ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

হ্যাটট্রিক শতকে আশরাফুলের অনন্য রেকর্ড

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টানা তিন সেঞ্চুরি উপহার দিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে নতুন রেকর্ড গড়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা লিগে করেছেন সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক। এবারের আসরে ১৩ ম্যাচে আশরাফুল পেলেন পাঁচটি সেঞ্চুরি। যার মাধ্যমে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে করা পাকিস্তানি রিক্রুট জহুর এলাহীর (পাঁচটি) রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন আশরাফুল। সেই সঙ্গে চলতি লিগের সর্বোচ্চ রানও আশরাফুলের।

এবারের মৌসুমে নিজেদের শেষ ম্যাচে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের এই ব্যাটসম্যান ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে হ্যাটট্রিক সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন আশরাফুল। ১৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চারের মার। আবাহনী ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের ৬৬০ রান টপকে আশরাফুলের রান ৬৬৫। এনামুলের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেছেন আশরাফুল।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আশরাফুলের সেঞ্চুরি ও ওয়ালিউল করিমের ৭৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৫০ ওভারে তিন উইকেটে ২৫২ রান তুলেছে কলাবাগান।

১৮ বছর আগে ঢাকা লিগের এক আসরে পাঁচ সেঞ্চুরি করা জহুর এলাহী খেলেছিলেন কলাবাগানের হয়েই। তবে সেটি লিস্ট ‘এ’ রেকর্ডসে ঠাঁই পায়নি। কেননা ঢাকা লিগ লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পায় ২০১৩-১৪ মৌসুমে। লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পাবার পর এই রেকর্ডে আশরাফুলই প্রথম।

লিস্ট ‘এ’ মর্যাদার ঢাকা লিগের আগের চারটি আসরের কোনটিতেই দুটির বেশি সেঞ্চুরির অতীত ছিল না কারো। সেখানে আশরাফুল করেছেন পাঁচ সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ড। লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত করেছেন তিনটি করে সেঞ্চুরি।

২০১৩-১৪ মৌসুমে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমীর আবদুল মজিদ এবং প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের রবি বোপারার ২টি সেঞ্চুরি ছিল আলোচিত। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ২টি করে সেঞ্চুরি করেন ভিক্টোরিয়ার কাপুগেদারা, কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমির এনামুল হক বিজয়, পারটেক্সের রাজিন সালেহ, প্রাইম দোলেশ্বরের মেহেদী মারুফ ও রনি তালুকদার।

২০১৬ সালে একই কৃতিত্ব আছে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, শেখ জামাল ধানমন্ডী ক্লাবের মাহমুদুল্লাহ, ভিক্টোরিয়ার আবদুল মজিদ, প্রাইম দোলেশ্বরের ইমতিয়াজ তান্না এবং আবাহনীর তামীম ইকবালের। ২০১৬-১৭ মৌসুমে ২টি করে সেঞ্চুরি করেন ৮ জন। যে কৃতিত্ব আছে গাজী গ্রুপের নাসির হোসেন, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের নাইম ইসলাম, ব্রাদার্সের জুনায়েদ, খেলাঘরের রবিউল ইসলাম, আবাহনীর লিটন দাস, প্রাইম দোলেশ্বরের ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, প্রাইম ব্যাংকের মেহেদী মারুফ এবং আবাহনীর নাজমুল হোসেন শান্ত’র।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হ্যাটট্রিক শতকে আশরাফুলের অনন্য রেকর্ড

আপডেট সময় ০৫:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টানা তিন সেঞ্চুরি উপহার দিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে নতুন রেকর্ড গড়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা লিগে করেছেন সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক। এবারের আসরে ১৩ ম্যাচে আশরাফুল পেলেন পাঁচটি সেঞ্চুরি। যার মাধ্যমে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে করা পাকিস্তানি রিক্রুট জহুর এলাহীর (পাঁচটি) রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন আশরাফুল। সেই সঙ্গে চলতি লিগের সর্বোচ্চ রানও আশরাফুলের।

এবারের মৌসুমে নিজেদের শেষ ম্যাচে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের এই ব্যাটসম্যান ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে হ্যাটট্রিক সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন আশরাফুল। ১৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চারের মার। আবাহনী ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের ৬৬০ রান টপকে আশরাফুলের রান ৬৬৫। এনামুলের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেছেন আশরাফুল।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আশরাফুলের সেঞ্চুরি ও ওয়ালিউল করিমের ৭৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৫০ ওভারে তিন উইকেটে ২৫২ রান তুলেছে কলাবাগান।

১৮ বছর আগে ঢাকা লিগের এক আসরে পাঁচ সেঞ্চুরি করা জহুর এলাহী খেলেছিলেন কলাবাগানের হয়েই। তবে সেটি লিস্ট ‘এ’ রেকর্ডসে ঠাঁই পায়নি। কেননা ঢাকা লিগ লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পায় ২০১৩-১৪ মৌসুমে। লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পাবার পর এই রেকর্ডে আশরাফুলই প্রথম।

লিস্ট ‘এ’ মর্যাদার ঢাকা লিগের আগের চারটি আসরের কোনটিতেই দুটির বেশি সেঞ্চুরির অতীত ছিল না কারো। সেখানে আশরাফুল করেছেন পাঁচ সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ড। লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত করেছেন তিনটি করে সেঞ্চুরি।

২০১৩-১৪ মৌসুমে কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমীর আবদুল মজিদ এবং প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের রবি বোপারার ২টি সেঞ্চুরি ছিল আলোচিত। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ২টি করে সেঞ্চুরি করেন ভিক্টোরিয়ার কাপুগেদারা, কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমির এনামুল হক বিজয়, পারটেক্সের রাজিন সালেহ, প্রাইম দোলেশ্বরের মেহেদী মারুফ ও রনি তালুকদার।

২০১৬ সালে একই কৃতিত্ব আছে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, শেখ জামাল ধানমন্ডী ক্লাবের মাহমুদুল্লাহ, ভিক্টোরিয়ার আবদুল মজিদ, প্রাইম দোলেশ্বরের ইমতিয়াজ তান্না এবং আবাহনীর তামীম ইকবালের। ২০১৬-১৭ মৌসুমে ২টি করে সেঞ্চুরি করেন ৮ জন। যে কৃতিত্ব আছে গাজী গ্রুপের নাসির হোসেন, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের নাইম ইসলাম, ব্রাদার্সের জুনায়েদ, খেলাঘরের রবিউল ইসলাম, আবাহনীর লিটন দাস, প্রাইম দোলেশ্বরের ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, প্রাইম ব্যাংকের মেহেদী মারুফ এবং আবাহনীর নাজমুল হোসেন শান্ত’র।