ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

মওদুদ, আমির খসরুর বক্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের প্রাথমিক স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই নেতা মওদুদ আহমদ ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, দেশ বিদেশের সবাই বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখছে আর বিএনপি দেখছে না।

সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আরও সাত থেকে আট বছর আগে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেত। আর সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কোথাও উন্নয়ন না দেখে তা খুঁজে বেড়াচ্ছেন জানিয়ে বলেন, ‘দেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারও উন্নয়ন হয়নি।

রবিবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যের এক পর্যায়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জানি না এটা রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যাচ্ছে কি না। বিএনপি নাকি কোন উন্নয়ন দেখে না দেশে। আমরা যেদিন উদযাপন করলাম সেদিন বিশ্বব্যাংক প্রধান জিম ইয়ং কিম, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোরিও গুতেরেস, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবিসহ বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে প্রসংশা করা হয়েছে আর বিএনপি উন্নয়ন দেখে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, মওদুদ আহমদ বলেছেন তারা ক্ষমতায় থাকলে ১০ বছর আগেই আমরা উন্নয়শীল দেশ হতাম চিন্তা করেন! ১৯৯৬ সালে আমি শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম। আমরা রেখে গিয়েছিলাম ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা পদ্মা ব্রিজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলাম ১ জুলাই ২০০১ সালে। সেই পদ্মা সেতু করতে দেয়নি। বিদ্যুৎ রেখে গিয়েছি ৪হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেটা নামিয়েছেন তিন হাজার মেগাওয়াটে। যারা নিচের দিকে নামান সেই দল বলছে ওপরের দিকে ওঠাবেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমির খসরু মাহমুদ বলেছে উন্নয়ন হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাদের । আরে বিএনপির সময় তো হাওয়া ভবনের উন্নয়ন হয়েছে। বিএনপি এক্সপোর্ট রেখে গেছে ১০ বিলিয়ন আজ সেটা ৩৫ বিলিয়ন। বিশ্বয়কর উন্নয়ন হয়েছে। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় যখন আসলাম তখন তিন দশমিক আট বিলিয়ন ছিল রপ্তানি ছিল। আমরা যখন ক্ষমতা ছাড়ি ৭ বিলিয়ন মানে চার বিলিয়ন বাড়াতে পেরেছি। আবার বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছাড়ে তখন ছিল ১০ বিলিয়ন। আবার আমরা যখন ক্ষমতায় আসি ২০০৯ সালে তখন ১৪ বিলিয়ন ছিল।(তত্বাবধায়ক সরকারের রেখে যাওয়া) সেটা এখন ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবার আমাদের সেবা খাতসহ ৩৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। আজ বিদ্যুৎ ১৬ হাজার তিনশ মেগাওয়াট । শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পায়। আজ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু হচ্ছে। আজ দৃশ্যমান মেট্ররেলের কাজ চলছে।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এলডিসিভূক্ত দেশ হতে বাংলাদেশের উত্তরণ: নৌপরিবহন সেক্টরে অর্জিত সাফল্য, চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে নৌ পরিবহনমন্ত্রীর শাজাহান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুস সামাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

মওদুদ, আমির খসরুর বক্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের প্রাথমিক স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই নেতা মওদুদ আহমদ ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, দেশ বিদেশের সবাই বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখছে আর বিএনপি দেখছে না।

সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আরও সাত থেকে আট বছর আগে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেত। আর সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কোথাও উন্নয়ন না দেখে তা খুঁজে বেড়াচ্ছেন জানিয়ে বলেন, ‘দেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারও উন্নয়ন হয়নি।

রবিবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যের এক পর্যায়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জানি না এটা রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যাচ্ছে কি না। বিএনপি নাকি কোন উন্নয়ন দেখে না দেশে। আমরা যেদিন উদযাপন করলাম সেদিন বিশ্বব্যাংক প্রধান জিম ইয়ং কিম, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোরিও গুতেরেস, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবিসহ বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে প্রসংশা করা হয়েছে আর বিএনপি উন্নয়ন দেখে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, মওদুদ আহমদ বলেছেন তারা ক্ষমতায় থাকলে ১০ বছর আগেই আমরা উন্নয়শীল দেশ হতাম চিন্তা করেন! ১৯৯৬ সালে আমি শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম। আমরা রেখে গিয়েছিলাম ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা পদ্মা ব্রিজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলাম ১ জুলাই ২০০১ সালে। সেই পদ্মা সেতু করতে দেয়নি। বিদ্যুৎ রেখে গিয়েছি ৪হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেটা নামিয়েছেন তিন হাজার মেগাওয়াটে। যারা নিচের দিকে নামান সেই দল বলছে ওপরের দিকে ওঠাবেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমির খসরু মাহমুদ বলেছে উন্নয়ন হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাদের । আরে বিএনপির সময় তো হাওয়া ভবনের উন্নয়ন হয়েছে। বিএনপি এক্সপোর্ট রেখে গেছে ১০ বিলিয়ন আজ সেটা ৩৫ বিলিয়ন। বিশ্বয়কর উন্নয়ন হয়েছে। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় যখন আসলাম তখন তিন দশমিক আট বিলিয়ন ছিল রপ্তানি ছিল। আমরা যখন ক্ষমতা ছাড়ি ৭ বিলিয়ন মানে চার বিলিয়ন বাড়াতে পেরেছি। আবার বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছাড়ে তখন ছিল ১০ বিলিয়ন। আবার আমরা যখন ক্ষমতায় আসি ২০০৯ সালে তখন ১৪ বিলিয়ন ছিল।(তত্বাবধায়ক সরকারের রেখে যাওয়া) সেটা এখন ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবার আমাদের সেবা খাতসহ ৩৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। আজ বিদ্যুৎ ১৬ হাজার তিনশ মেগাওয়াট । শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পায়। আজ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু হচ্ছে। আজ দৃশ্যমান মেট্ররেলের কাজ চলছে।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এলডিসিভূক্ত দেশ হতে বাংলাদেশের উত্তরণ: নৌপরিবহন সেক্টরে অর্জিত সাফল্য, চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে নৌ পরিবহনমন্ত্রীর শাজাহান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুস সামাদ।