ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর

সাবধান! এই লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান নেই

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘সাবধান! এই লেভেল ক্রসিং গেটে গেটম্যান নেই। নিজ দায়িত্বে ও সাবধানে এই লেভেল ক্রসিং গেট পারাপার হইবেন।’ বর্তমানে যাতায়াতে দেশের প্রধানতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম রেলপথে ক্রসিং গেটে এরকম একটি সাইনবোর্ড নজরে পড়ল। গেটম্যানের ব্যবস্থা না করে ব্যস্ততম রেলপথের ক্রসিংগুলোতে এসব সাইন বোর্ড দুর্ঘটনা এড়াতে কতটুকু কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এটা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেলসড়কে টাঙ্গাইলের বাসাইল অংশে পাঁচটি লেভেল ক্রসিং দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন যানবাহনসহ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এ অবস্থায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।

উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর, হাবলা ইউনিয়নের সহেরাতুল, টেঙ্গুরিয়াপাড়া, সালিনাপাড়া ও সোনালিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় রেলপথের ওপর দিয়ে যাওয়া সড়কপথের লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান না থাকায় এসব ক্রসিং দিয়ে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রাক, মাইক্রোবাস, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন শ্রেণির যানবাহন। শিক্ষার্থীরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব লেভেল ক্রসিং পারাপার হয়।

লেভেল ক্রসিংয়ে সতর্কতামূলক ‘এই লেভেল ক্রসিং গেটে গেটম্যান নাই, নিজ দায়িত্বে ও সাবধানে লেভেল ক্রসিং পারাপার হইবেন’- এ জাতীয় লেখা সাইনবোর্ড দেখা গেলেও অধিকাংশ লেভেল ক্রসিংয়ে কোনো ধরনের নিরাপত্তা গেট বা এ জাতীয় কোনো সাইনবোর্ডও নেই। এসব এলাকায় নিরাপত্তাজনিত কোনো ধরনের বাতিও নেই। বিশেষ করে দাপনাজোর এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে বড় ধরনের বাঁক থাকায় ট্রেন আসছে কি না কোনো সংকেতও পাওয়া যায় না। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এখানে। শীত মৌসুমে কুয়াশার কারণে আরও বেশি সমস্যায় পড়তে হয় পথচারীদের।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক বিকাশ সরকার বলেন, দাপনাজোরে লেভের ক্রসিংয়ে সিগন্যাল বার ও গেটম্যান নেই। বেশ কয়েকবার এখানে ট্রেনের সঙ্গে যানবাহনের ধাক্কা লেগেছে। এখানে রেলপথে বাঁক থাকায় ট্রেন আসছে কি না তাও দেখা যায় না। ট্রেন না দেখেই যানবাহন পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিত দুর্ঘটনা ঘটছে।

একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, দাপনাজোর এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান ও সিগন্যাল বারের প্রয়োজনীয়তা আমাদের ছাড়া কেউই উপলব্ধি করে না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের লেভেল ক্রসিং পারাপার হতে হচ্ছে।

বাসাইল-করটিয়ার সড়কের সোনালিয়া গেটম্যান রফিকুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, বাসাইল অংশে দাপনাজোর এলাকায় লেভেল ক্রসিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ইতোপূর্বেও কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি ট্রেনের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে তিনজন আরোহী গুরুতর আহত হন।

তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টায় এ রেলপথ দিয়ে ২৫/২৬ বার ট্রেন যাতায়াত করে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল (ঘারিন্দা) রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার জালাল উদ্দিন দৈনিক আকাশকে বলেন, বাসাইলের লেভেল ক্রসিংগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গেটম্যান নিয়োগ জরুরি। বিষয়টি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশল বিভাগ দেখাশোনা করে। তারা এ ব্যাপারে অবহিতও আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ

সাবধান! এই লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান নেই

আপডেট সময় ০১:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘সাবধান! এই লেভেল ক্রসিং গেটে গেটম্যান নেই। নিজ দায়িত্বে ও সাবধানে এই লেভেল ক্রসিং গেট পারাপার হইবেন।’ বর্তমানে যাতায়াতে দেশের প্রধানতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম রেলপথে ক্রসিং গেটে এরকম একটি সাইনবোর্ড নজরে পড়ল। গেটম্যানের ব্যবস্থা না করে ব্যস্ততম রেলপথের ক্রসিংগুলোতে এসব সাইন বোর্ড দুর্ঘটনা এড়াতে কতটুকু কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এটা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

ঢাকা-উত্তরবঙ্গের রেলসড়কে টাঙ্গাইলের বাসাইল অংশে পাঁচটি লেভেল ক্রসিং দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন যানবাহনসহ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এ অবস্থায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।

উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর, হাবলা ইউনিয়নের সহেরাতুল, টেঙ্গুরিয়াপাড়া, সালিনাপাড়া ও সোনালিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় রেলপথের ওপর দিয়ে যাওয়া সড়কপথের লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান না থাকায় এসব ক্রসিং দিয়ে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রাক, মাইক্রোবাস, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন শ্রেণির যানবাহন। শিক্ষার্থীরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব লেভেল ক্রসিং পারাপার হয়।

লেভেল ক্রসিংয়ে সতর্কতামূলক ‘এই লেভেল ক্রসিং গেটে গেটম্যান নাই, নিজ দায়িত্বে ও সাবধানে লেভেল ক্রসিং পারাপার হইবেন’- এ জাতীয় লেখা সাইনবোর্ড দেখা গেলেও অধিকাংশ লেভেল ক্রসিংয়ে কোনো ধরনের নিরাপত্তা গেট বা এ জাতীয় কোনো সাইনবোর্ডও নেই। এসব এলাকায় নিরাপত্তাজনিত কোনো ধরনের বাতিও নেই। বিশেষ করে দাপনাজোর এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে বড় ধরনের বাঁক থাকায় ট্রেন আসছে কি না কোনো সংকেতও পাওয়া যায় না। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এখানে। শীত মৌসুমে কুয়াশার কারণে আরও বেশি সমস্যায় পড়তে হয় পথচারীদের।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক বিকাশ সরকার বলেন, দাপনাজোরে লেভের ক্রসিংয়ে সিগন্যাল বার ও গেটম্যান নেই। বেশ কয়েকবার এখানে ট্রেনের সঙ্গে যানবাহনের ধাক্কা লেগেছে। এখানে রেলপথে বাঁক থাকায় ট্রেন আসছে কি না তাও দেখা যায় না। ট্রেন না দেখেই যানবাহন পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিত দুর্ঘটনা ঘটছে।

একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, দাপনাজোর এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান ও সিগন্যাল বারের প্রয়োজনীয়তা আমাদের ছাড়া কেউই উপলব্ধি করে না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের লেভেল ক্রসিং পারাপার হতে হচ্ছে।

বাসাইল-করটিয়ার সড়কের সোনালিয়া গেটম্যান রফিকুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, বাসাইল অংশে দাপনাজোর এলাকায় লেভেল ক্রসিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ইতোপূর্বেও কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি ট্রেনের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে তিনজন আরোহী গুরুতর আহত হন।

তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টায় এ রেলপথ দিয়ে ২৫/২৬ বার ট্রেন যাতায়াত করে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল (ঘারিন্দা) রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার জালাল উদ্দিন দৈনিক আকাশকে বলেন, বাসাইলের লেভেল ক্রসিংগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গেটম্যান নিয়োগ জরুরি। বিষয়টি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশল বিভাগ দেখাশোনা করে। তারা এ ব্যাপারে অবহিতও আছে।