ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয়, জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে : স্পিকার এপ্রিলের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৭২ কোটি ডলার মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই মেয়ের মৃত্যু নেত্রকোনায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ জনের মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ ৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের ৮টি বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি আগামী সপ্তাহ থেকে লোডশেডিং কমে আসবে : বিদ্যুৎমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসন ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার: সংসদে মির্জা ফখরুল

বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বাংলাদেশ: নাসিম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

‘জনস্বাস্থ্যের কল্যাণে জাতীয় ওষুধ নীতি-২০১৬’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও দৈনিক প্রথম আলো।

এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর অনেক ওষুধ আমদানি করতে হতো। এখন মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ ওষুধ আমদানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৩টি কোম্পানি বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য মানসম্মত ওষুধ তৈরি করতে হবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে আমরা ৬৬টি কোম্পানির কারখানা বন্ধ করে দিয়েছি। অনেকগুলোর লাইসেন্স বাতিল করেছি। হার্টের রিং বসানো নিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল। মধ্যস্বত্বভোগীরা কিছু ডাক্তারের সহযোগিতায় এ কাজগুলো করতো। আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মডেল ফার্মেসি স্থাপন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন জেলায় ১৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করেছি। মোট ৪৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করা হবে। আমি নিজে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে এ সব মডেল ফার্মেসি উদ্বোধন করেছি।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কিছু দিন আগে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি আমাকে বলেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প এগিয়ে। বিশেষ করে শ্রীলংকার মানুষের কাছে।

তিনি বলেন, এক সময় আমাদের কিছুই ছিল না। আজকে আমরা শুরু করেছি। সকলের সহযোগিতায় ওষুধ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, স্কয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সনাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয়, জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে : স্পিকার

বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বাংলাদেশ: নাসিম

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

‘জনস্বাস্থ্যের কল্যাণে জাতীয় ওষুধ নীতি-২০১৬’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও দৈনিক প্রথম আলো।

এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর অনেক ওষুধ আমদানি করতে হতো। এখন মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ ওষুধ আমদানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৩টি কোম্পানি বিশ্বের ১৪০টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য মানসম্মত ওষুধ তৈরি করতে হবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে আমরা ৬৬টি কোম্পানির কারখানা বন্ধ করে দিয়েছি। অনেকগুলোর লাইসেন্স বাতিল করেছি। হার্টের রিং বসানো নিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল। মধ্যস্বত্বভোগীরা কিছু ডাক্তারের সহযোগিতায় এ কাজগুলো করতো। আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মডেল ফার্মেসি স্থাপন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন জেলায় ১৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করেছি। মোট ৪৮০টি মডেল ফার্মেসি স্থাপন করা হবে। আমি নিজে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে এ সব মডেল ফার্মেসি উদ্বোধন করেছি।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কিছু দিন আগে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি আমাকে বলেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প এগিয়ে। বিশেষ করে শ্রীলংকার মানুষের কাছে।

তিনি বলেন, এক সময় আমাদের কিছুই ছিল না। আজকে আমরা শুরু করেছি। সকলের সহযোগিতায় ওষুধ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, স্কয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সনাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।