ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার থেকে সামরিক সহযোগিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র সোমবার জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত মিয়ানমারের বিভিন্ন ইউনিট ও কর্মকর্তাদের দেয়া সামরিক সহযোগিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এ সহিংসতার কারণে দলে দলে লোক মিয়ানমার থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিদার নুয়ের্ট এ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ ঘোষণা করে বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা এবং রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকজনের বিরুদ্ধে চালানো ব্যাপক সহিংসতা ও নির্যাতনের ব্যাপারে আমরা গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এ নৃশংসতায় যারা জড়িত তাদেরকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো অপরিহার্য।’

গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের জন্য মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্বকে ‘দায়ী’ করছে। তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, বিশ্ব মিয়ানমারে ঘটে যাওয়া নৃশংসতার পক্ষে দাঁড়াবে না এবং কেবল দর্শক হয়েও থাকবে না । তিনি আরো বলেন, সামরিক বাহিনীকে অবশ্যই শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সংযত থাকতে হবে।
গত আগস্ট মাসে শুরু হওয়া এ সহিংসতার কারণে ছয় লাখের বেশী রোহিঙ্গা মুসলিম মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলা চালানোকে কেন্দ্র করে সংখ্যালুঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী ব্যাপক দমনপীড়ন চালায়। জাতিসংঘ তাদের এই অভিযানকে জাতিগত নিধন হিসেবে অভিহিত করে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। সামরিক সহযোগিতা প্রত্যাহারের মধ্যদিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা আরো জোরদার হবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমার থেকে সামরিক সহযোগিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ১২:১২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র সোমবার জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত মিয়ানমারের বিভিন্ন ইউনিট ও কর্মকর্তাদের দেয়া সামরিক সহযোগিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এ সহিংসতার কারণে দলে দলে লোক মিয়ানমার থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিদার নুয়ের্ট এ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ ঘোষণা করে বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা এবং রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকজনের বিরুদ্ধে চালানো ব্যাপক সহিংসতা ও নির্যাতনের ব্যাপারে আমরা গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এ নৃশংসতায় যারা জড়িত তাদেরকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো অপরিহার্য।’

গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের জন্য মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্বকে ‘দায়ী’ করছে। তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, বিশ্ব মিয়ানমারে ঘটে যাওয়া নৃশংসতার পক্ষে দাঁড়াবে না এবং কেবল দর্শক হয়েও থাকবে না । তিনি আরো বলেন, সামরিক বাহিনীকে অবশ্যই শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সংযত থাকতে হবে।
গত আগস্ট মাসে শুরু হওয়া এ সহিংসতার কারণে ছয় লাখের বেশী রোহিঙ্গা মুসলিম মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলা চালানোকে কেন্দ্র করে সংখ্যালুঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী ব্যাপক দমনপীড়ন চালায়। জাতিসংঘ তাদের এই অভিযানকে জাতিগত নিধন হিসেবে অভিহিত করে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। সামরিক সহযোগিতা প্রত্যাহারের মধ্যদিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা আরো জোরদার হবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।