ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

যেখানে দাফন করা হবে ২৬ মারদেহ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা শেষে তাদের মরদেহ নিজেদের কাছে নিয়েছেন স্বজনরা। এখন চলছে দাফনের প্রক্রিয়া।

আজ সোমবার আসরের নামাজের পর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে তাদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মরদেহ স্বজনরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের দাফন করা হবে।

জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান। আর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিহতদের প্রতি।

স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, বিমানের কো-পাইলট পৃথুলার লাশ রাজধানীর শ্যামলীতে আশা টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আক্তারা বেগমের লাশ রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হবে। তার দুই মেয়ে মরদেহ গ্রহণ করেন।

ইউএস-বাংলার ২২১ ফ্লাইটের কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির মরদেহ রাজধানীর বেগমবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এসএম মাহমুদুর রহমানের মরদেহ যাবে ফরিদপুরের নিজ এলাকায়।

নিহত মতিউর রহমানের মরদেহ গ্রামের বাড়ি ফেনীতে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ীর লাশ দাফন হবে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলার জৈনাবাজার গ্রামে।

সানজিদা হক ও তার ছেলে অনিরুদ্ধের জানাজা নিজ বাসভবন শুক্রাবাদে বাদ এশা অনুষ্ঠিত হবে।

ফয়সালকে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। আঁখিমনি ও মিনহাজ দম্পতিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে চার ক্রুসহ ৫১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্য তিনজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

যেখানে দাফন করা হবে ২৬ মারদেহ

আপডেট সময় ১০:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা শেষে তাদের মরদেহ নিজেদের কাছে নিয়েছেন স্বজনরা। এখন চলছে দাফনের প্রক্রিয়া।

আজ সোমবার আসরের নামাজের পর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে তাদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মরদেহ স্বজনরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের দাফন করা হবে।

জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান। আর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিহতদের প্রতি।

স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, বিমানের কো-পাইলট পৃথুলার লাশ রাজধানীর শ্যামলীতে আশা টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আক্তারা বেগমের লাশ রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হবে। তার দুই মেয়ে মরদেহ গ্রহণ করেন।

ইউএস-বাংলার ২২১ ফ্লাইটের কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির মরদেহ রাজধানীর বেগমবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এসএম মাহমুদুর রহমানের মরদেহ যাবে ফরিদপুরের নিজ এলাকায়।

নিহত মতিউর রহমানের মরদেহ গ্রামের বাড়ি ফেনীতে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রিয়ক ও প্রিয়ন্ময়ীর লাশ দাফন হবে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলার জৈনাবাজার গ্রামে।

সানজিদা হক ও তার ছেলে অনিরুদ্ধের জানাজা নিজ বাসভবন শুক্রাবাদে বাদ এশা অনুষ্ঠিত হবে।

ফয়সালকে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। আঁখিমনি ও মিনহাজ দম্পতিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে চার ক্রুসহ ৫১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্য তিনজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।