ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় রোববার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৮ বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার রায় আগামীকাল রোববার ঘোষণা করা হবে।শনিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় সকাল ১০টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতে এবং দুপুর ২টার দিকে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর হত্যাচেষ্টা এবং ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ঠিক করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। ঘটনার সময় তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। ওই ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার আসামিরা হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষে তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় রোববার

আপডেট সময় ০৫:১৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৮ বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার রায় আগামীকাল রোববার ঘোষণা করা হবে।শনিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় সকাল ১০টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতে এবং দুপুর ২টার দিকে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর হত্যাচেষ্টা এবং ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ঠিক করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। ঘটনার সময় তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। ওই ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার আসামিরা হলেন- গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষে তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।