ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে দুই যুবককে মারধর-লুট, ৩ জন গ্রেফতার বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রদূতের এমপিরা নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সংসদ সভাপতিকে সম্মান জানাবেন: স্পিকার এই উচ্চাভিলাষী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তিতুমীর ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা ২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফুটবল, ৫০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা: মাহদী আমিন

প্রিজনভ্যানে হামলায় গ্রেপ্তার ২০০: পুলিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের প্রিজনভ্যান ভেঙে দুই জনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় এখন পর্যন্ত বিএনপির ২০০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। রবিবার বিকালে বইমেলা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার।

সবাইকে দেশের আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আজ জননিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। সবাই দেশের আইন মেনে চলেন। কারণ কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। মানুষের নিরাপত্তা রক্ষা ও রাজধানীর শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।’

গত ৩০ জানুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় যুক্তি উপস্থস্থাপন শেষে ফেরার পথে হাইকোর্ট এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় মিছিলকারীরা পুলিশের প্রিজনভ্যানের দরজা ও পুলিশের রাইফেল ভেঙে দুই জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

পরে তাৎক্ষণিক অভিযানে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বিএনপির ৬৯ জন নেতা-কর্মীকে। রাতে গ্রেপ্তার করা হয় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। পরের কয়েক দিনে গ্রেপ্তার হন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাসহ আরও বেশ কয়েকজন।

বিএনপি অভিযোগ করছে, পুলিশ তাদের দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাদের অবশ্যই আইনের মুখোমুখি করা হবে।’

কোনো গণ গ্রেপ্তার তৎপরতা চলছে না। যে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, সেগুলো নিত্যদিনের কাজের অংশ। পুলিশের ওপর হামলা ও প্রিজনভ্যান থেকে দুজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য ঘটানো হয়েছিল। এ অপতৎপরতা যারা করতে চেয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় নিয়ে কোনো আশঙ্কা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘৮ তারিখ কোনো কিছুই হবে না। কোনো অরাজকতাও সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। যে আগুন সন্ত্রাস একবার শুরু হয়েছিল, সেটি আর পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার লেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বই মনিটরিংয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদি কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বই প্রকাশ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গোয়েন্দারা কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু গোয়েন্দাদের কাজ তো আর আপনারা দেখতে পারবেন না। ডিএমপি কমিশনার বলেন, মেলা এলাকায় শ্লীলতাহানীসহ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রিজনভ্যানে হামলায় গ্রেপ্তার ২০০: পুলিশ

আপডেট সময় ০৯:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের প্রিজনভ্যান ভেঙে দুই জনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় এখন পর্যন্ত বিএনপির ২০০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। রবিবার বিকালে বইমেলা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার।

সবাইকে দেশের আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আজ জননিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। সবাই দেশের আইন মেনে চলেন। কারণ কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। মানুষের নিরাপত্তা রক্ষা ও রাজধানীর শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।’

গত ৩০ জানুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় যুক্তি উপস্থস্থাপন শেষে ফেরার পথে হাইকোর্ট এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় মিছিলকারীরা পুলিশের প্রিজনভ্যানের দরজা ও পুলিশের রাইফেল ভেঙে দুই জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

পরে তাৎক্ষণিক অভিযানে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বিএনপির ৬৯ জন নেতা-কর্মীকে। রাতে গ্রেপ্তার করা হয় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। পরের কয়েক দিনে গ্রেপ্তার হন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাসহ আরও বেশ কয়েকজন।

বিএনপি অভিযোগ করছে, পুলিশ তাদের দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাদের অবশ্যই আইনের মুখোমুখি করা হবে।’

কোনো গণ গ্রেপ্তার তৎপরতা চলছে না। যে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, সেগুলো নিত্যদিনের কাজের অংশ। পুলিশের ওপর হামলা ও প্রিজনভ্যান থেকে দুজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য ঘটানো হয়েছিল। এ অপতৎপরতা যারা করতে চেয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় নিয়ে কোনো আশঙ্কা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘৮ তারিখ কোনো কিছুই হবে না। কোনো অরাজকতাও সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। যে আগুন সন্ত্রাস একবার শুরু হয়েছিল, সেটি আর পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার লেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বই মনিটরিংয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদি কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বই প্রকাশ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গোয়েন্দারা কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু গোয়েন্দাদের কাজ তো আর আপনারা দেখতে পারবেন না। ডিএমপি কমিশনার বলেন, মেলা এলাকায় শ্লীলতাহানীসহ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।