ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টাকা ছাড়া খেতে চাইলে এই হোটেলে আসুন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

অবিশ্বাস্য হলেও খবরটা সত্যি যে, একটি হোটেলে পেটভরে খাওয়ার পর কোনো টাকা না দিলেও চলবে। সম্প্রতি ভারতের কেরালা রাজ্যের আলপ্পুঝা জেলাতে এমনই এক রেস্তোরাঁ চালু হয়েছে। যেখানে আপনি পেট ভরে খান, আর তার দামও দিন আপনার ইচ্ছে মতো। আর যদি পকেটে টাকা না থাকে সেক্ষেত্রে দিতে হবে না এক পয়সাও৷

ভারতের ‘দ্য হিন্দু’পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই হোটেলের নাম ‘জনকীয় ভক্ষণশালা’। জেলার সিপিএম পরিচালিত ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট’-এর তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন অন্তত এক হাজার মানুষকে ভরপেট খাওয়ানোই লক্ষ্য এই রোস্তেরাঁর। এমনটাই জানিয়েছেন ‘জীবনথালম’ (প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট)-এর আহবায়ক আর রিয়াস। কেরালার স্টেট ফিনান্সিয়াল এন্টারপ্রাইজের সিএসআর ফান্ড-এর সহায়তায় এই হোটেলটি দরিদ্র এবং সাধারণ মানুষের মুখে সুলভে বা প্রয়োজনে বিনামূল্যেই দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

জানা গেছে, ১১.২৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে এই হোটেলটি তৈরি করতে।‘জনকীয় ভক্ষণশালা’ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী থমাস আইজ্যাকেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। তাই শনিবার এই হোটেলের উদ্বোধনে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যের পানিসম্পদমন্ত্রী ম্যাথু টি থমাস। হোটেলের শুরুর দিন নিজের হাতেই খাবার পরিবেশন করেন অর্থমন্ত্রী।

এ বিষয়ে থমাস আইজ্যাক জানিয়েছেন, এই হোটেলে কোনও ক্যাশ কাউন্টার নেই। নেই কোনও ক্যাশিয়ারও। পরিবর্তে দরজার সামনে একটি বাক্স রাখা আছে। যেখানে পেটপুরে খেয়ে হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে খাবারের মূল্য হিসেবে আপনার ইচ্ছে মতো টাকা দিয়ে চলে যেতে পারেন।

থমাস আইজ্যাক আরও জানান, কারও যদি খাবারের দাম দেওয়ার টাকা না থাকে, সে ক্ষেত্রে তার টাকা না দিলেও চলবে। খিদে পেলে চলে আসুন এখানে।

জানা গেছে, সরকারি তহবিলের সহায়তা ছাড়াও আলপ্পুঝার অনেক স্থানীয় বাসিন্দা আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আলপ্পুঝা-চেরথানা ন্যাশনাল হাইওয়ের কাছে এই হোটেলের একটি আধুনিক স্টিম কিচেন রয়েছে। যেখানে অনায়াসে ২০০০ জনের খাবার তৈরি করা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টাকা ছাড়া খেতে চাইলে এই হোটেলে আসুন

আপডেট সময় ১১:০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

অবিশ্বাস্য হলেও খবরটা সত্যি যে, একটি হোটেলে পেটভরে খাওয়ার পর কোনো টাকা না দিলেও চলবে। সম্প্রতি ভারতের কেরালা রাজ্যের আলপ্পুঝা জেলাতে এমনই এক রেস্তোরাঁ চালু হয়েছে। যেখানে আপনি পেট ভরে খান, আর তার দামও দিন আপনার ইচ্ছে মতো। আর যদি পকেটে টাকা না থাকে সেক্ষেত্রে দিতে হবে না এক পয়সাও৷

ভারতের ‘দ্য হিন্দু’পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই হোটেলের নাম ‘জনকীয় ভক্ষণশালা’। জেলার সিপিএম পরিচালিত ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট’-এর তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন অন্তত এক হাজার মানুষকে ভরপেট খাওয়ানোই লক্ষ্য এই রোস্তেরাঁর। এমনটাই জানিয়েছেন ‘জীবনথালম’ (প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট)-এর আহবায়ক আর রিয়াস। কেরালার স্টেট ফিনান্সিয়াল এন্টারপ্রাইজের সিএসআর ফান্ড-এর সহায়তায় এই হোটেলটি দরিদ্র এবং সাধারণ মানুষের মুখে সুলভে বা প্রয়োজনে বিনামূল্যেই দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

জানা গেছে, ১১.২৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে এই হোটেলটি তৈরি করতে।‘জনকীয় ভক্ষণশালা’ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী থমাস আইজ্যাকেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। তাই শনিবার এই হোটেলের উদ্বোধনে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যের পানিসম্পদমন্ত্রী ম্যাথু টি থমাস। হোটেলের শুরুর দিন নিজের হাতেই খাবার পরিবেশন করেন অর্থমন্ত্রী।

এ বিষয়ে থমাস আইজ্যাক জানিয়েছেন, এই হোটেলে কোনও ক্যাশ কাউন্টার নেই। নেই কোনও ক্যাশিয়ারও। পরিবর্তে দরজার সামনে একটি বাক্স রাখা আছে। যেখানে পেটপুরে খেয়ে হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে খাবারের মূল্য হিসেবে আপনার ইচ্ছে মতো টাকা দিয়ে চলে যেতে পারেন।

থমাস আইজ্যাক আরও জানান, কারও যদি খাবারের দাম দেওয়ার টাকা না থাকে, সে ক্ষেত্রে তার টাকা না দিলেও চলবে। খিদে পেলে চলে আসুন এখানে।

জানা গেছে, সরকারি তহবিলের সহায়তা ছাড়াও আলপ্পুঝার অনেক স্থানীয় বাসিন্দা আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আলপ্পুঝা-চেরথানা ন্যাশনাল হাইওয়ের কাছে এই হোটেলের একটি আধুনিক স্টিম কিচেন রয়েছে। যেখানে অনায়াসে ২০০০ জনের খাবার তৈরি করা যায়।