ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় শিশু-কিশোর মঞ্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিবের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। শিশু-কিশোর মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান বকুলকে জামাত-শিবির কর্মী আখ্যা দিয়ে অনুষ্ঠান চলাকালে বাকবিতন্ডা শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

রোববার (১৮ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংগঠনটির আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিব।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা এ সময় বকুলকে শিশু-কিশোর মঞ্চ থেকে বাতিলের দাবি জানায়। ঘটনাস্থলে মেহেদী হাসান জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা রেলমন্ত্রীকে জানানোর তাগিদে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। একজন জামাত-শিবির কর্মী কিভাবে একটি আওয়ামী পন্থী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হতে পারে। সে মোহাম্মদপুর থানা শিবির কমিটির রোকন। এছাড়া শিক্ষা জীবনে শিবিরের সঙ্গে এমনকি এখনও সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে।
এছাড়া এমন অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা কিংবা তাদের সন্তানরা কিভাবে অংশগ্রহণ করে সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

এসময় তারা অনুষ্ঠানের মঞ্চে অবস্থান করে বেশ কিছুক্ষণ প্রচন্ড পরিমাণ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের অনুরোধে তারা মঞ্চ ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে বকুল বলেন, আমাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে মেহেদী আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোনো পদ পায় নি আর আমি পেয়েছি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শত্রুতাবসত এ অনুষ্ঠান পন্ড করতে এসেছিলো। কিন্তু সে নিজেদের মধ্যে কোন্দল করলো। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি শুরু থেকেই। এটা মিথ্যা অপবাদ। আমার রাজনৈতিক পরিচয় কোনো গোপন পরিচয় না। তা আমার নেতারাও জানেন।

এছাড়া সংগঠনটির সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী তার বক্তব্যেও বকুলের পক্ষে বক্তব্যে বলেন, আমরা বকুলকে অনেক আগে থেকেই চিনি। সে একজন সক্রিয় আওয়ামীলীগ কর্মী। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে

আপডেট সময় ০৫:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় শিশু-কিশোর মঞ্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিবের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। শিশু-কিশোর মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান বকুলকে জামাত-শিবির কর্মী আখ্যা দিয়ে অনুষ্ঠান চলাকালে বাকবিতন্ডা শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

রোববার (১৮ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংগঠনটির আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মুজিব।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা এ সময় বকুলকে শিশু-কিশোর মঞ্চ থেকে বাতিলের দাবি জানায়। ঘটনাস্থলে মেহেদী হাসান জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা রেলমন্ত্রীকে জানানোর তাগিদে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। একজন জামাত-শিবির কর্মী কিভাবে একটি আওয়ামী পন্থী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হতে পারে। সে মোহাম্মদপুর থানা শিবির কমিটির রোকন। এছাড়া শিক্ষা জীবনে শিবিরের সঙ্গে এমনকি এখনও সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে।
এছাড়া এমন অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা কিংবা তাদের সন্তানরা কিভাবে অংশগ্রহণ করে সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতারা।

এসময় তারা অনুষ্ঠানের মঞ্চে অবস্থান করে বেশ কিছুক্ষণ প্রচন্ড পরিমাণ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের অনুরোধে তারা মঞ্চ ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে বকুল বলেন, আমাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে মেহেদী আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোনো পদ পায় নি আর আমি পেয়েছি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শত্রুতাবসত এ অনুষ্ঠান পন্ড করতে এসেছিলো। কিন্তু সে নিজেদের মধ্যে কোন্দল করলো। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি শুরু থেকেই। এটা মিথ্যা অপবাদ। আমার রাজনৈতিক পরিচয় কোনো গোপন পরিচয় না। তা আমার নেতারাও জানেন।

এছাড়া সংগঠনটির সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী তার বক্তব্যেও বকুলের পক্ষে বক্তব্যে বলেন, আমরা বকুলকে অনেক আগে থেকেই চিনি। সে একজন সক্রিয় আওয়ামীলীগ কর্মী। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।