা ও অবিশ্বাস বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে অনৈক্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। এর ফলে দুর্নীতি দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সব দিক থেকে পিছিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগ দুর্নীতি দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকার দেশের জন্য যে উন্নয়নের রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে তাতে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিবাজদের কোনো জায়গা নেই। তাই দুর্নীতি-সংক্রান্ত মামলার বিচারকালে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিশেষ জজ এবং জেলা ও দায়রা জজদের জন্য আয়োজিত বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিচারকসহ বিচারকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনে রাখা দরকার, মানুষ নিরুপায় না হলে আদালতের দ্বারস্থ হয় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ আদালতের শরণাপন্ন হয়। তাই আদালত-ই বিচারপ্রার্থী জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। কাজেই বিচারপ্রার্থী জনগণ যাতে স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পেতে পারেন সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। আইনি প্রক্রিয়া, বিচারব্যবস্থার জটিলতা ও মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মানুষের মধ্যে যাতে কোনো হতাশার সৃষ্টি না হয় সেদিকে বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

আনিসুল হক বলেন, ন্যায়বিচারের দ্বার যেন সর্বস্তরের বিচারপ্রার্থীদের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং কেবলমাত্র বিত্তশালীদের জন্য সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য বিচারকদের সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার প্রতিটি পর্যায়ে সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্বপালন করলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তৃতা করেন।