ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

কন্যা দায়গ্রস্থা বিধবা মাকে দায় মুক্ত করলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কন্যা দায়গ্রস্থা একজন মা।বিধাতা নিয়েছে স্বামী,আর মেঘনায় কয়েকবার নিয়েছে বাড়ী।সব হারিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পথের যাত্রী হন তিনি। জীবনের চাকা ঘোরাতে ঘোরাতে অবশেষে ঠিকানা হলো উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদœামনসা আশ্রয়ণে।মেয়ে পিয়ারা। সামাজিক নিরাপত্তা আর ভবিষ্যতের নিশ্চিয়তায় মেয়েকে বিয়ে দিলেন।নিত্যসাথী অভাব আর অনটন তাকে ছায়ার মতো ঘিরে রেখেছে।তাই তুলে দিতে পারছে না বিবাহিত মেয়েকে।সমাজপতিদের কাথে সাহায্যের জন্য হর্ণে হয়ে ঘুরছে।সব চেষ্টাই ব্যর্থ।প্রতিবেশীর উপদেশে ছুটে আসলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও,র কাছে।কন্যা দায়গ্রস্থ নুরজাহানের ফরিয়াদ শুনলেন তিনি। ইউএনও,র কাছে সরকারী ফান্ড নেই। এটা তো বুঝবে না নুরজাহান। নির্বাহি কর্মকর্তা পাবলিক হেয়ারিং করছেন।এই ফাঁকে মেয়েকে উঠিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি লিষ্ট করলেন । একজন অফিস সহায়ককে মাধ্যমে ওই জিনিষগুলো কিনে আনলেন। এমন সময় অফিসে ঢুকলেন সমাজসেবক জাফর উল্যাহ চৌধুরী,জনৈক চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিষয়টি শুনে তারা ও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। যখন নুরজাহানের হাতে ওই জিনিষগুলো তুলে দেওয়া হলো,তার বিষন্ন মুখে নির্ভারতার ছাপ ফুটে উঠল।
নুরজাহান বেগম বলেন,স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্ট করে মেয়েকে বড় করি।আরও কঠিন বিপদে পড়ি পিয়ারার বিবাহের পর।ইউএনও স্যার বিবাহের সব জিনিষ কিনে দিয়েছে।মেয়েকে তুলে দেওয়ার পর আমি মরে ও শান্তি পাব ।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ আঃ কুদদূস বলেন,নুরজাহানের কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। আমি ও প্রত্যন্ত এলাকার সন্তান ।তাই পিতৃহীন অসহায় মেয়েটি তুলে দেওয়ার জন্য আমার বেতন থেকে কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কন্যা দায়গ্রস্থা বিধবা মাকে দায় মুক্ত করলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও

আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কন্যা দায়গ্রস্থা একজন মা।বিধাতা নিয়েছে স্বামী,আর মেঘনায় কয়েকবার নিয়েছে বাড়ী।সব হারিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পথের যাত্রী হন তিনি। জীবনের চাকা ঘোরাতে ঘোরাতে অবশেষে ঠিকানা হলো উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদœামনসা আশ্রয়ণে।মেয়ে পিয়ারা। সামাজিক নিরাপত্তা আর ভবিষ্যতের নিশ্চিয়তায় মেয়েকে বিয়ে দিলেন।নিত্যসাথী অভাব আর অনটন তাকে ছায়ার মতো ঘিরে রেখেছে।তাই তুলে দিতে পারছে না বিবাহিত মেয়েকে।সমাজপতিদের কাথে সাহায্যের জন্য হর্ণে হয়ে ঘুরছে।সব চেষ্টাই ব্যর্থ।প্রতিবেশীর উপদেশে ছুটে আসলেন বোরহানউদ্দিনের ইউএনও,র কাছে।কন্যা দায়গ্রস্থ নুরজাহানের ফরিয়াদ শুনলেন তিনি। ইউএনও,র কাছে সরকারী ফান্ড নেই। এটা তো বুঝবে না নুরজাহান। নির্বাহি কর্মকর্তা পাবলিক হেয়ারিং করছেন।এই ফাঁকে মেয়েকে উঠিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি লিষ্ট করলেন । একজন অফিস সহায়ককে মাধ্যমে ওই জিনিষগুলো কিনে আনলেন। এমন সময় অফিসে ঢুকলেন সমাজসেবক জাফর উল্যাহ চৌধুরী,জনৈক চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিষয়টি শুনে তারা ও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। যখন নুরজাহানের হাতে ওই জিনিষগুলো তুলে দেওয়া হলো,তার বিষন্ন মুখে নির্ভারতার ছাপ ফুটে উঠল।
নুরজাহান বেগম বলেন,স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্ট করে মেয়েকে বড় করি।আরও কঠিন বিপদে পড়ি পিয়ারার বিবাহের পর।ইউএনও স্যার বিবাহের সব জিনিষ কিনে দিয়েছে।মেয়েকে তুলে দেওয়ার পর আমি মরে ও শান্তি পাব ।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ আঃ কুদদূস বলেন,নুরজাহানের কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। আমি ও প্রত্যন্ত এলাকার সন্তান ।তাই পিতৃহীন অসহায় মেয়েটি তুলে দেওয়ার জন্য আমার বেতন থেকে কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করলাম।