ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

উত্তেজনার মধ্যেও তুরস্কের পাশে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের নানা বিষয়ে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেশ উত্তেজনা চলছে। এরই মধ্যে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত পিকেকে, ওয়াইজিপি ও দায়েশের মতো সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তুরস্ক। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তুরস্কের এ অভিযানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং এ পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। খবর আনাদলু এজেন্সির।

সোমবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ হুকাবে স্যান্ডার্স এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তুরস্কের নিরাপত্তার প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশ হিসেবে আমরা তুরস্কের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিজ্ঞ। আঙ্কারা তার নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতেই পারে।

তিনি বলেন, আমাদের সবার মনে রাখতে হবে সন্ত্রাসীদের হাতে সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এছাড়া সিরিয়ার নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে সিরিয়ার আফরিনে কুর্দি, পিকেকে, ওয়াইজিপি ও ডায়েশের বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক অভিযানে সমর্থন জানিয়েছে কাতার। সোমবার এ সমর্থনের ঘোষণা দিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দেশটির আইনগত অধিকার রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লুলওয়াহ রশিদ আল খাতের এর বরাত দিয়ে কাতার নিউজ এজেন্সি জানায়, গত শনিবার তুরস্ক আফরিনে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে, তা তাদের আইনগত বৈধ বিষয়। দেশটির নিরাপত্তার জন্য এবং সিরিয়ার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এ অভিযান খুবই জরুরি।

এদিকে তুর্কি জেনারেল স্টাফ বলেছেন, তুরস্ক আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিধিবিধান মেনেই এ অভিযান পরিচালনা করছে।

গত শনিবার সিরিয়ার আফ্রিন অঞ্চলে সাঁজোয়া ট্যাংকবহর ঢুকে পড়ে তুরস্কের স্থলবাহিনী। তুরস্কের বাহিনীর সঙ্গে ফ্রি সিরিয়ান আর্মির কয়েক হাজার সদস্যও রয়েছেন। অন্যদিকে কুর্দি বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

আল জাজিরা জানায়, এর আগে মূলত আসাদবিরোধী ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’র কয়েক হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল তুরস্কের ট্যাংকবহরের সঙ্গে।

রোববার ইস্তাম্বুলে সংবাদ সম্মেলনে ইলদিরিম বলেন, কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত আফরিনে তুর্কি সেনারা প্রবেশ করেছে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় তুরস্ক সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ‘নো ফ্লাই জোন’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

উত্তেজনার মধ্যেও তুরস্কের পাশে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের নানা বিষয়ে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেশ উত্তেজনা চলছে। এরই মধ্যে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত পিকেকে, ওয়াইজিপি ও দায়েশের মতো সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তুরস্ক। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তুরস্কের এ অভিযানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং এ পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। খবর আনাদলু এজেন্সির।

সোমবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ হুকাবে স্যান্ডার্স এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তুরস্কের নিরাপত্তার প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশ হিসেবে আমরা তুরস্কের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিজ্ঞ। আঙ্কারা তার নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতেই পারে।

তিনি বলেন, আমাদের সবার মনে রাখতে হবে সন্ত্রাসীদের হাতে সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এছাড়া সিরিয়ার নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে সিরিয়ার আফরিনে কুর্দি, পিকেকে, ওয়াইজিপি ও ডায়েশের বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক অভিযানে সমর্থন জানিয়েছে কাতার। সোমবার এ সমর্থনের ঘোষণা দিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দেশটির আইনগত অধিকার রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লুলওয়াহ রশিদ আল খাতের এর বরাত দিয়ে কাতার নিউজ এজেন্সি জানায়, গত শনিবার তুরস্ক আফরিনে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে, তা তাদের আইনগত বৈধ বিষয়। দেশটির নিরাপত্তার জন্য এবং সিরিয়ার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এ অভিযান খুবই জরুরি।

এদিকে তুর্কি জেনারেল স্টাফ বলেছেন, তুরস্ক আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিধিবিধান মেনেই এ অভিযান পরিচালনা করছে।

গত শনিবার সিরিয়ার আফ্রিন অঞ্চলে সাঁজোয়া ট্যাংকবহর ঢুকে পড়ে তুরস্কের স্থলবাহিনী। তুরস্কের বাহিনীর সঙ্গে ফ্রি সিরিয়ান আর্মির কয়েক হাজার সদস্যও রয়েছেন। অন্যদিকে কুর্দি বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

আল জাজিরা জানায়, এর আগে মূলত আসাদবিরোধী ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’র কয়েক হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল তুরস্কের ট্যাংকবহরের সঙ্গে।

রোববার ইস্তাম্বুলে সংবাদ সম্মেলনে ইলদিরিম বলেন, কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত আফরিনে তুর্কি সেনারা প্রবেশ করেছে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় তুরস্ক সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ‘নো ফ্লাই জোন’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।