ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ আরেক মামলায় গ্রেফতার কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

যেখানে দাফন করা হবে ২৬ মারদেহ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা শেষে তাদের মরদেহ নিজেদের কাছে নিয়েছেন স্বজনরা। এখন চলছে দাফনের প্রক্রিয়া।

আজ সোমবার আসরের নামাজের পর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে তাদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মরদেহ স্বজনরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের দাফন করা হবে।

জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান। আর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিহতদের প্রতি।

স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, বিমানের কো-পাইলট পৃথুলার লাশ রাজধানীর শ্যামলীতে আশা টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আক্তারা বেগমের লাশ রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হবে। তার দুই মেয়ে মরদেহ গ্রহণ করেন।

ইউএস-বাংলার ২২১ ফ্লাইটের কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির মরদেহ রাজধানীর বেগমবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এসএম মাহমুদুর রহমানের মরদেহ যাবে ফরিদপুরের নিজ এলাকায়।

নিহত মতিউর রহমানের মরদেহ গ্রামের বাড়ি ফেনীতে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ীর লাশ দাফন হবে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলার জৈনাবাজার গ্রামে।

সানজিদা হক ও তার ছেলে অনিরুদ্ধের জানাজা নিজ বাসভবন শুক্রাবাদে বাদ এশা অনুষ্ঠিত হবে।

ফয়সালকে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। আঁখিমনি ও মিনহাজ দম্পতিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে চার ক্রুসহ ৫১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্য তিনজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

যেখানে দাফন করা হবে ২৬ মারদেহ

আপডেট সময় ১০:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা শেষে তাদের মরদেহ নিজেদের কাছে নিয়েছেন স্বজনরা। এখন চলছে দাফনের প্রক্রিয়া।

আজ সোমবার আসরের নামাজের পর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে তাদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মরদেহ স্বজনরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের দাফন করা হবে।

জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান। আর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিহতদের প্রতি।

স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, বিমানের কো-পাইলট পৃথুলার লাশ রাজধানীর শ্যামলীতে আশা টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আক্তারা বেগমের লাশ রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হবে। তার দুই মেয়ে মরদেহ গ্রহণ করেন।

ইউএস-বাংলার ২২১ ফ্লাইটের কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির মরদেহ রাজধানীর বেগমবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এসএম মাহমুদুর রহমানের মরদেহ যাবে ফরিদপুরের নিজ এলাকায়।

নিহত মতিউর রহমানের মরদেহ গ্রামের বাড়ি ফেনীতে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ীর লাশ দাফন হবে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলার জৈনাবাজার গ্রামে।

সানজিদা হক ও তার ছেলে অনিরুদ্ধের জানাজা নিজ বাসভবন শুক্রাবাদে বাদ এশা অনুষ্ঠিত হবে।

ফয়সালকে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। আঁখিমনি ও মিনহাজ দম্পতিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে চার ক্রুসহ ৫১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্য তিনজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।