অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, গুঁড়ো দুধসহ বিদেশ থেকে আমদানিকৃত খাবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। আমদানিকৃত বিদেশি খাবার নিরাপদ কিনা তা তারা পরীক্ষা করে দেখা হবে।
তিনি বলেন, ‘উৎপাদন থেকে শুরু করে খাবার টেবিল পর্যন্ত আমরা খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য জনসচেতনতা দরকার। আর এই কাজটিকেই এখন অধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে’।
বুধবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত ‘ফুড অ্যান্ড এগ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো-২০১৮’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ইতিমধ্যে ১০টি ল্যাবরেটরিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে নিজস্ব ল্যাবরেটরি তেরি করা হবে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে খাদ্যসংক্রান্ত আইন অনুমোদন দেয়া হয়েছে এবং ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৮টি মন্ত্রণালয় এবং ৪৮০টি সংস্থার সমন্বয়ে এ কর্তৃপক্ষ কাজ করে থাকে।
নিরাপদ খাদ্যসংক্রান্ত আইনটি শ্রীলঙ্কা ও ভারতের আদলে তৈরি করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যে অর্জন তা ভারত ও শ্রীলংকাও করতে পারেনি। সেসব দেশেও আইনটি কার্যকর করতে তিন থেকে চার বছর সময় লেগেছে’।
অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে দেশে খাদ্য ঘাটতি নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছিল এবং এরপর দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রেখে গিয়েছিল।
২০০৯ সালে যখন আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনও দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। সেই ঘাটতি পূরণ করে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শ্রীলংকায় চাল রফতানি করেছে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, বিচক্ষণতা ও সুযোগ্য নেতৃত্বের ফলে দেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে।
সেমস গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট মেহেরুন এন. ইসলাম- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া- এর মহাপরিচালক এম এ মতিন, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম খান প্রমুখ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















