ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ ওসমান হাদির বিচার নিয়ে স্ত্রীর আবেগঘন পোস্ট ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা ‘মন্ত্রী হলে পরে হব, নির্বাচন ছাড়ব না’ জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল: খন্দকার মোশাররফ ৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে নতুন বার্তা পিসিবির ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন

সোহরাওয়ার্দী অভিমুখে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঢল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের বর্ষপূর্তির দিনে সেখানে আয়োজিত সমাবেশে অংশ নিতে দলে দলে আসছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

বুধবার বেলা দুইটার দিকে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ইতোমধ্যে সমাবেশ অভিমুখে আসতে শুরু করেছেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও আশপাশের পাঁচ জেলা গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও নরসিংদী থেকেও নেতা-কর্মীদেরা সমাবেশে আসছেন। তারা বাসের পাশাপাশি ট্রেন ট্রাকযোগে সমাবেশে আসছেন। জয় বাংলা শ্লোগান দিতে দিতে এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নেচে-গেয়ে আসছেন অনেকে। তাদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন, অনেকের গায়ে একই রঙের টি-শার্ট, মাথায় একই রঙের ক্যাপ শোভা পাচ্ছে।

এছাড়া মহানগরীর বিভিন্ন থানা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যাচ্ছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে এসব মানুষের মুখে ছিল একাত্তরের সেই বিখ্যাত ‘জয় বাংলা’স্লোগান।

সরেজমিনে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সুসজ্জিত পোশাকে বাস, ট্রাকযোগে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হচ্ছেন। প্রতিটি প্রবেশপথে নেতাকর্মীদের ভিড় আস্তে আস্তে বাড়ছে। কিছু সময়ের মধ্যে নেতাকর্মীদের ভিড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ভরে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমাবেশস্থলের দিকে আসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে লাল-সবুজের পতাকা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতীকও তুলে ধরতে দেখা যায়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়াও শাহবাগ, টিএসসি চত্বর, দোয়েল চত্বরেও মানুষের ভিড় বাড়ছে। মূল মঞ্চে মাইকে চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।

সমাবেশের জন্য ইতোমধ্যে মঞ্চ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বসানো হয়েছে চেয়ার। সাজানো হয়েছে প্যান্ডেল। নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরাও বসানো হয়েছে ‍উদ্যানের চারপাশে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যানার-ফেস্টুন সাঁটানো হয়েছে। এতে ৭ মার্চভাষণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

এদিকে আওয়ামী লীগের সমাবেশকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে প্রবেশ করা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় সন্দেহভাজনদের দফায় তল্লাশি করা হচ্ছে।

সাড়ে চার দশক আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, সেই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই (তখন নাম ছিল রেসকোর্স ময়দান) ৭ কোটি বাঙালিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ঘোষণা দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ ওসমান হাদির বিচার নিয়ে স্ত্রীর আবেগঘন পোস্ট

সোহরাওয়ার্দী অভিমুখে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঢল

আপডেট সময় ১২:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের বর্ষপূর্তির দিনে সেখানে আয়োজিত সমাবেশে অংশ নিতে দলে দলে আসছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

বুধবার বেলা দুইটার দিকে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ইতোমধ্যে সমাবেশ অভিমুখে আসতে শুরু করেছেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও আশপাশের পাঁচ জেলা গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও নরসিংদী থেকেও নেতা-কর্মীদেরা সমাবেশে আসছেন। তারা বাসের পাশাপাশি ট্রেন ট্রাকযোগে সমাবেশে আসছেন। জয় বাংলা শ্লোগান দিতে দিতে এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নেচে-গেয়ে আসছেন অনেকে। তাদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন, অনেকের গায়ে একই রঙের টি-শার্ট, মাথায় একই রঙের ক্যাপ শোভা পাচ্ছে।

এছাড়া মহানগরীর বিভিন্ন থানা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যাচ্ছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে এসব মানুষের মুখে ছিল একাত্তরের সেই বিখ্যাত ‘জয় বাংলা’স্লোগান।

সরেজমিনে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সুসজ্জিত পোশাকে বাস, ট্রাকযোগে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হচ্ছেন। প্রতিটি প্রবেশপথে নেতাকর্মীদের ভিড় আস্তে আস্তে বাড়ছে। কিছু সময়ের মধ্যে নেতাকর্মীদের ভিড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ভরে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমাবেশস্থলের দিকে আসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে লাল-সবুজের পতাকা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতীকও তুলে ধরতে দেখা যায়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়াও শাহবাগ, টিএসসি চত্বর, দোয়েল চত্বরেও মানুষের ভিড় বাড়ছে। মূল মঞ্চে মাইকে চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।

সমাবেশের জন্য ইতোমধ্যে মঞ্চ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বসানো হয়েছে চেয়ার। সাজানো হয়েছে প্যান্ডেল। নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরাও বসানো হয়েছে ‍উদ্যানের চারপাশে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যানার-ফেস্টুন সাঁটানো হয়েছে। এতে ৭ মার্চভাষণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

এদিকে আওয়ামী লীগের সমাবেশকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে প্রবেশ করা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় সন্দেহভাজনদের দফায় তল্লাশি করা হচ্ছে।

সাড়ে চার দশক আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, সেই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই (তখন নাম ছিল রেসকোর্স ময়দান) ৭ কোটি বাঙালিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ঘোষণা দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।