ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী কানাডার টরন্টোতে বন্দুক হামলায় দুইজন নিহত, আহত ৬ শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই ফিরুন’, হাসিনাকে আসিফ নজরুল এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচে জলাবদ্ধতা, সতর্ক করল পুলিশ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ শিক্ষার্থী এশার আজানের মাঝেই লুটিয়ে পড়লেন ইমাম, বাঁচানো গেল না প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন ব্যাটারি চালিত সাইকেল

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

তরুণদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইলেকট্রিক বাইক। পরিবেশ বান্ধব এই বাইনটি যাতায়াত খরচ অনেকাংশে কমিয়ে আনে। কিন্তু আমদানিকৃত বিদেশি ইলেকট্রিক বাইদের দাম আকাশচুম্বী। ফলে সাধ থাকলেও সাধ্য হয়ে ওঠে না।

আবার অনেকেই সাইকেলটিকে ই-সাইকেল রূপান্তর করে নিতে পারছেন না। কারণ ই-সাইকেল তৈরির যন্ত্রাংশের দাম হাজার দশেকের বেশি। এই সমস্যার সমাধানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী দামে ইলেকট্রিক বাইক তৈরির যন্ত্রাংশ বিক্রি করছে দেশি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘ডিএমআরই’।

এই যন্ত্রাংশ অনায়াসেই যেকোনো সাইকেলে সংযোজন করে ইলেকট্রিক বাইক বানিয়ে নেয়া যাবে। সাইকেল মেকানিক্সের সহায়তায় কিংবা নিজে নিজেই এই যন্ত্রাংশ সংযোজন করা যাবে।

সাধারণ সাইকেলকে ইলেক্ট্রিক ব্যাটারি চালিত সাইকেল তৈরির মটর এবং কমপ্লিট সেট বিক্রি করছে ডিএমআরই। তাদের এই ই-বাইক এক চার্জে চলবে ৫০ কিলোমিটার। এর মোটর ছোট আকারের। ফলে সাইকেলের পেছনের চাকায় সহজেই লাগানো যাবে।

তবে এই যন্ত্রাংশের সঙ্গে ব্যাটারি নেই। আছে মোটর ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ। আলাদাভাবে ১২ ভোল্টের দুটি ব্যাটারি কিনে লাগাতে হবে। ১২ ভোল্টের রিচার্জেবল ড্রাইসেল ব্যাটারির দাম ১৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।

ডিএমআরই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকতা জি এ টুটুল বলেন, পরিবেশ বান্ধব ইলেকট্রিক সাইকেলের কদর বিশ্বজোড়া। গ্রাম-গঞ্জে শিক্ষার্থীরা সাইকেলে চেপে রোজ স্কুল-কলেজে যায়। দীর্ঘপথ সাইকেল চালানোর ফলে তারা ক্লান্ত হয়ে যায়। এরা যদি আমাদের ই-সাইকেলের কিট কিনে তাদের সাইকেলে সংযোজন করে নেয় তবে তাদের সময় যেমন বাঁচবে তেমনি করে তারা যাত্রার ক্লান্তি থেকেই রেহাই পাবে।

জি এ টুটুল আরও বলেন, ধরুন আপনি ই-সাইকেল নিয়ে বের হলেন। পথে ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেল। ভয় নেই। সাধারণ সাইকেলের মতই প্যাডেল ঘুরিয়ে বাকি পথ পারি দিতে পারবেন। তাদের ই-সাইকেল কিটে রাতে পথের অন্ধকার দূর করতে রয়েছে হেড লাইট। পথচারীদের সতর্ক করার জন্য আছে হর্ন। এছাড়াও চলতি পথে মোবাইল ফোন চার্জ দেয়ার জন্য রয়েছে চার্জার।

এতসব সুবিধা সম্বলিত ই-বাইকের কিটের দাম মাত্র চার হাজার ৫০০ টাকা। এই কিট কিনে কীভাবে তা সংযোজন করবেনে সেজন্য ডিএমআরই একটি ভিডিও তৈরি করেছে। ওই ভিডিও দেখে নিজে নিজেই আপনার সাধারণ সাইকেলটিকে বানিয়ে নিতে পারবেন ইলেকট্রিক সাইকেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী

ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন ব্যাটারি চালিত সাইকেল

আপডেট সময় ০৮:২৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

তরুণদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইলেকট্রিক বাইক। পরিবেশ বান্ধব এই বাইনটি যাতায়াত খরচ অনেকাংশে কমিয়ে আনে। কিন্তু আমদানিকৃত বিদেশি ইলেকট্রিক বাইদের দাম আকাশচুম্বী। ফলে সাধ থাকলেও সাধ্য হয়ে ওঠে না।

আবার অনেকেই সাইকেলটিকে ই-সাইকেল রূপান্তর করে নিতে পারছেন না। কারণ ই-সাইকেল তৈরির যন্ত্রাংশের দাম হাজার দশেকের বেশি। এই সমস্যার সমাধানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী দামে ইলেকট্রিক বাইক তৈরির যন্ত্রাংশ বিক্রি করছে দেশি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘ডিএমআরই’।

এই যন্ত্রাংশ অনায়াসেই যেকোনো সাইকেলে সংযোজন করে ইলেকট্রিক বাইক বানিয়ে নেয়া যাবে। সাইকেল মেকানিক্সের সহায়তায় কিংবা নিজে নিজেই এই যন্ত্রাংশ সংযোজন করা যাবে।

সাধারণ সাইকেলকে ইলেক্ট্রিক ব্যাটারি চালিত সাইকেল তৈরির মটর এবং কমপ্লিট সেট বিক্রি করছে ডিএমআরই। তাদের এই ই-বাইক এক চার্জে চলবে ৫০ কিলোমিটার। এর মোটর ছোট আকারের। ফলে সাইকেলের পেছনের চাকায় সহজেই লাগানো যাবে।

তবে এই যন্ত্রাংশের সঙ্গে ব্যাটারি নেই। আছে মোটর ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ। আলাদাভাবে ১২ ভোল্টের দুটি ব্যাটারি কিনে লাগাতে হবে। ১২ ভোল্টের রিচার্জেবল ড্রাইসেল ব্যাটারির দাম ১৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।

ডিএমআরই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকতা জি এ টুটুল বলেন, পরিবেশ বান্ধব ইলেকট্রিক সাইকেলের কদর বিশ্বজোড়া। গ্রাম-গঞ্জে শিক্ষার্থীরা সাইকেলে চেপে রোজ স্কুল-কলেজে যায়। দীর্ঘপথ সাইকেল চালানোর ফলে তারা ক্লান্ত হয়ে যায়। এরা যদি আমাদের ই-সাইকেলের কিট কিনে তাদের সাইকেলে সংযোজন করে নেয় তবে তাদের সময় যেমন বাঁচবে তেমনি করে তারা যাত্রার ক্লান্তি থেকেই রেহাই পাবে।

জি এ টুটুল আরও বলেন, ধরুন আপনি ই-সাইকেল নিয়ে বের হলেন। পথে ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেল। ভয় নেই। সাধারণ সাইকেলের মতই প্যাডেল ঘুরিয়ে বাকি পথ পারি দিতে পারবেন। তাদের ই-সাইকেল কিটে রাতে পথের অন্ধকার দূর করতে রয়েছে হেড লাইট। পথচারীদের সতর্ক করার জন্য আছে হর্ন। এছাড়াও চলতি পথে মোবাইল ফোন চার্জ দেয়ার জন্য রয়েছে চার্জার।

এতসব সুবিধা সম্বলিত ই-বাইকের কিটের দাম মাত্র চার হাজার ৫০০ টাকা। এই কিট কিনে কীভাবে তা সংযোজন করবেনে সেজন্য ডিএমআরই একটি ভিডিও তৈরি করেছে। ওই ভিডিও দেখে নিজে নিজেই আপনার সাধারণ সাইকেলটিকে বানিয়ে নিতে পারবেন ইলেকট্রিক সাইকেল।