ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার ‘সাসপেন্ড কোনো বিচার নয়’,ওসিসহ দায়ী পুলিশদের গ্রেফতার চান ক্রিকেটার নাঈমের বাবা সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির টুঁটি চেপে ধরার কথা বলে জাতীয়করণ করেছেন: জামায়াত আমির সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু ঢাকা বাঁচাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: আবদুস সালাম তরুণদের একাংশের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তিদের অসম্মান করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা প্রধানমন্ত্রী ছাড়া সরকারের অন্য কারও মধ্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই: মঞ্জু শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট তারেক রহমান সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে টিআইবির ৯ সুপারিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আইন থাকলেও সেই অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দৃষ্টান্ত নেই বলে অভিযোগ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা পরিচালক রফিকুল হাসান। তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে অনেক আইন থাকলেও যে মাত্রায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সে অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দৃষ্টান্ত নেই।’

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এক মানববন্ধনে গবেষণা পরিচালক এসব কথা বলেন।

রফিকুল হাসান বলেন, ‘অধিকাংশ সময়ে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বিতরণের অভিযোগে শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী পর্যায়ে শাস্তির উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। বাস্তবে ফাঁস প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টরা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থেকে যান। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধে তা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।’

মানববন্ধন থেকে সংস্থাটির পক্ষ থেকে প্রশ্নফাঁস রোধে ৯টি সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশগুলো হলো- ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ১৯৯২’ এর ৪ ধারা পুনরায় সংশোধন করে শাস্তির মাত্রা পূর্বের মতো সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান প্রণয়ন এবং নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা; কোচিং সেন্টার নিষিদ্ধকরণে সরকারের ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ এর অস্পষ্টতা দূর করা এবং কোচিং বাণিজ্যে বন্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের প্রণোদনাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করা; প্রশ্নফাঁস রোধ ও সৃজনশীল পদ্ধতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গাইড বইয়ের আদলে প্রকাশিত সহায়ক গ্রন্থাবলী বন্ধে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা; তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে তদারকি বাড়ানো ও প্রচলিত আইনের অধীনে শাস্তি নিশ্চিত করা; ধাপ কমিয়ে প্রশ্ন প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণের কাজটি পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা এবং পরবর্তী সময়ে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা; প্রশ্নফাঁস নিয়ে গঠিত যেকোনো তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা; শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ব্যবস্থাপনাগত যেকোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা; প্রশ্নফাঁস রোধে বহুনির্বাচনী প্রশ্নব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা; পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্নপত্রের একাধিক সেট রাখা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে টিআইবির ৯ সুপারিশ

আপডেট সময় ০৪:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আইন থাকলেও সেই অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দৃষ্টান্ত নেই বলে অভিযোগ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা পরিচালক রফিকুল হাসান। তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে অনেক আইন থাকলেও যে মাত্রায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সে অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দৃষ্টান্ত নেই।’

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এক মানববন্ধনে গবেষণা পরিচালক এসব কথা বলেন।

রফিকুল হাসান বলেন, ‘অধিকাংশ সময়ে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বিতরণের অভিযোগে শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী পর্যায়ে শাস্তির উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। বাস্তবে ফাঁস প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টরা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থেকে যান। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধে তা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।’

মানববন্ধন থেকে সংস্থাটির পক্ষ থেকে প্রশ্নফাঁস রোধে ৯টি সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশগুলো হলো- ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ১৯৯২’ এর ৪ ধারা পুনরায় সংশোধন করে শাস্তির মাত্রা পূর্বের মতো সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান প্রণয়ন এবং নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা; কোচিং সেন্টার নিষিদ্ধকরণে সরকারের ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ এর অস্পষ্টতা দূর করা এবং কোচিং বাণিজ্যে বন্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের প্রণোদনাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করা; প্রশ্নফাঁস রোধ ও সৃজনশীল পদ্ধতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গাইড বইয়ের আদলে প্রকাশিত সহায়ক গ্রন্থাবলী বন্ধে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা; তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে তদারকি বাড়ানো ও প্রচলিত আইনের অধীনে শাস্তি নিশ্চিত করা; ধাপ কমিয়ে প্রশ্ন প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণের কাজটি পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা এবং পরবর্তী সময়ে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা; প্রশ্নফাঁস নিয়ে গঠিত যেকোনো তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা; শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ব্যবস্থাপনাগত যেকোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা; প্রশ্নফাঁস রোধে বহুনির্বাচনী প্রশ্নব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা; পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্নপত্রের একাধিক সেট রাখা।