ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুর্শিদাবাদে স্কুল ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা, দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত তিন ইরানের ৫ সেতু ও একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা, নিহত ৮ চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার জামিন ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

তবে আজ খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়নি। কিন্তু তাকে ছাড়াই আদালত বসে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) আব্দুলাহ আবু বলেন, খালেদা জিয়াকে আজ আদালতে হাজির করার সকল প্রস্তুতি আমাদের ছিল কিন্তু কারাগারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাকে বাইরে বের করা যাবে না। তাই সকল প্রস্তুতি নেওয়ার পরও আজ তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রসিকিউশনের পক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘দুইজন আসামি অনুপস্থিত। একজন আসামি খালেদা জিয়া আদালতে আসনেনি। কি কারণে তিনি আসেনি এটা আমার জানা নেই। এটা কারা কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে। অনিবার্য কারণে তাকে আনা হয়নি।’

পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ানোর আবেদন করেন। মোশাররফ হোসেন এর বিরোধিতা করে বলেন, খালেদা জিয়া অন্য একটি মামলায় কারাগারে আছেন। কারাগারে থাকার কারণে তার জামিনের কোনো সুযোগ নেই। তখন সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, জামিনের সঙ্গে কারাগারে থাকা বা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক আখতারুজ্জামান বলেন, আগামীকালও এ মামলার শুনানির দিন ছিল। কিন্তু শুনানি হবে না। আগামী ৫ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য হলো। একই সঙ্গে ওই দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়া এই মামলার জামিনে থাকবেন বলে তিনি আইনজীবীদের জানান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

গত ১৩ মার্চ রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২৮ ও ২৯ মার্চ খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের নামে আসা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগষ্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করে দুদক। তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুর্শিদাবাদে স্কুল ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা, দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত তিন

খালেদা জিয়ার জামিন ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

তবে আজ খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়নি। কিন্তু তাকে ছাড়াই আদালত বসে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) আব্দুলাহ আবু বলেন, খালেদা জিয়াকে আজ আদালতে হাজির করার সকল প্রস্তুতি আমাদের ছিল কিন্তু কারাগারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাকে বাইরে বের করা যাবে না। তাই সকল প্রস্তুতি নেওয়ার পরও আজ তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রসিকিউশনের পক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘দুইজন আসামি অনুপস্থিত। একজন আসামি খালেদা জিয়া আদালতে আসনেনি। কি কারণে তিনি আসেনি এটা আমার জানা নেই। এটা কারা কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে। অনিবার্য কারণে তাকে আনা হয়নি।’

পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ানোর আবেদন করেন। মোশাররফ হোসেন এর বিরোধিতা করে বলেন, খালেদা জিয়া অন্য একটি মামলায় কারাগারে আছেন। কারাগারে থাকার কারণে তার জামিনের কোনো সুযোগ নেই। তখন সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, জামিনের সঙ্গে কারাগারে থাকা বা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক আখতারুজ্জামান বলেন, আগামীকালও এ মামলার শুনানির দিন ছিল। কিন্তু শুনানি হবে না। আগামী ৫ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য হলো। একই সঙ্গে ওই দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়া এই মামলার জামিনে থাকবেন বলে তিনি আইনজীবীদের জানান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

গত ১৩ মার্চ রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২৮ ও ২৯ মার্চ খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের নামে আসা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগষ্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করে দুদক। তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।