ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ইরানের হৃদয় ভেঙে ইতিহাস গড়ে নকআউটে মিশর হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইউরোপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

মৃত্যুতে শেষ হলো প্রেমের অধ্যায় শেষ হল তসলিমার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিয়ের মাধ্যমে প্রেমে সফলতা এসেছিল তসলিমা আক্তারের। কিন্তু সংসার জীবনটা তার প্রেমময় হয়ে ওঠেনি। ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে হাতের মেহেদির রঙ শুকানোর আগেই মৃত্যু দিয়ে শেষ হলো তার প্রেমের অধ্যায়।

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে মঙ্গলবার সকালে শ্বশুর বাড়িতে মরদেহ মিলেছে তসলিমা আক্তারের (১৮)। তিনি হ্নীলা জাদিমোরাস্থ নয়াপাড়ার জালাল আহমদের মেয়ে। তাকে খুন করা হয়েছে দাবি করে মামলা করেছেন তার বাবা।

এ ঘটনায় তসলিমার স্বামী নুরুল বশরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার নুরুল বশর হোয়াইক্যং খারাইগ্যাঘোনার আলী আকবরের ছেলে। মামলার পর শ্বশুর-শাশুড়িসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তসলিমা বিয়ের আগে মামার বাড়িতে দাওয়াত উপলক্ষে বেড়াতে গিয়ে নুরুল বশরের সঙ্গে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

পরে ভালোবাসার মানুষটিকে কাছে পেতে নুরুল বশর মা-বাবার অমতে তসলিমাকে বিয়ে করে। এ কারণে মা-বাবাসহ পরিবারের অন্যরা তসলিমাকে মেনে নেয়নি। ফলে সংসারে প্রায় ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।

২৬ ফেব্রুয়ারি ঘটনার দিন সকালে নুরুল বশর ও তার বাবা আলী আকবরের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর ওদিন রাতে নুরুল বশর নাফনদী সংলগ্ন প্রজেক্টে মাছ শিকারে যায়।

২৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে স্ত্রীকে অসুস্থ দেখে দ্রুত হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন ডাক্তার। এ ঘটনার পরপরই শ্বশুর আলী আকবরসহ পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছেন। হাসপাতালে ডাক্তাররা নুরুল বশরকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

এরপর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নিহত তসলিমার বাবা বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলা করলে মঙ্গলবার দুপুরে স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, গ্রেফতার নুরুল বশর স্ত্রী হত্যার বিষয়ে উল্টাপাল্টা তথ্য দিচ্ছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

মৃত্যুতে শেষ হলো প্রেমের অধ্যায় শেষ হল তসলিমার

আপডেট সময় ১২:২১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিয়ের মাধ্যমে প্রেমে সফলতা এসেছিল তসলিমা আক্তারের। কিন্তু সংসার জীবনটা তার প্রেমময় হয়ে ওঠেনি। ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে হাতের মেহেদির রঙ শুকানোর আগেই মৃত্যু দিয়ে শেষ হলো তার প্রেমের অধ্যায়।

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে মঙ্গলবার সকালে শ্বশুর বাড়িতে মরদেহ মিলেছে তসলিমা আক্তারের (১৮)। তিনি হ্নীলা জাদিমোরাস্থ নয়াপাড়ার জালাল আহমদের মেয়ে। তাকে খুন করা হয়েছে দাবি করে মামলা করেছেন তার বাবা।

এ ঘটনায় তসলিমার স্বামী নুরুল বশরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার নুরুল বশর হোয়াইক্যং খারাইগ্যাঘোনার আলী আকবরের ছেলে। মামলার পর শ্বশুর-শাশুড়িসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তসলিমা বিয়ের আগে মামার বাড়িতে দাওয়াত উপলক্ষে বেড়াতে গিয়ে নুরুল বশরের সঙ্গে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

পরে ভালোবাসার মানুষটিকে কাছে পেতে নুরুল বশর মা-বাবার অমতে তসলিমাকে বিয়ে করে। এ কারণে মা-বাবাসহ পরিবারের অন্যরা তসলিমাকে মেনে নেয়নি। ফলে সংসারে প্রায় ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।

২৬ ফেব্রুয়ারি ঘটনার দিন সকালে নুরুল বশর ও তার বাবা আলী আকবরের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর ওদিন রাতে নুরুল বশর নাফনদী সংলগ্ন প্রজেক্টে মাছ শিকারে যায়।

২৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে স্ত্রীকে অসুস্থ দেখে দ্রুত হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন ডাক্তার। এ ঘটনার পরপরই শ্বশুর আলী আকবরসহ পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছেন। হাসপাতালে ডাক্তাররা নুরুল বশরকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

এরপর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নিহত তসলিমার বাবা বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলা করলে মঙ্গলবার দুপুরে স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, গ্রেফতার নুরুল বশর স্ত্রী হত্যার বিষয়ে উল্টাপাল্টা তথ্য দিচ্ছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।