ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় শিশু-কিশোর মঞ্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিবের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। শিশু-কিশোর মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান বকুলকে জামাত-শিবির কর্মী আখ্যা দিয়ে অনুষ্ঠান চলাকালে বাকবিতন্ডা শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

রোববার (১৮ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংগঠনটির আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিব।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা এ সময় বকুলকে শিশু-কিশোর মঞ্চ থেকে বাতিলের দাবি জানায়। ঘটনাস্থলে মেহেদী হাসান জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা রেলমন্ত্রীকে জানানোর তাগিদে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। একজন জামাত-শিবির কর্মী কিভাবে একটি আওয়ামী পন্থী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হতে পারে। সে মোহাম্মদপুর থানা শিবির কমিটির রোকন। এছাড়া শিক্ষা জীবনে শিবিরের সঙ্গে এমনকি এখনও সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে।
এছাড়া এমন অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা কিংবা তাদের সন্তানরা কিভাবে অংশগ্রহণ করে সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

এসময় তারা অনুষ্ঠানের মঞ্চে অবস্থান করে বেশ কিছুক্ষণ প্রচন্ড পরিমাণ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের অনুরোধে তারা মঞ্চ ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে বকুল বলেন, আমাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে মেহেদী আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোনো পদ পায় নি আর আমি পেয়েছি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শত্রুতাবসত এ অনুষ্ঠান পন্ড করতে এসেছিলো। কিন্তু সে নিজেদের মধ্যে কোন্দল করলো। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি শুরু থেকেই। এটা মিথ্যা অপবাদ। আমার রাজনৈতিক পরিচয় কোনো গোপন পরিচয় না। তা আমার নেতারাও জানেন।

এছাড়া সংগঠনটির সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী তার বক্তব্যেও বকুলের পক্ষে বক্তব্যে বলেন, আমরা বকুলকে অনেক আগে থেকেই চিনি। সে একজন সক্রিয় আওয়ামীলীগ কর্মী। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে

আপডেট সময় ০৫:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় শিশু-কিশোর মঞ্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিবের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। শিশু-কিশোর মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান বকুলকে জামাত-শিবির কর্মী আখ্যা দিয়ে অনুষ্ঠান চলাকালে বাকবিতন্ডা শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

রোববার (১৮ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংগঠনটির আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিব।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা এ সময় বকুলকে শিশু-কিশোর মঞ্চ থেকে বাতিলের দাবি জানায়। ঘটনাস্থলে মেহেদী হাসান জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা রেলমন্ত্রীকে জানানোর তাগিদে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। একজন জামাত-শিবির কর্মী কিভাবে একটি আওয়ামী পন্থী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হতে পারে। সে মোহাম্মদপুর থানা শিবির কমিটির রোকন। এছাড়া শিক্ষা জীবনে শিবিরের সঙ্গে এমনকি এখনও সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে।
এছাড়া এমন অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা কিংবা তাদের সন্তানরা কিভাবে অংশগ্রহণ করে সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

এসময় তারা অনুষ্ঠানের মঞ্চে অবস্থান করে বেশ কিছুক্ষণ প্রচন্ড পরিমাণ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের অনুরোধে তারা মঞ্চ ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে বকুল বলেন, আমাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে মেহেদী আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোনো পদ পায় নি আর আমি পেয়েছি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শত্রুতাবসত এ অনুষ্ঠান পন্ড করতে এসেছিলো। কিন্তু সে নিজেদের মধ্যে কোন্দল করলো। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি শুরু থেকেই। এটা মিথ্যা অপবাদ। আমার রাজনৈতিক পরিচয় কোনো গোপন পরিচয় না। তা আমার নেতারাও জানেন।

এছাড়া সংগঠনটির সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী তার বক্তব্যেও বকুলের পক্ষে বক্তব্যে বলেন, আমরা বকুলকে অনেক আগে থেকেই চিনি। সে একজন সক্রিয় আওয়ামীলীগ কর্মী। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।