ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বর্তমান সংসদের দিকে দেশের ৩৬ কোটি চোখ নিবদ্ধ হয়ে আছে: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার মিরপুর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেল এ রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর সোনারগাঁয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন: প্রতিমন্ত্রী টুকু দক্ষিণখানে বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেফতার বার্ন ইনস্টিটিউটে ই-টিকিটিং সিস্টেম চালু, থাকছে যেসব সুবিধা শিশুদের সু-স্বাস্থ্যে মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র: সার্জিও গর জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে মেজর জাহিদকে হত্যা, স্ত্রী-সন্তানকে গুমের অভিযোগ

ড্রোন ফোর্স বানাচ্ছে দ. কোরিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়াকে সামরিক দিক থেকে মোকাবেলার লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়া নতুন এক বাহিনী গড়ে তুলেছে। আর সেটা হলো ড্রোন বাহিনী। খবর বিবিসির। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইওনহ্যাপ একজন সামরিক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে খবর দিয়েছে, আগামী বছর এই ড্রোন কমব্যাট ইউনিট চালু হবে এবং এর কারণে যুদ্ধের রীতিনীতি সম্পূর্ণ বদলে যাবে।

কেমন হবে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ সামরিক কর্মকর্তা বলছেন, ‘এই সেনা ইউনিট গঠন করা হবে ‘ড্রোনবট’ দিয়ে।’ অর্থাৎ এতে ড্রোন থাকবে, সেই সঙ্গে থাকবে রোবট। উত্তর কোরিয়ার ক্রমাগত পরমাণু বোমা এবং আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মুখে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষিণ কোরিয়া তার গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করতে চায় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে চায়। গত ২৯ নভেম্বর কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন পিয়ংইয়ং সরকার সর্বশেষ যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় তার পাল্লা যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত বলে দাবি করা হচ্ছে।

নজরদারি এবং হামলা

ব্রিটেনের ফিন্যান্সিয়াল টাইমস সংবাদপত্র সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন বাহিনীর মূল কাজ হবে দুটি। প্রথমত, ড্রোনগুলো দিয়ে শত্রুপক্ষের ওপর নজরদারি চালানে হবে। বিশেষভাবে উত্তরে কোরিয়া যেসব জায়গায় অস্ত্র এবং বোমার পরীক্ষা চালায় সেগুলোর দিকে নজর রাখা হবে।

দ্বিতীয়ত, এই ড্রোন ঝাঁক বেঁধে শক্রর ওপর হামলা চালাতে পারবে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস সংবাদপত্রের খবরে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।’

‘কিন্তু এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির এমন উন্নতি হয়েছে যে ড্রোনগুলো একে অন্যের সঙ্গে আরো ভালোভাবে যোগাযোগ রাখতে পারে এবং ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ চালাতে পারে।’

গত বুধবার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাজেটে সাত শতাংশ বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। ২০০৯ সালের পর থেকে সামরিক বাজেট এতটা বাড়ানো হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী সং ইয়ং মুন-এর মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ‘রূঢ় বাস্তবতার’ মুখেই বাজেটে ৪০০০ কোটি ডলার বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

নতুন প্রযুক্তি গড়ে তুলতে এবং সৈন্য সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্তমান সংসদের দিকে দেশের ৩৬ কোটি চোখ নিবদ্ধ হয়ে আছে: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

ড্রোন ফোর্স বানাচ্ছে দ. কোরিয়া

আপডেট সময় ১১:৫২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়াকে সামরিক দিক থেকে মোকাবেলার লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়া নতুন এক বাহিনী গড়ে তুলেছে। আর সেটা হলো ড্রোন বাহিনী। খবর বিবিসির। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইওনহ্যাপ একজন সামরিক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে খবর দিয়েছে, আগামী বছর এই ড্রোন কমব্যাট ইউনিট চালু হবে এবং এর কারণে যুদ্ধের রীতিনীতি সম্পূর্ণ বদলে যাবে।

কেমন হবে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ সামরিক কর্মকর্তা বলছেন, ‘এই সেনা ইউনিট গঠন করা হবে ‘ড্রোনবট’ দিয়ে।’ অর্থাৎ এতে ড্রোন থাকবে, সেই সঙ্গে থাকবে রোবট। উত্তর কোরিয়ার ক্রমাগত পরমাণু বোমা এবং আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মুখে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষিণ কোরিয়া তার গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করতে চায় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে চায়। গত ২৯ নভেম্বর কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন পিয়ংইয়ং সরকার সর্বশেষ যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় তার পাল্লা যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত বলে দাবি করা হচ্ছে।

নজরদারি এবং হামলা

ব্রিটেনের ফিন্যান্সিয়াল টাইমস সংবাদপত্র সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন বাহিনীর মূল কাজ হবে দুটি। প্রথমত, ড্রোনগুলো দিয়ে শত্রুপক্ষের ওপর নজরদারি চালানে হবে। বিশেষভাবে উত্তরে কোরিয়া যেসব জায়গায় অস্ত্র এবং বোমার পরীক্ষা চালায় সেগুলোর দিকে নজর রাখা হবে।

দ্বিতীয়ত, এই ড্রোন ঝাঁক বেঁধে শক্রর ওপর হামলা চালাতে পারবে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস সংবাদপত্রের খবরে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।’

‘কিন্তু এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির এমন উন্নতি হয়েছে যে ড্রোনগুলো একে অন্যের সঙ্গে আরো ভালোভাবে যোগাযোগ রাখতে পারে এবং ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ চালাতে পারে।’

গত বুধবার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাজেটে সাত শতাংশ বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। ২০০৯ সালের পর থেকে সামরিক বাজেট এতটা বাড়ানো হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী সং ইয়ং মুন-এর মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ‘রূঢ় বাস্তবতার’ মুখেই বাজেটে ৪০০০ কোটি ডলার বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

নতুন প্রযুক্তি গড়ে তুলতে এবং সৈন্য সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলে তিনি জানান।