ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাজধানীতে বিদেশি তরুণীর আত্মহত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ভাটারা থানার পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থী নেপালি নাগরিক বিনিশা শাহ কেন আত্মহত্যা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি। তবে এ ব্যাপারে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কর্তৃপক্ষের নানা হয়রানির শিকার হয়ে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, ওই ছাত্রী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করেছিলেন। কর্তৃপক্ষের কাছে ধরা পড়ায় তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে নেপালি ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেডিকেল কলেজটির হোস্টেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিনিশা শাহ পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের ২২তম ব্যাচের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মঙ্গলবার তার টার্ম-২ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আধাঘণ্টা আগেই খাতা জমা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যান এবং হোস্টেল কক্ষে গিয়ে আত্মহত্যা করেন।

বিনিশা শাহর একাধিক সহপাঠী গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, শিক্ষক ও কলেজ কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত চাপেই বিনিশা শাহ আত্মহত্যা করেছেন।

বিনিশাহর এক সহপাঠী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ টার্ম-২ পরীক্ষার আগে প্রবেশপত্র আটকে রেখে দুই লাখ টাকা করে দাবি করে। পরে যার কাছে যেমন পেরেছে টাকার বিনিময়ে প্রবেশপত্র দিয়েছে। এছাড়া কলেজ কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করেই টার্ম-২ পরীক্ষা কঠিন করে এবং ফেল করায়। পরে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে কৃতকার্য করানো হয়।

আজও টার্ম-২ পরীক্ষা কঠিন করা হয় এবং আধাঘণ্টা আগেই বিনিশা শাহ পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করতে চাইলে শিক্ষকরা বকাবকি করেন। সহপাঠীদের অভিযোগ, বিনিশা শাহ হয়তো সে ভয়েই আত্মহত্যা করতে পারেন।

তবে এ ব্যাপারে গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ দৈনিক আকাশকে বলেন, মঙ্গলবার তার ট্রার্ম-২ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করলে শিক্ষকরা তাকে ধরে ফেলেন। কিন্তু পরীক্ষা দিতে বারণ করেনি। বিনিশা নিজেই হল থেকে বেরিয়ে যান। হতাশা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা আত্মহত্যার সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখছি। ক্রাইম সিন ইউনিট তার ঘর থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। এ ব্যাপারে পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাজধানীতে বিদেশি তরুণীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১১:৪১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ভাটারা থানার পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থী নেপালি নাগরিক বিনিশা শাহ কেন আত্মহত্যা করেছেন তা এখনো জানা যায়নি। তবে এ ব্যাপারে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কর্তৃপক্ষের নানা হয়রানির শিকার হয়ে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, ওই ছাত্রী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করেছিলেন। কর্তৃপক্ষের কাছে ধরা পড়ায় তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে নেপালি ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেডিকেল কলেজটির হোস্টেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিনিশা শাহ পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের ২২তম ব্যাচের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মঙ্গলবার তার টার্ম-২ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আধাঘণ্টা আগেই খাতা জমা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যান এবং হোস্টেল কক্ষে গিয়ে আত্মহত্যা করেন।

বিনিশা শাহর একাধিক সহপাঠী গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, শিক্ষক ও কলেজ কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত চাপেই বিনিশা শাহ আত্মহত্যা করেছেন।

বিনিশাহর এক সহপাঠী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ টার্ম-২ পরীক্ষার আগে প্রবেশপত্র আটকে রেখে দুই লাখ টাকা করে দাবি করে। পরে যার কাছে যেমন পেরেছে টাকার বিনিময়ে প্রবেশপত্র দিয়েছে। এছাড়া কলেজ কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করেই টার্ম-২ পরীক্ষা কঠিন করে এবং ফেল করায়। পরে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে কৃতকার্য করানো হয়।

আজও টার্ম-২ পরীক্ষা কঠিন করা হয় এবং আধাঘণ্টা আগেই বিনিশা শাহ পরীক্ষাকেন্দ্র ত্যাগ করতে চাইলে শিক্ষকরা বকাবকি করেন। সহপাঠীদের অভিযোগ, বিনিশা শাহ হয়তো সে ভয়েই আত্মহত্যা করতে পারেন।

তবে এ ব্যাপারে গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ দৈনিক আকাশকে বলেন, মঙ্গলবার তার ট্রার্ম-২ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করলে শিক্ষকরা তাকে ধরে ফেলেন। কিন্তু পরীক্ষা দিতে বারণ করেনি। বিনিশা নিজেই হল থেকে বেরিয়ে যান। হতাশা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা আত্মহত্যার সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখছি। ক্রাইম সিন ইউনিট তার ঘর থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। এ ব্যাপারে পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।