ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্থায়ী প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন চীনের নতুন রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু।

সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এমন আশ্বাস দেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

স্পিকার চীনের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং উন্নয়ন অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুসম্পর্ক বিদ্যমান। এ সম্পর্ককে আরও বৃদ্ধি করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

রোহিঙ্গা সঙ্কট অবসানে চীনের সহযোগিতা কামনা করে শিরীন শারমিন বলেন, বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ স্থায়ী প্রত্যাবর্তন চায়।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন জ্যাং জু।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযান বিশ্বজুড়েই আলোচনা তৈরি করেছে। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে এই সংকট সমাধানের তাগিদ দিয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিষয়টি জাতিসংঘে তুলে ধরেছেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘে দুই বার বাংলাদেশের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও চীন শুরু থেকেই বলে আসছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তারা বাংলাদেশের পাশেই আছে।

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযান বন্ধ করা এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে গত বছরের ১৬ নভেম্বর জাতিসংঘে পাস হয় বাংলাদেশের তোলা একটি প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ১৩৫টি এবং বিপক্ষে ১০টি ভোট পড়ে। যারা বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল তাদের মধ্যে আছে চীন।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের তোলা আরও একটি প্রস্তাব পাস হয়। এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট পড়ে ৩৩টি এবং বিপক্ষে পড়ে তিনটি। এই তিনটি দেশের মধ্যেও একটি চীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন

আপডেট সময় ১০:১৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্থায়ী প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন চীনের নতুন রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু।

সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এমন আশ্বাস দেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

স্পিকার চীনের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং উন্নয়ন অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুসম্পর্ক বিদ্যমান। এ সম্পর্ককে আরও বৃদ্ধি করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

রোহিঙ্গা সঙ্কট অবসানে চীনের সহযোগিতা কামনা করে শিরীন শারমিন বলেন, বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ স্থায়ী প্রত্যাবর্তন চায়।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন জ্যাং জু।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযান বিশ্বজুড়েই আলোচনা তৈরি করেছে। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে এই সংকট সমাধানের তাগিদ দিয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিষয়টি জাতিসংঘে তুলে ধরেছেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘে দুই বার বাংলাদেশের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও চীন শুরু থেকেই বলে আসছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তারা বাংলাদেশের পাশেই আছে।

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযান বন্ধ করা এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে গত বছরের ১৬ নভেম্বর জাতিসংঘে পাস হয় বাংলাদেশের তোলা একটি প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ১৩৫টি এবং বিপক্ষে ১০টি ভোট পড়ে। যারা বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল তাদের মধ্যে আছে চীন।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের তোলা আরও একটি প্রস্তাব পাস হয়। এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট পড়ে ৩৩টি এবং বিপক্ষে পড়ে তিনটি। এই তিনটি দেশের মধ্যেও একটি চীন।