ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের এমপির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মোংলায় মানববন্ধন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও করিডোর নিয়ে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা মোদির ক্ষমা প্রার্থনা ও অমিত শাহের পদত্যাগসহ ৫ দাবি রাহুল গান্ধীর বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়াতে সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় প্রস্তুত, তবে ইরান আন্তরিক নয়: রুবিও জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা

তুলা আমদানিতে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

এক দশক আগেও বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় কাপড়ের বেশিরভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। কিন্তু এখন দেশের কারখানাগুলো নিজেরাই তৈরি কপড়ের চাহিদা পূরণ করছে। আর এই কাপড় তৈরি করতে যে পরিমাণ তুলা দরকার হয় তার ৯৭ শতাংশ বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। তাই তুলা আমদানিতে এখন বিশ্বের এক নম্বর দেশ বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ মূলত ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে এই তুলা আমদানি করে।

বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালকদের একজন মোহাম্মদ আইয়্যুব জানান, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পে সবচাইতে বেশি তুলা দরকার হয়। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশই যে খাত থেকে আসে তার জন্য সবচাইতে দরকারি কাঁচামাল হল সুতা ও কাপড়। সেটি তৈরিতে বাংলাদেশের গত এক বছরে ৬৫ লাখ বেল তুলার দরকার হয়েছে।

কয়েক দশক আগেও বাংলাদেশে স্পিনিং মিলের সংখ্যা ছিল খুবই কম। কিন্তু বর্তমানে ৪২৫টি স্পিনিং মিল ও প্রায় ৮০০ টির মতো টেক্সটাইল কারখানাতে আমদানি করা সুতা ব্যবহৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতের রপ্তানি আয় এখন বছরে ৩০০ কোটি ডলার। ২০২১ সালের মধ্যে এটিকে ৫০০ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু বাংলাদেশ নিজেরাই কেন এই তুলা উৎপাদন করছে না এ বিষয়ে বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের মোট কৃষি জমি সাড়ে ৮০ লাখ হেক্টর। তা দিয়ে বাংলাদেশ মূলত খাদ্য চাষ করে।

তিনি জানান, তুলা চাষ করতে বেশ লম্বা সময় লাগে। যেমন ধরুন, তুলা ওঠা পর্যন্ত ছয় মাসের মতো অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু ঐ সময়ে কৃষকরা দুটি শস্য তুলে ফেলতে পারে। সেক্ষেত্রে তুলাকে প্রতিযোগিতায় নামাতে হবে সবজি ও কলার সঙ্গে। কিন্তু এত বেশি মানুষের খাদ্যের যোগান যে দেশে করতে হয় সেখানে সেটি সম্ভব নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তুলা আমদানিতে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১০:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

এক দশক আগেও বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় কাপড়ের বেশিরভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। কিন্তু এখন দেশের কারখানাগুলো নিজেরাই তৈরি কপড়ের চাহিদা পূরণ করছে। আর এই কাপড় তৈরি করতে যে পরিমাণ তুলা দরকার হয় তার ৯৭ শতাংশ বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। তাই তুলা আমদানিতে এখন বিশ্বের এক নম্বর দেশ বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ মূলত ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে এই তুলা আমদানি করে।

বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালকদের একজন মোহাম্মদ আইয়্যুব জানান, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পে সবচাইতে বেশি তুলা দরকার হয়। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশই যে খাত থেকে আসে তার জন্য সবচাইতে দরকারি কাঁচামাল হল সুতা ও কাপড়। সেটি তৈরিতে বাংলাদেশের গত এক বছরে ৬৫ লাখ বেল তুলার দরকার হয়েছে।

কয়েক দশক আগেও বাংলাদেশে স্পিনিং মিলের সংখ্যা ছিল খুবই কম। কিন্তু বর্তমানে ৪২৫টি স্পিনিং মিল ও প্রায় ৮০০ টির মতো টেক্সটাইল কারখানাতে আমদানি করা সুতা ব্যবহৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতের রপ্তানি আয় এখন বছরে ৩০০ কোটি ডলার। ২০২১ সালের মধ্যে এটিকে ৫০০ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু বাংলাদেশ নিজেরাই কেন এই তুলা উৎপাদন করছে না এ বিষয়ে বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের মোট কৃষি জমি সাড়ে ৮০ লাখ হেক্টর। তা দিয়ে বাংলাদেশ মূলত খাদ্য চাষ করে।

তিনি জানান, তুলা চাষ করতে বেশ লম্বা সময় লাগে। যেমন ধরুন, তুলা ওঠা পর্যন্ত ছয় মাসের মতো অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু ঐ সময়ে কৃষকরা দুটি শস্য তুলে ফেলতে পারে। সেক্ষেত্রে তুলাকে প্রতিযোগিতায় নামাতে হবে সবজি ও কলার সঙ্গে। কিন্তু এত বেশি মানুষের খাদ্যের যোগান যে দেশে করতে হয় সেখানে সেটি সম্ভব নয়।