ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন শাহরাস্তিতে ধর্ষণের শিকার শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত আটক সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে খেলা শেষ হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী

সিনহা যেভাবে চেয়েছেন সেভাবেই অবসরে গিয়েছেন: হানিফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতি যেভাবে চেয়েছেন, সেভাবেই উনি অবসরে গিয়েছেন। এখানে আমাদের কারও বলার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম। আজ রোববার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ায় জাতীয় শ্রমিক লীগ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে হানিফ সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে আয়োজিত সম্মেলনে হানিফ প্রধান অতিথি ছিলেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেছেন, ‘প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সাহেব অসুস্থ ছিলেন। মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি, উনি সর্বশেষ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছেন। এবং সেখান থেকে কানাডায় গিয়েছেন। ওনার বরাত দিয়ে মিডিয়াতেও এসেছে, সিঙ্গাপুরে উনি ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত, প্রধান বিচারপতি এযাবৎকাল উনি যে অসুস্থ, যেটা মিডিয়াতে বহুবার এসেছে, এটাই সত্য।’

হানিফ অভিযোগ করে বলেন, ‘একটা অসুস্থ মানুষকে সুস্থ বলে দাবি করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে বিএনপি শুরু থেকেই মিথ্যাচারে লিপ্ত ছিল।’

হানিফ মনে করেন, প্রধান বিচারপতি অসুস্থ, তিনি ছুটি নিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ছুটি নিতে পারেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে অবসরও নিতে পারেন। এটা তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে বিএনপি কেন হঠাৎ করে মাতামাতি শুরু করল, এটা অনেকের কাছে বোধগম্য নয়।

বিএনপির সমাবেশ সম্পর্কে হানিফ বলেন, ‘যেকোনো জায়গায় সভা সমাবেশ করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনুমতি নিতে হয়। এটা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আমরাও পুলিশের কাছে অনুমতি নিই। বিএনপি সেই অনুমতি চেয়েছে এবং পেয়েছে। এখানে বাধার প্রশ্ন আসে কেন। এর মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ করে, বিএনপি অসুস্থ রাজনীতির চিন্তাচেতনা ও ধারায় থাকে।

সম্প্রতি দেওয়া তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর মন্তব্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে হানিফ বলেন, এ ব্যাপারে দলের সাধারণ সম্পাদক কথা বলেছেন। এরপরে কিছু বলার নেই। কার কী অবস্থান আছে, দলের সাধারণ সম্পাদক বলে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ বা নৌকা ছাড়া কার কী অবস্থান আছে, সেটা সবাই জানে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুরে জাসদের জনসভায় ইনু স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি (আ.লীগ নেতা) আশি পয়সা। আর এরশাদ, দিলীপ বড়ুয়া, মেনন আর ইনু মিললে এক টাকা হয়। আমরা যদি না থাকি, তাহলে আশি পয়সা নিয়ে রাস্তায় ফ্যা-ফ্যা করে ঘুরবেন। এক হাজার বছরেও ক্ষমতার মুখ দেখবেন না।’

পরের দিন এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, হাসানুল হক ইনুও জানেন, একা নির্বাচন করলে তিনি কত ভোট পাবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক

সিনহা যেভাবে চেয়েছেন সেভাবেই অবসরে গিয়েছেন: হানিফ

আপডেট সময় ০৬:০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতি যেভাবে চেয়েছেন, সেভাবেই উনি অবসরে গিয়েছেন। এখানে আমাদের কারও বলার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম। আজ রোববার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ায় জাতীয় শ্রমিক লীগ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে হানিফ সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে আয়োজিত সম্মেলনে হানিফ প্রধান অতিথি ছিলেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেছেন, ‘প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সাহেব অসুস্থ ছিলেন। মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি, উনি সর্বশেষ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছেন। এবং সেখান থেকে কানাডায় গিয়েছেন। ওনার বরাত দিয়ে মিডিয়াতেও এসেছে, সিঙ্গাপুরে উনি ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত, প্রধান বিচারপতি এযাবৎকাল উনি যে অসুস্থ, যেটা মিডিয়াতে বহুবার এসেছে, এটাই সত্য।’

হানিফ অভিযোগ করে বলেন, ‘একটা অসুস্থ মানুষকে সুস্থ বলে দাবি করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে বিএনপি শুরু থেকেই মিথ্যাচারে লিপ্ত ছিল।’

হানিফ মনে করেন, প্রধান বিচারপতি অসুস্থ, তিনি ছুটি নিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ছুটি নিতে পারেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে অবসরও নিতে পারেন। এটা তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে বিএনপি কেন হঠাৎ করে মাতামাতি শুরু করল, এটা অনেকের কাছে বোধগম্য নয়।

বিএনপির সমাবেশ সম্পর্কে হানিফ বলেন, ‘যেকোনো জায়গায় সভা সমাবেশ করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনুমতি নিতে হয়। এটা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আমরাও পুলিশের কাছে অনুমতি নিই। বিএনপি সেই অনুমতি চেয়েছে এবং পেয়েছে। এখানে বাধার প্রশ্ন আসে কেন। এর মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ করে, বিএনপি অসুস্থ রাজনীতির চিন্তাচেতনা ও ধারায় থাকে।

সম্প্রতি দেওয়া তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর মন্তব্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে হানিফ বলেন, এ ব্যাপারে দলের সাধারণ সম্পাদক কথা বলেছেন। এরপরে কিছু বলার নেই। কার কী অবস্থান আছে, দলের সাধারণ সম্পাদক বলে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ বা নৌকা ছাড়া কার কী অবস্থান আছে, সেটা সবাই জানে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুরে জাসদের জনসভায় ইনু স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি (আ.লীগ নেতা) আশি পয়সা। আর এরশাদ, দিলীপ বড়ুয়া, মেনন আর ইনু মিললে এক টাকা হয়। আমরা যদি না থাকি, তাহলে আশি পয়সা নিয়ে রাস্তায় ফ্যা-ফ্যা করে ঘুরবেন। এক হাজার বছরেও ক্ষমতার মুখ দেখবেন না।’

পরের দিন এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, হাসানুল হক ইনুও জানেন, একা নির্বাচন করলে তিনি কত ভোট পাবেন।