ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা: জেসন গিলেস্পি

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ তার হৃদয়ে গেঁথে থাকারই কথা। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট চট্টগ্রামে খেলেছিলেন বলে নয়; ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ডাবল সেঞ্চুরিই যে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। তার মূল পরিচয় পেসার। তবে ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের কাঁদিয়ে মহাকাব্যিক ডাবল সেঞ্চুরি করে বসেন এই দীর্ঘদেহী পেসার। কার কথা বলা হচ্ছে হয়তো আন্দাজ হয়ে গেছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশ এবং টাইগার দর্শকদের প্রতি মুগ্ধতা ঝরেছে তার কণ্ঠে। ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা বলে জানিয়েছেন গিলেস্পি। সেইসঙ্গে প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশি সমর্থকদেরও।

চট্টগ্রাম টেস্টে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলতে নেমে ৪২৫ বলে ২৬টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে ২০১ রানের নান্দনিক ইনিংস উপহার দেন গিলেস্পি। এরপর আর সাদা পোশাকে খেলা হয়নি এই দীর্ঘদেহী বোলারের।আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে টেস্ট খেলতে আসছে অজিরা। বেতন-ভাতা ও রাজস্ব বণ্টন ইস্যুতে বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে স্টিভেন স্মিথদের বাংলাদেশে আসা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে গিলেস্পি টিম অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট খেলা দেখা নিয়ে মুখিয়ে আছেন।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গিলেস্পি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে তাদের দারুণ সফর দেখতে আমি মুখিয়ে আছি। আসা করি তারা খেলতে যাবে।’

এরপর বাংলাদেশের প্রশংসা করে গিলেস্পি বলেছেন, ‘ক্রিকেট খেলার জন্য এটা (বাংলাদেশ) দারুণ জায়গা। এখানকার দর্শকরা ‘পাগল’ এবং সবসময় নিজের দলকে সমর্থন দেয়ার জন্য পাশে থাকে। আর তারা অন্যান্য দলের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। (বাংলাদেশি সমর্থকরা) অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দেরও ভালোবাসে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা: জেসন গিলেস্পি

আপডেট সময় ১২:২৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ তার হৃদয়ে গেঁথে থাকারই কথা। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট চট্টগ্রামে খেলেছিলেন বলে নয়; ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ডাবল সেঞ্চুরিই যে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। তার মূল পরিচয় পেসার। তবে ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের কাঁদিয়ে মহাকাব্যিক ডাবল সেঞ্চুরি করে বসেন এই দীর্ঘদেহী পেসার। কার কথা বলা হচ্ছে হয়তো আন্দাজ হয়ে গেছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশ এবং টাইগার দর্শকদের প্রতি মুগ্ধতা ঝরেছে তার কণ্ঠে। ক্রিকেট খেলার জন্য বাংলাদেশ দারুণ জায়গা বলে জানিয়েছেন গিলেস্পি। সেইসঙ্গে প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশি সমর্থকদেরও।

চট্টগ্রাম টেস্টে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলতে নেমে ৪২৫ বলে ২৬টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে ২০১ রানের নান্দনিক ইনিংস উপহার দেন গিলেস্পি। এরপর আর সাদা পোশাকে খেলা হয়নি এই দীর্ঘদেহী বোলারের।আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে টেস্ট খেলতে আসছে অজিরা। বেতন-ভাতা ও রাজস্ব বণ্টন ইস্যুতে বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে স্টিভেন স্মিথদের বাংলাদেশে আসা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে গিলেস্পি টিম অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট খেলা দেখা নিয়ে মুখিয়ে আছেন।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গিলেস্পি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে তাদের দারুণ সফর দেখতে আমি মুখিয়ে আছি। আসা করি তারা খেলতে যাবে।’

এরপর বাংলাদেশের প্রশংসা করে গিলেস্পি বলেছেন, ‘ক্রিকেট খেলার জন্য এটা (বাংলাদেশ) দারুণ জায়গা। এখানকার দর্শকরা ‘পাগল’ এবং সবসময় নিজের দলকে সমর্থন দেয়ার জন্য পাশে থাকে। আর তারা অন্যান্য দলের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। (বাংলাদেশি সমর্থকরা) অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দেরও ভালোবাসে।’