ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

উত্তেজনার মধ্যেও তুরস্কের পাশে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের নানা বিষয়ে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেশ উত্তেজনা চলছে। এরই মধ্যে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত পিকেকে, ওয়াইজিপি ও দায়েশের মতো সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তুরস্ক। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তুরস্কের এ অভিযানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং এ পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। খবর আনাদলু এজেন্সির।

সোমবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ হুকাবে স্যান্ডার্স এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তুরস্কের নিরাপত্তার প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশ হিসেবে আমরা তুরস্কের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিজ্ঞ। আঙ্কারা তার নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতেই পারে।

তিনি বলেন, আমাদের সবার মনে রাখতে হবে সন্ত্রাসীদের হাতে সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এছাড়া সিরিয়ার নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে সিরিয়ার আফরিনে কুর্দি, পিকেকে, ওয়াইজিপি ও ডায়েশের বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক অভিযানে সমর্থন জানিয়েছে কাতার। সোমবার এ সমর্থনের ঘোষণা দিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দেশটির আইনগত অধিকার রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লুলওয়াহ রশিদ আল খাতের এর বরাত দিয়ে কাতার নিউজ এজেন্সি জানায়, গত শনিবার তুরস্ক আফরিনে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে, তা তাদের আইনগত বৈধ বিষয়। দেশটির নিরাপত্তার জন্য এবং সিরিয়ার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এ অভিযান খুবই জরুরি।

এদিকে তুর্কি জেনারেল স্টাফ বলেছেন, তুরস্ক আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিধিবিধান মেনেই এ অভিযান পরিচালনা করছে।

গত শনিবার সিরিয়ার আফ্রিন অঞ্চলে সাঁজোয়া ট্যাংকবহর ঢুকে পড়ে তুরস্কের স্থলবাহিনী। তুরস্কের বাহিনীর সঙ্গে ফ্রি সিরিয়ান আর্মির কয়েক হাজার সদস্যও রয়েছেন। অন্যদিকে কুর্দি বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

আল জাজিরা জানায়, এর আগে মূলত আসাদবিরোধী ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’র কয়েক হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল তুরস্কের ট্যাংকবহরের সঙ্গে।

রোববার ইস্তাম্বুলে সংবাদ সম্মেলনে ইলদিরিম বলেন, কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত আফরিনে তুর্কি সেনারা প্রবেশ করেছে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় তুরস্ক সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ‘নো ফ্লাই জোন’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উত্তেজনার মধ্যেও তুরস্কের পাশে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের নানা বিষয়ে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেশ উত্তেজনা চলছে। এরই মধ্যে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত পিকেকে, ওয়াইজিপি ও দায়েশের মতো সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তুরস্ক। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তুরস্কের এ অভিযানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং এ পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। খবর আনাদলু এজেন্সির।

সোমবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ হুকাবে স্যান্ডার্স এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তুরস্কের নিরাপত্তার প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশ হিসেবে আমরা তুরস্কের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিজ্ঞ। আঙ্কারা তার নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতেই পারে।

তিনি বলেন, আমাদের সবার মনে রাখতে হবে সন্ত্রাসীদের হাতে সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এছাড়া সিরিয়ার নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে সিরিয়ার আফরিনে কুর্দি, পিকেকে, ওয়াইজিপি ও ডায়েশের বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক অভিযানে সমর্থন জানিয়েছে কাতার। সোমবার এ সমর্থনের ঘোষণা দিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে দেশটির আইনগত অধিকার রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লুলওয়াহ রশিদ আল খাতের এর বরাত দিয়ে কাতার নিউজ এজেন্সি জানায়, গত শনিবার তুরস্ক আফরিনে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে, তা তাদের আইনগত বৈধ বিষয়। দেশটির নিরাপত্তার জন্য এবং সিরিয়ার অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এ অভিযান খুবই জরুরি।

এদিকে তুর্কি জেনারেল স্টাফ বলেছেন, তুরস্ক আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিধিবিধান মেনেই এ অভিযান পরিচালনা করছে।

গত শনিবার সিরিয়ার আফ্রিন অঞ্চলে সাঁজোয়া ট্যাংকবহর ঢুকে পড়ে তুরস্কের স্থলবাহিনী। তুরস্কের বাহিনীর সঙ্গে ফ্রি সিরিয়ান আর্মির কয়েক হাজার সদস্যও রয়েছেন। অন্যদিকে কুর্দি বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

আল জাজিরা জানায়, এর আগে মূলত আসাদবিরোধী ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’র কয়েক হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল তুরস্কের ট্যাংকবহরের সঙ্গে।

রোববার ইস্তাম্বুলে সংবাদ সম্মেলনে ইলদিরিম বলেন, কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত আফরিনে তুর্কি সেনারা প্রবেশ করেছে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় তুরস্ক সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ‘নো ফ্লাই জোন’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।