অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ বাংলাদেশের গণমাধ্যম চেপে গেছে, সেই ধরনের খবর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হলে কী হতো, সে প্রশ্নও তুলে ধরেন তিনি। ‘আমি যদি জিজ্ঞাসা করি এই ধরনের নিউজ যদি আমার ব্যাপারে হতো, আমার পরিবারের ব্যাপারে হতো, আপনারা তো হুমড়ি খেয়ে পড়তেন।’
‘আমার অপরাধটা কী?’- এমন প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি? আমরা দেশ স্বাধীন করেছি? আর খালেদা জিয়া মাফ পায় কেন? যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী জানিয়েছে জিয়াউর রহমান, পরে খালেদা জিয়া এসে মন্ত্রী বানিয়েছে, জাতির জনকের খুনিদের এমপি বানিয়েছে, মদদ দিয়েছে, সে জন্যেই কি তাদের সাত খুন মাপ?’।
সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক জরিপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বে অন্তত তিন জন সৎ নেতার মধ্যে তো একটা নাম আমার এসেছে। এতে আপনাদের সম্মান বেড়েছে কি না, জানি না।’ ‘এদিকে আমাদের এই অঞ্চলেই তিন জন দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের মধ্যে একজন আমাদের আছে। ওদিকেই যেন আপনাদের ঝোঁকটা বেশি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ দেয়ার মতো সৎ সাহস আমাদের আছে। আমাদের বহু জন, বহু জ্ঞানী-গুণী অনেকেই তো কত কথা বলেছে আমাদেরকে। দুর্নীতিবাজ বানাতে চেয়েছে, নানা কথা বলেছে আমাকে।’
সৌদি আরবে খালেদার ‘অর্থপাচারের’ বিচার হবে বলেও এক প্রশ্নের জবাবে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মানিলন্ডারিং করে পাঠানো টাকা ফেরত এনেছি এবং প্রক্রিয়া চরছে। সম্প্রতি বের হয়েছে সৌদি আরবে এবং এটা খুঁজে বের করে দিয়েছে সৌদি আরব। তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে, কী করছে তারা জানে। তবে অবশ্যই জনগণের টাকা যারা এভাবে বাইরে গিয়ে নিজেদের বিলাসবসনে ব্যবহার করছে, দেশের মানুষকে বঞ্চিত করবে, দেশের মানুষ তাদের বিচার করবে।’
আইন অনুযায়ী মানি লন্ডারিং এর বিচার বাংলাদেশে হবে এবং এটা হওয়া উচিতও। কারণ এভাবে দেশের উন্নয়ন না করে, দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে, দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে বাইরে এভাবে সম্পত্তি বানানোর কী অধিকার আছে, এটা আমাদেরও প্রশ্ন। অবশ্যই এর বিচার হবে, একে কোনো সন্দেহ নাই।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















