ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

১২ লাখ বইয়ে গড়া এক লাইব্রেরি

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। লাইব্রেরিকে এভাবেই বর্ণনা করেছে কবিগুরু রবি ঠাকুর। আবার বলা হয়ে থাকে যে জাতির লাইব্রেরি যত উন্নত সেই জাতি তত উন্নত।

সেই পথেই হাটছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি গণচীন। দেশটির তিয়ানজিন প্রদেশের বিনহাই জেলায় গড়ে তোলা হয়েছে একটি লাইব্রেরি। যেটি বইপ্রেমীদের কাছে যেন স্বর্গের মতো। যেখানে ঠাই পেয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তের শ্রেষ্ঠ ১২ লাখ বই। জ্ঞানপিপাসুদের জন্য এক জ্ঞানসমুদ্র গড়ে তুলেছে তিয়ানজিয়ান।

এছাড়া চমকপ্রদ অবকাঠামো হতবাক করবে সবাইকে। লাইব্রেরিটিতে রয়েছে  বিশাল গোলাকার অডিটোরিয়াম। এর ভিতরটা সম্পূর্ণ সাদা রঙের। বই রাখার তাকগুলো অনেকটা স্টেডিয়ামের গ্যালারির আদলে নির্মাণ করা হয়েছে। বই পড়তে চাইলে পাঠককে সিঁড়ি দিয়ে উঠে যেতে হবে তাকের উপর। এরপর তাকের উপর বসেই পড়া যাবে বই।

চীনের দৃষ্টিনন্দন লাইব্রেরিকে বলা হয়ে থাকে ‘বিনহাইয়ের চোখ’। বাইরে থেকে লাইব্রেরিটা দেখতে চোখের মতো মনে হবে। লাইব্রেরি ভবনটি ডিজাইন করেছে ‘এমভিআরডিভি’ নামের একটি ডাচ প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠান। সহযোগিতায় ছিল তিয়ানজিন প্রদেশের আরবান প্ল্যানিং অ্যান্ড ডিজাইন ইন্সটিটিউট।

এটি নির্মিত হয়েছে ৩৪ বর্গ মিটার জমির উপর। নির্মাণে সময় লেগেছে তিন বছর। এতে একটি বিশ্রামাগার, বেশ কিছু সেমিনার রুম ও কম্পিউটার ক্যাফে রয়েছে।

লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য পাঠকদের যথেষ্ট ব্যক্তিস্বাধীনতা রয়েছে এতে। বলা হচ্ছে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক লাইব্রেরিগুলোর একটি। তবে লাইব্রেরির সৌন্দর্য বইয়ের উপর থেকে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ লাখ বইয়ে গড়া এক লাইব্রেরি

আপডেট সময় ১২:০৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। লাইব্রেরিকে এভাবেই বর্ণনা করেছে কবিগুরু রবি ঠাকুর। আবার বলা হয়ে থাকে যে জাতির লাইব্রেরি যত উন্নত সেই জাতি তত উন্নত।

সেই পথেই হাটছে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি গণচীন। দেশটির তিয়ানজিন প্রদেশের বিনহাই জেলায় গড়ে তোলা হয়েছে একটি লাইব্রেরি। যেটি বইপ্রেমীদের কাছে যেন স্বর্গের মতো। যেখানে ঠাই পেয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তের শ্রেষ্ঠ ১২ লাখ বই। জ্ঞানপিপাসুদের জন্য এক জ্ঞানসমুদ্র গড়ে তুলেছে তিয়ানজিয়ান।

এছাড়া চমকপ্রদ অবকাঠামো হতবাক করবে সবাইকে। লাইব্রেরিটিতে রয়েছে  বিশাল গোলাকার অডিটোরিয়াম। এর ভিতরটা সম্পূর্ণ সাদা রঙের। বই রাখার তাকগুলো অনেকটা স্টেডিয়ামের গ্যালারির আদলে নির্মাণ করা হয়েছে। বই পড়তে চাইলে পাঠককে সিঁড়ি দিয়ে উঠে যেতে হবে তাকের উপর। এরপর তাকের উপর বসেই পড়া যাবে বই।

চীনের দৃষ্টিনন্দন লাইব্রেরিকে বলা হয়ে থাকে ‘বিনহাইয়ের চোখ’। বাইরে থেকে লাইব্রেরিটা দেখতে চোখের মতো মনে হবে। লাইব্রেরি ভবনটি ডিজাইন করেছে ‘এমভিআরডিভি’ নামের একটি ডাচ প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠান। সহযোগিতায় ছিল তিয়ানজিন প্রদেশের আরবান প্ল্যানিং অ্যান্ড ডিজাইন ইন্সটিটিউট।

এটি নির্মিত হয়েছে ৩৪ বর্গ মিটার জমির উপর। নির্মাণে সময় লেগেছে তিন বছর। এতে একটি বিশ্রামাগার, বেশ কিছু সেমিনার রুম ও কম্পিউটার ক্যাফে রয়েছে।

লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য পাঠকদের যথেষ্ট ব্যক্তিস্বাধীনতা রয়েছে এতে। বলা হচ্ছে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক লাইব্রেরিগুলোর একটি। তবে লাইব্রেরির সৌন্দর্য বইয়ের উপর থেকে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।