ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই, কখনও সংস্কারের কথা বলিনি : মির্জা ফখরুল উত্তেজনার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ট্রাম্প বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মুর্শিদাবাদে স্কুল ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা, দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত তিন ইরানের ৫ সেতু ও একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা, নিহত ৮ নাতনির মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানা-নানীসহ ৪ জনের এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, যা জানাল শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ভালো আছেন খালেদা জিয়া, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আপাত দৃষ্টিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভালো আছেন। তবে রিপোর্ট পাওয়ার পর তার স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল্লাহ আল হারুন।

শনিবার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিএসএমএমইউ পরিচালক বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে আসেন এবং দুপুর দেড়টা পর্যন্ত হাসপাতালে অবস্থান করেন। আমরা আগে থেকেই তার জন্য হাসপাতালের ৫১২ নম্বর কক্ষ প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। সেখানে তিনি অবস্থান করেন এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

সে সময় তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন, ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. ওয়াহেদুর রহমান ও কারা অধিদফতরের চিকিৎসক ডা. শোভন উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের উপস্থিতে যেন তার এক্স-রে করা হয়। এ কারণে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের উপস্থিতিতেই খালেদা জিয়ার হাড়ের বিভিন্ন অংশের এক্স-রে করা হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল হারুন জানান, আমরা আশা করছি আগামীকাল রোববার রিপোর্টগুলো পাওয়া যাবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর তারা এগুলো কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কারাকর্তৃপক্ষ সেগুলো মেডিকেল টিমের কাছে পৌঁছে দেবে। এদিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয় খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামিকে। রায় ঘোষণার পর থেকেই বিএনপি নেত্রী বন্দি রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই, কখনও সংস্কারের কথা বলিনি : মির্জা ফখরুল

ভালো আছেন খালেদা জিয়া, রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৩:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আপাত দৃষ্টিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভালো আছেন। তবে রিপোর্ট পাওয়ার পর তার স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল্লাহ আল হারুন।

শনিবার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিএসএমএমইউ পরিচালক বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে আসেন এবং দুপুর দেড়টা পর্যন্ত হাসপাতালে অবস্থান করেন। আমরা আগে থেকেই তার জন্য হাসপাতালের ৫১২ নম্বর কক্ষ প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। সেখানে তিনি অবস্থান করেন এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

সে সময় তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন, ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. ওয়াহেদুর রহমান ও কারা অধিদফতরের চিকিৎসক ডা. শোভন উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের উপস্থিতে যেন তার এক্স-রে করা হয়। এ কারণে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের উপস্থিতিতেই খালেদা জিয়ার হাড়ের বিভিন্ন অংশের এক্স-রে করা হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল হারুন জানান, আমরা আশা করছি আগামীকাল রোববার রিপোর্টগুলো পাওয়া যাবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর তারা এগুলো কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কারাকর্তৃপক্ষ সেগুলো মেডিকেল টিমের কাছে পৌঁছে দেবে। এদিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয় খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামিকে। রায় ঘোষণার পর থেকেই বিএনপি নেত্রী বন্দি রয়েছেন।