অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে নারায়ণগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সুবিধা প্রদান করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পাগলা এলাকায় প্রাপ্তি সিটির মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলার এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সহযোগিতায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সুবিধা প্রদানের চেক হস্তান্তর আয়োজন করে। উদ্বোধনী দিনে জেলার ২০ জন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির মাঝে ক্ষতিপূরণ বাবদ চেক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ রেলওয়ের পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের (পিবিআরএলপি) পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের সবাইকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হচ্ছে, যাতে করে সমন্বিতভাবে কাজ করে পুনর্বাসন কাজ বাস্তবায়ন করা যায়। খুব স্বচ্ছভাবেই এই কাজ করা হচ্ছে।’
পিবিআরএলপি প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী (ট্র্যাক অ্যান্ড ওয়ার্ক্স) মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও রূপশ্রী চক্রবর্তীর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সিএসসির ডেপুটি চিফ কো-অর্ডিনেটর (প্রধান সমন্বয়ক) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল মুকিম সরকার, প্রকল্পের চিফ রিসেটেলমেন্ট কমকর্তা এএম সালাহ উদ্দীন, ড্রপ এর প্রতিষ্ঠাতা এএইচএম নোমান, ক্ষতিগ্রস্ত ফরিদা বেগম, মো. জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সিএসসির তত্ত্বাবধানে ড্রপ পিবিআরএলপি পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ঢাকা হতে মাওয়া হয়ে ভাঙা (ফরিদপুরের) পর্যন্ত প্রথম ধাপের প্রকল্পে ৮২.৩৫ কিলোমিটার রেলপথে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫৪৮ পরিবার রয়েছে। প্রকল্পটিতে ৩৫৮.৪১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
ড্রপ প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থ সামাজিক অবস্থা জরিপসহ, জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত নগদ ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে সহায়তা, বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রদত্ত পুনর্বাসন সুবিধা হস্তান্তর, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং দুস্থ ও দরিদ্রদের জীবিকায়ন পুনস্থাপন প্রশিক্ষণ সহায়তা প্রদান করছে। প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তরা ১৯৮২ সালে ভূমি অধিগ্রহণ আইনের আওতায় জেলা প্রশাসক থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















