ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঢাকায় পাওয়া যাচ্ছে উলিপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন ক্ষীরমোহন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ঢাকায় বসে পাওয়া যাচ্ছে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন ‘ক্ষীরমোহন’। www.khirmohon.com এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্ডার করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাসায় পৌঁছে যাবে ক্ষীরমোহন।

ক্ষীরমোহন ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম রাজ্জাক বলেন, ‘সর্বনিম্ন দুই কেজি ক্ষীরমোহন অর্ডার দেওয়া যাবে এখানে। অর্ডার দেওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের নিজস্ব ডেলিভারি ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে ক্ষীরমোহন। ডেলিভারির জন্য আলাদা কোন চার্জ রাখছি না আমরা।’

নিজের এলাকার এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ সকলকে নেওয়ার সুযোগ করে দিতে একদল তরুণ সরাসরি গ্রাম থেকে প্রতিদিন ঢাকায় নিয়ে আসছে ক্ষীরমোহন। গ্রাম থেকে উৎপাদিত হয়ে আসে বলে এর স্বাদ থাকে অটুট।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরের গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক উপায়ে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস, লতা-পাতাসহ নানা গো-খাদ্য বাড়িতে পালা গাভিকে খেতে দেয়া হয়। তাই এই এলাকার গরুর দুধ খাঁটি দুধের গুনাগুণ সমৃদ্ধ। সেই দুধ থেকে তৈরি হয় এই জগৎবিখ্যাত ক্ষীরমোহন।

বৃটেনের রাণী এলিজাবেথ থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমন অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি প্রশংসা করেছেন ক্ষীরমোহনের। রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল ক্ষীরমোহন। দেশের মানুষের মন জয় করে এখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে ক্ষীরমোহন।

প্রসঙ্গত, গোয়ালন্দের সুধীর সরকার ১৯৫৮ সালে উলিপুরে এসে মিষ্টির কারিগর হিসেবে চাকরি নেন কছির মিয়ার রেস্টুরেন্টে। ক্ষীরমোহন তৈরি করে অল্পদিনেই বাজিমাত করেন সুধীর। এরপর উলিপুরের মিষ্টান্নের কারিগর মনমোহন হালাই তৈরি করেন ক্ষীরমোহন। একই সময়ে উলিপুর বাজারে স্বল্প পরিসরে ক্ষীরমোহন তৈরি শুরু করেন সুনীল চন্দ্র মদক।

এই মিষ্টির সুনাম স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ায় পাবনা ভাগ্যলক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভান্ডার দিয়ে বসেন সুনীল। চাহিদা বাড়তে থাকায় উলিপুর উপজেলার পাবনা মিষ্টান্ন দধিঘর, ওকে হোটেল অ্যান্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার, আমিন মিষ্টান্ন ভান্ডার, জলী ও শুভেচ্ছা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে তৈরি হতে থাকে ক্ষীরমোহন। এখন এই ক্ষীরমোহন দেশ জয় করে ইউরোপ, জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব ও ভারতে নিয়মিত যাচ্ছে। রংপুর ও ঢাকার বিভিন্ন মিষ্টি ঘরে যাচ্ছে উলিপুরের ক্ষীরমোহন। আর অনলাইনে অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া মাত্র ৫০০ টাকায় ঢাকার যে কোন জায়গায় এই মিষ্টান্নপৌঁছে দিচ্ছে ক্ষীরমোহন ডটকম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঢাকায় পাওয়া যাচ্ছে উলিপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন ক্ষীরমোহন

আপডেট সময় ০৬:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ঢাকায় বসে পাওয়া যাচ্ছে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন ‘ক্ষীরমোহন’। www.khirmohon.com এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্ডার করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাসায় পৌঁছে যাবে ক্ষীরমোহন।

ক্ষীরমোহন ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম রাজ্জাক বলেন, ‘সর্বনিম্ন দুই কেজি ক্ষীরমোহন অর্ডার দেওয়া যাবে এখানে। অর্ডার দেওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের নিজস্ব ডেলিভারি ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে ক্ষীরমোহন। ডেলিভারির জন্য আলাদা কোন চার্জ রাখছি না আমরা।’

নিজের এলাকার এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ সকলকে নেওয়ার সুযোগ করে দিতে একদল তরুণ সরাসরি গ্রাম থেকে প্রতিদিন ঢাকায় নিয়ে আসছে ক্ষীরমোহন। গ্রাম থেকে উৎপাদিত হয়ে আসে বলে এর স্বাদ থাকে অটুট।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরের গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক উপায়ে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস, লতা-পাতাসহ নানা গো-খাদ্য বাড়িতে পালা গাভিকে খেতে দেয়া হয়। তাই এই এলাকার গরুর দুধ খাঁটি দুধের গুনাগুণ সমৃদ্ধ। সেই দুধ থেকে তৈরি হয় এই জগৎবিখ্যাত ক্ষীরমোহন।

বৃটেনের রাণী এলিজাবেথ থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমন অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি প্রশংসা করেছেন ক্ষীরমোহনের। রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল ক্ষীরমোহন। দেশের মানুষের মন জয় করে এখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে ক্ষীরমোহন।

প্রসঙ্গত, গোয়ালন্দের সুধীর সরকার ১৯৫৮ সালে উলিপুরে এসে মিষ্টির কারিগর হিসেবে চাকরি নেন কছির মিয়ার রেস্টুরেন্টে। ক্ষীরমোহন তৈরি করে অল্পদিনেই বাজিমাত করেন সুধীর। এরপর উলিপুরের মিষ্টান্নের কারিগর মনমোহন হালাই তৈরি করেন ক্ষীরমোহন। একই সময়ে উলিপুর বাজারে স্বল্প পরিসরে ক্ষীরমোহন তৈরি শুরু করেন সুনীল চন্দ্র মদক।

এই মিষ্টির সুনাম স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ায় পাবনা ভাগ্যলক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভান্ডার দিয়ে বসেন সুনীল। চাহিদা বাড়তে থাকায় উলিপুর উপজেলার পাবনা মিষ্টান্ন দধিঘর, ওকে হোটেল অ্যান্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার, আমিন মিষ্টান্ন ভান্ডার, জলী ও শুভেচ্ছা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে তৈরি হতে থাকে ক্ষীরমোহন। এখন এই ক্ষীরমোহন দেশ জয় করে ইউরোপ, জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব ও ভারতে নিয়মিত যাচ্ছে। রংপুর ও ঢাকার বিভিন্ন মিষ্টি ঘরে যাচ্ছে উলিপুরের ক্ষীরমোহন। আর অনলাইনে অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া মাত্র ৫০০ টাকায় ঢাকার যে কোন জায়গায় এই মিষ্টান্নপৌঁছে দিচ্ছে ক্ষীরমোহন ডটকম।