অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দীর্ঘ উনিশ মাস পর রাজধানীতে জনসভার আয়োজন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এ সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা বা জনমসর্থনের বিষয়টি জানান দিতে চায় দলটি। আগামী রোববার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের জন্য অনুমতি চেয়ে দলের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি পেয়েছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে শনিবার রাত থেকে সমাবেশের মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও বিএনপির পক্ষ থেকে সেইভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আশা করছি, সরকার সমাবেশের অনুমিত দিবে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি ভালো সমাবেশ হবে।’
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে দেশের মানুষ সব সময় আশা করে, সভা-সমাবেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের দাবি তুলে ধরবে। তাই আমরা আশা করছি, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিজেদের দাবি আদায়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে অংশগ্রহণ করবে মানুষ।’
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এবার আমাদের সমাবেশ নিয়ে যেভাবে লেখালেখি হয়েছে তাতে এমনভাবে প্রচার পাচ্ছে যে, আমরা আশা করছি অতীতের তুলনায় অনেক বেশি লোক সমাবেশ হবে। এ সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে লোকজন অংশগ্রহণ করবে।’
তিনি বলেন, ‘শোডাউনের কোনো প্রস্ততি নেই। তবে যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে, তাই আশা করছি, এটা আগের তুলনায় বড় এবং স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশ হবে।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপির প্রতি জনগণের যে অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে, তা সরকার দেখবে, দেশবাসী দেখবে।’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থান করবেন বলে জানান দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সমাবেশ দুপুর ২টায় শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















