ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বাংলাদেশ: নাসিম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

‘জনস্বাস্থ্যের কল্যাণে জাতীয় ওষুধ নীতি-২০১৬’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও দৈনিক প্রথম আলো।

এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর অনেক ওষুধ আমদানি করতে হতো। এখন মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ ওষুধ আমদানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৩টি কোম্পানি বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য মানসম্মত ওষুধ তৈরি করতে হবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে আমরা ৬৬টি কোম্পানির কারখানা বন্ধ করে দিয়েছি। অনেকগুলোর লাইসেন্স বাতিল করেছি। হার্টের রিং বসানো নিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল। মধ্যস্বত্বভোগীরা কিছু ডাক্তারের সহযোগিতায় এ কাজগুলো করতো। আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মডেল ফার্মেসি স্থাপন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন জেলায় ১৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করেছি। মোট ৪৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করা হবে। আমি নিজে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে এ সব মডেল ফার্মেসি উদ্বোধন করেছি।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কিছু দিন আগে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি আমাকে বলেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প এগিয়ে। বিশেষ করে শ্রীলংকার মানুষের কাছে।

তিনি বলেন, এক সময় আমাদের কিছুই ছিল না। আজকে আমরা শুরু করেছি। সকলের সহযোগিতায় ওষুধ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, স্কয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সনাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বাংলাদেশ: নাসিম

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

‘জনস্বাস্থ্যের কল্যাণে জাতীয় ওষুধ নীতি-২০১৬’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও দৈনিক প্রথম আলো।

এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর অনেক ওষুধ আমদানি করতে হতো। এখন মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ ওষুধ আমদানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৩টি কোম্পানি বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য মানসম্মত ওষুধ তৈরি করতে হবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে আমরা ৬৬টি কোম্পানির কারখানা বন্ধ করে দিয়েছি। অনেকগুলোর লাইসেন্স বাতিল করেছি। হার্টের রিং বসানো নিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল। মধ্যস্বত্বভোগীরা কিছু ডাক্তারের সহযোগিতায় এ কাজগুলো করতো। আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মডেল ফার্মেসি স্থাপন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন জেলায় ১৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করেছি। মোট ৪৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করা হবে। আমি নিজে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে এ সব মডেল ফার্মেসি উদ্বোধন করেছি।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কিছু দিন আগে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি আমাকে বলেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প এগিয়ে। বিশেষ করে শ্রীলংকার মানুষের কাছে।

তিনি বলেন, এক সময় আমাদের কিছুই ছিল না। আজকে আমরা শুরু করেছি। সকলের সহযোগিতায় ওষুধ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, স্কয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সনাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।