ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

ফখরুল সাহেব, পায়ের তলার মাটি সরে গেছে আপনাদের: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের ঢং ছিল আলাদা। তিনি নানা প্রশ্ন রেখে সরকারের নানা সাফল্য তুলে ধরেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে এই জনসভা হয়। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩০ জানুয়ারি সিলেটে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর এটি শেখ হাসিনার পঞ্চম জনসভা।

ওবায়দুল কাদের সিলেটের জনসভাসহ যতগুলো জনসভায় অংশ নিয়েছেন, তার প্রতিটিতেই স্থানীয়দের ভাষায় বক্তব্য শুরু করেছেন। ঠাকুরগাঁওয়ের জনসভাতেও তাই হয়েছে।

কাদের তার ১০ মিনিটের বক্তব্য শুরু করেন এভাবে: ‘তোমারা কেনম আছেন। তোমারা কেনম আছেন?’

‘ভাইয়ের ভ কেনম আছেন? বইনের ভ, কেনম আছেন? ভালো আছেন?’

জনসভায় অংশ নেন বিপুল সংখ্যক নারী। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে সন্তানের নামের পাশে মায়ের নাম যুক্ত করার বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘মহিলারা খুব খুশি।’

‘কারণ এই মহিলারা বাচ্চার জন্ম দেয়, কিন্তু বাচ্চার পরিচয় বাবার নামে। কি খালেদা জিয়ার আমলে ছিল না? আর এখন শেখ হাসিনা বলেন, বাবার পাশে যে মা এত কষ্ট করে গর্ভ ধারণ করে, সে মায়ের পরিচয় থাকতে হবে।’

‘এই পরিচয় কে দিয়েছে, কে দিয়েছে।’

আগামী নির্বাচনে এই নারী সমাজ এবং তরুণ ভোটাররা আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ার হবে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাবিও কাদের খণ্ডন করেন প্রশ্নের মধ্য দিয়েই।

জনগণকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন, প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলেন, আপনারা কী বলেন।’

‘মির্জা ফখরুলের এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণ কী বলে?’ আর জনগণ সমস্বরে ‘না’ বলে জবাব দেয়।

কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব, পায়ের তলার মাটি সরে গেছে আপনাদের। দুর্দিনে মানুষের সঙ্গে নাই।’

গত শীত মৌসূমে ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা পরার সময় সহায়তা নিয়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন কাদের। বলেন, ‘মনে আছে, শীতের সময় আমরা এসেছিলাম শেখ হাসিনার কম্বল নিয়ে নগদ টাকা নিয়ে। তখন বিএনপিকে কোথাও দেখা যায়নি। ঠিক আছে?’

‘আপনাদের দুর্দিনে, আপনাদের দুঃসময়ে কে থাকে আপনাদের পাশে?’

ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার করার বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘শহরে যেতে হয় না। বিদ্যুতের বিল, পানির বিল, পরীক্ষার ফরম, পাসপোর্টের ফরম, ভিডিওতে আজকে আমেরিকায় কথা বলেন, আফ্রিকায় কথা বলেন। এই ডিজিটাল সেন্টার কে করেছে?’

‘কে দিয়েছে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৪ কোটির হাতে মোবাইল ফোন?’

‘আজকে আট কোটি লোক বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আজকে বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা আর মায়েদের মাতৃকালীন অবসরভাতা। কে দিয়েছে? এর আগে কেউ দিয়েছে?’

কাদের বলেন, ‘আমি আজ ঠাকুরগাঁওবাসীকে জিজ্ঞেস করতে চাই, আপনারা শেখ হাসিনার আমলে বিএনপির চেয়ে ভালো আছেন কি না। বিএনপি আমলের চাইতে আওয়ামী লীগের আমলে ভালো আছেন কি না।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমান সরকারের ব্যাপক সাফল্য আছে। এই বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘আজকে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, এই বিদ্যুৎ কি কোনোদিন ছিল?’

‘আজকে গ্রামে বসে টেলিভিশনে এন্টারটেইনমেন্ট হিন্দি মুভি, ইংলিশ মুভি আপনারা গ্রামে বসে দেখতে পান। কে দিয়েছে এই সুবিধা?

‘ঠাকুরগাঁওয়ে এক সময় ধূলায় ধূলায় রাস্তা দিয়ে চলা যেত না, আজ ঠাকুরগাঁওয়ের রাস্তায় সেভেন সেভেন সেভেন, আজকে আন্তর্জাতিক বিমান নামতে পারবে। এই রাস্তা কে করেছে?’

‘বছরের প্রথম দিন বাচ্চাদের কাছে বিনামূল্যে বই পান না? এই বই কে দিয়েছেন?’

‘আর তাই ঠাকুরগাঁওয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে।’

বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার বিষয়ে কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন, বাংলাদেশ ছিল এতদিন গরিব দেশ। আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এই রূপান্তর কে ঘটিয়েছে বলুন?’

আরও যদি উন্নতি চাইলে, ‘উন্নয়নের রূপকার’ শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলেও জানিয়ে দেন কাদের।

৭৫ পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য শাসক কেউ ছিল না বলেও দাবি করেন কাদের। এই বিষয়টিও তিনি প্রশ্নের মাধ্যকে তুলে ধরেন।

আওয়ামী লীগ নেতা বলন, ‘আপনারা আমাকে বলুন ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষিত ভদ্রলোকরা। ৭৫ এর পরে শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ নেতা কে ছিল? একজনের নামও বলতে পারবেন?’

‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের পরে শেখ হাসিনার চেয়ে দক্ষ, শেখ হাসিনার চেয়ে যোগ্য শাসক আর কেউ কি ছিল?’

বিএনপি আবার ক্ষমতায় গেলে আবারও পেট্রল বোমা, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ হবে বলেও সতর্ক করেন কাদের। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বনানীর হাওয়া ভবনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই দল ক্ষমতায় দলে আবারও একটা খাওয়া ভবন এরা করবে।’

সব শেষে কাদের প্রশ্ন রাখেন, ‘আপনারা কি নেত্রী শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে চান? আবারও উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় ফিরে পেতে চান?’

পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক স্লোগান ধরে তার বক্তব্য শেষ করেন। তার স্লোগান ছিল, ‘আরেকবার দরকার, শেখ হাসিনার দরকার’ আর ‘নৌকা, নৌকা’।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

ফখরুল সাহেব, পায়ের তলার মাটি সরে গেছে আপনাদের: কাদের

আপডেট সময় ০৯:১৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের ঢং ছিল আলাদা। তিনি নানা প্রশ্ন রেখে সরকারের নানা সাফল্য তুলে ধরেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে এই জনসভা হয়। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৩০ জানুয়ারি সিলেটে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর এটি শেখ হাসিনার পঞ্চম জনসভা।

ওবায়দুল কাদের সিলেটের জনসভাসহ যতগুলো জনসভায় অংশ নিয়েছেন, তার প্রতিটিতেই স্থানীয়দের ভাষায় বক্তব্য শুরু করেছেন। ঠাকুরগাঁওয়ের জনসভাতেও তাই হয়েছে।

কাদের তার ১০ মিনিটের বক্তব্য শুরু করেন এভাবে: ‘তোমারা কেনম আছেন। তোমারা কেনম আছেন?’

‘ভাইয়ের ভ কেনম আছেন? বইনের ভ, কেনম আছেন? ভালো আছেন?’

জনসভায় অংশ নেন বিপুল সংখ্যক নারী। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে সন্তানের নামের পাশে মায়ের নাম যুক্ত করার বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘মহিলারা খুব খুশি।’

‘কারণ এই মহিলারা বাচ্চার জন্ম দেয়, কিন্তু বাচ্চার পরিচয় বাবার নামে। কি খালেদা জিয়ার আমলে ছিল না? আর এখন শেখ হাসিনা বলেন, বাবার পাশে যে মা এত কষ্ট করে গর্ভ ধারণ করে, সে মায়ের পরিচয় থাকতে হবে।’

‘এই পরিচয় কে দিয়েছে, কে দিয়েছে।’

আগামী নির্বাচনে এই নারী সমাজ এবং তরুণ ভোটাররা আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ার হবে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাবিও কাদের খণ্ডন করেন প্রশ্নের মধ্য দিয়েই।

জনগণকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন, প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলেন, আপনারা কী বলেন।’

‘মির্জা ফখরুলের এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণ কী বলে?’ আর জনগণ সমস্বরে ‘না’ বলে জবাব দেয়।

কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব, পায়ের তলার মাটি সরে গেছে আপনাদের। দুর্দিনে মানুষের সঙ্গে নাই।’

গত শীত মৌসূমে ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা পরার সময় সহায়তা নিয়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন কাদের। বলেন, ‘মনে আছে, শীতের সময় আমরা এসেছিলাম শেখ হাসিনার কম্বল নিয়ে নগদ টাকা নিয়ে। তখন বিএনপিকে কোথাও দেখা যায়নি। ঠিক আছে?’

‘আপনাদের দুর্দিনে, আপনাদের দুঃসময়ে কে থাকে আপনাদের পাশে?’

ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার করার বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘শহরে যেতে হয় না। বিদ্যুতের বিল, পানির বিল, পরীক্ষার ফরম, পাসপোর্টের ফরম, ভিডিওতে আজকে আমেরিকায় কথা বলেন, আফ্রিকায় কথা বলেন। এই ডিজিটাল সেন্টার কে করেছে?’

‘কে দিয়েছে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৪ কোটির হাতে মোবাইল ফোন?’

‘আজকে আট কোটি লোক বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আজকে বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা আর মায়েদের মাতৃকালীন অবসরভাতা। কে দিয়েছে? এর আগে কেউ দিয়েছে?’

কাদের বলেন, ‘আমি আজ ঠাকুরগাঁওবাসীকে জিজ্ঞেস করতে চাই, আপনারা শেখ হাসিনার আমলে বিএনপির চেয়ে ভালো আছেন কি না। বিএনপি আমলের চাইতে আওয়ামী লীগের আমলে ভালো আছেন কি না।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমান সরকারের ব্যাপক সাফল্য আছে। এই বিষয়টি তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘আজকে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, এই বিদ্যুৎ কি কোনোদিন ছিল?’

‘আজকে গ্রামে বসে টেলিভিশনে এন্টারটেইনমেন্ট হিন্দি মুভি, ইংলিশ মুভি আপনারা গ্রামে বসে দেখতে পান। কে দিয়েছে এই সুবিধা?

‘ঠাকুরগাঁওয়ে এক সময় ধূলায় ধূলায় রাস্তা দিয়ে চলা যেত না, আজ ঠাকুরগাঁওয়ের রাস্তায় সেভেন সেভেন সেভেন, আজকে আন্তর্জাতিক বিমান নামতে পারবে। এই রাস্তা কে করেছে?’

‘বছরের প্রথম দিন বাচ্চাদের কাছে বিনামূল্যে বই পান না? এই বই কে দিয়েছেন?’

‘আর তাই ঠাকুরগাঁওয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে।’

বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার বিষয়ে কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন, বাংলাদেশ ছিল এতদিন গরিব দেশ। আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এই রূপান্তর কে ঘটিয়েছে বলুন?’

আরও যদি উন্নতি চাইলে, ‘উন্নয়নের রূপকার’ শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলেও জানিয়ে দেন কাদের।

৭৫ পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য শাসক কেউ ছিল না বলেও দাবি করেন কাদের। এই বিষয়টিও তিনি প্রশ্নের মাধ্যকে তুলে ধরেন।

আওয়ামী লীগ নেতা বলন, ‘আপনারা আমাকে বলুন ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষিত ভদ্রলোকরা। ৭৫ এর পরে শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ নেতা কে ছিল? একজনের নামও বলতে পারবেন?’

‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের পরে শেখ হাসিনার চেয়ে দক্ষ, শেখ হাসিনার চেয়ে যোগ্য শাসক আর কেউ কি ছিল?’

বিএনপি আবার ক্ষমতায় গেলে আবারও পেট্রল বোমা, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ হবে বলেও সতর্ক করেন কাদের। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বনানীর হাওয়া ভবনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই দল ক্ষমতায় দলে আবারও একটা খাওয়া ভবন এরা করবে।’

সব শেষে কাদের প্রশ্ন রাখেন, ‘আপনারা কি নেত্রী শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে চান? আবারও উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় ফিরে পেতে চান?’

পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক স্লোগান ধরে তার বক্তব্য শেষ করেন। তার স্লোগান ছিল, ‘আরেকবার দরকার, শেখ হাসিনার দরকার’ আর ‘নৌকা, নৌকা’।