ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির জায়গা হবে না: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এই সরকারই ‘নির্বাচনকালীন’ সরকার, এতে বিএনপির জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। শনিবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণে যে ‘নির্বাচনকালীন’ সরকারের কথা বলেছেন, তার ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারই হবে নির্বাচনকালীন সরকার। এতে বিএনপির জায়গা হবে না। অন্য কিছু না। অন্য দল থেকে লোক নিয়ে সরকার গঠন করতে হবে এমন কথা প্রধানমন্ত্রী বলেন নি।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, এ বছরের শেষেই নির্বাচন হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে।

দেশে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বড় দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য রয়েছে। বিএনপি চায় এমন একটি সরকার, যারা রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলছেন, সেটার রূপ আসলে কী হবে?

এর ব্যাখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলতে বর্তমান সরকারকেই বোঝায়। এই সরকার হবে অন্তর্বতীকালীন সরকার। যারা শুধু দৈনন্দিন কাজগুলো করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এ নির্বাচন হবে। ২০১৪ সালের আগেও সরকার পরিবর্তন হয়েছিল, আমি নিজে আগে মন্ত্রী ছিলাম না, তখন হয়েছিলাম। অনেকে আগে মন্ত্রী ছিলেন কিন্তু তখন বাদ পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হয়তো এ ধরণের সরকারের কথাই উল্লেখ করেছেন।

নির্বাচনের সময় কি তাহলে এই মন্ত্রিসভাই থাকবে? এ প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই ক্যাবিনেটই থাকবে, হয়তো বড়-ছোট হতে পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলার অর্থ হলো, সংবিধান অনুসারে যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তার অধীনেই সাধারণত নির্বাচন হয়ে থাকে। সেটা ভারত বলেন, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র বলেন, সব জায়গাতেই ক্ষমতাসীন দলের অধীনেই নির্বাচন হয়। এই সরকারই হবে নির্বাচনকালীন সরকার প্রধানমন্ত্রী এটাই ‘মিন’ করেছেন।

বিগত ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি যখন নির্বাচনে যোগ দিচ্ছিল না, তখন এক পর্যায়ে বিএনপিসহ অন্যদের মন্ত্রী নিয়ে একটা ক্যাবিনেট হতে পারে এমন প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, তখন একটা সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। কিন্তু সেই আহ্বান তৎকালীন বিরোধীদল নেত্রী খালেদা জিয়া প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ওই চিন্তাভাবনা এখন আর আমাদের সরকারের নাই। এখন নির্বাচনকালীন সরকার হবে বর্তমান সরকারই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির জায়গা হবে না: তোফায়েল

আপডেট সময় ১১:১৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এই সরকারই ‘নির্বাচনকালীন’ সরকার, এতে বিএনপির জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। শনিবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণে যে ‘নির্বাচনকালীন’ সরকারের কথা বলেছেন, তার ব্যাখ্যা দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারই হবে নির্বাচনকালীন সরকার। এতে বিএনপির জায়গা হবে না। অন্য কিছু না। অন্য দল থেকে লোক নিয়ে সরকার গঠন করতে হবে এমন কথা প্রধানমন্ত্রী বলেন নি।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, এ বছরের শেষেই নির্বাচন হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে।

দেশে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বড় দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য রয়েছে। বিএনপি চায় এমন একটি সরকার, যারা রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলছেন, সেটার রূপ আসলে কী হবে?

এর ব্যাখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলতে বর্তমান সরকারকেই বোঝায়। এই সরকার হবে অন্তর্বতীকালীন সরকার। যারা শুধু দৈনন্দিন কাজগুলো করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এ নির্বাচন হবে। ২০১৪ সালের আগেও সরকার পরিবর্তন হয়েছিল, আমি নিজে আগে মন্ত্রী ছিলাম না, তখন হয়েছিলাম। অনেকে আগে মন্ত্রী ছিলেন কিন্তু তখন বাদ পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হয়তো এ ধরণের সরকারের কথাই উল্লেখ করেছেন।

নির্বাচনের সময় কি তাহলে এই মন্ত্রিসভাই থাকবে? এ প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই ক্যাবিনেটই থাকবে, হয়তো বড়-ছোট হতে পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলার অর্থ হলো, সংবিধান অনুসারে যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তার অধীনেই সাধারণত নির্বাচন হয়ে থাকে। সেটা ভারত বলেন, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র বলেন, সব জায়গাতেই ক্ষমতাসীন দলের অধীনেই নির্বাচন হয়। এই সরকারই হবে নির্বাচনকালীন সরকার প্রধানমন্ত্রী এটাই ‘মিন’ করেছেন।

বিগত ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি যখন নির্বাচনে যোগ দিচ্ছিল না, তখন এক পর্যায়ে বিএনপিসহ অন্যদের মন্ত্রী নিয়ে একটা ক্যাবিনেট হতে পারে এমন প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, তখন একটা সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। কিন্তু সেই আহ্বান তৎকালীন বিরোধীদল নেত্রী খালেদা জিয়া প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ওই চিন্তাভাবনা এখন আর আমাদের সরকারের নাই। এখন নির্বাচনকালীন সরকার হবে বর্তমান সরকারই।