ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়: নাসির

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বছর ছয়েক আগে তেড়েফুরেই এসেছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা পেয়েই নিজের নামটি বসিয়ে দেন নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটারদের তালিকায়। নাম হয়ে ওঠে মি. ফিনিশার। প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে দলকে পথ দেখাতে বেশ পটু হয়ে ওঠেন নাসির হোসেন। কিন্তু এই ধারায় বেশি পথ পাড়ি দেওয়া হয়নি ডানহাতি এই অলরাউন্ডারের। ২০১৫ সালের শেষের দিকে এসে বাংলাদেশ দলে একেবারেই অনিয়মিত হওয় পড়েন নাসির। দলে জায়গা পাওয়াটাই হয়ে ওঠে স্বপ্নের মতো। ২০১৫ সালের নভেম্বরের পর বাংলাদেশের হয়ে মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেছেন নাসির। সেই দশা এখনো কাটেনি তার। এখনো দলে অনিয়মিত নাসির। তবে শুরু থেকেই পাওয়া জনপ্রিয়তা ঠিকই আছে তার।

যদিও এই জনপ্রিয়তার কারণেই নাকি নাসিরকে নিয়ে এত আলোচনা। এমন ব্যাখ্যা নাসিরেরই। দলে জায়গা হোক আর না হোক নাসির ঠিকই আলোচনায় থাকেন। কখনো ভক্তদের আলোচনায়। আবার কখনো ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনায়। শৃংখলাভঙ্গ, অনিয়মসহ আরো কিছু বিষয়ে নাম জড়িয়েছে তার। নাসির অবশ্য এসবে কান দেন না। তার মতে যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও থাকে। বাংলাদেশের হয়ে ১৭ টেস্ট, ৫৯ ওয়ানডে ও ৩১ টি-টোয়েন্টি খেলা ২৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার বোরবার মিরপুরে অনুশীলন শেষে বলেন, ‘যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়। এটা সত্য কথা। আপনি আমাকে এক চোখে দেখবেন, আরেকজন আমাকে আরেক চোখে দেখবে। আমার চোখ দিয়ে তো আমি সবাইকে এক চোখে দেখতে পারবো না।’

মি. ফিনিশারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বা প্রত্রিকায় আলোচনা-সমালোচনা দেখা যায়। কিন্তু নাসির নাকি পত্রিকাই পড়েন না। ফেসবুকও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, ‘সত্যি বলতে আমি পেপার পড়ি না। ফেসবুক থাকা না থাকা একই কথা। শুধু তো সবার ব্যক্তিগত নিউজ আর নিউজ। আপনি যখন খেলাধুলা করেন তখন এসব নিউজ আপনার মাথায় থাকে না। খেলার বাইরে মাঝে মাঝে আসে কথাগুলো। খেলার মধ্যে এসব জিনিস আসে না।’ নাসিরকে দলে না নিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলেন ক্রিকেটমোদীরা। প্রায় প্রতি সিরিজের আগেই নাসির নাসির রব ওঠে। ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া এমন ভালোবাসাকে বড় করে দেখেন মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের প্রাথমিক দলে থাকা নাসিরও ভক্তদের বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে চান।

নাসির বলছেন, ‘আমি জানি না কেন মানুষ আমাকে ভালোবাসে। এটা মানুষের কাছ থেকে আমার বড় পাওয়া। এ জিনিসটা সবাই পায় না। আমি তাদের কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমার ওপর যে বিশ্বাস রাখে, অনেক আশা করে, আমি চেষ্টা করবো সেই বিশ্বাস ও আশাটা রাখার জন্য।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়: নাসির

আপডেট সময় ০৬:১৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বছর ছয়েক আগে তেড়েফুরেই এসেছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা পেয়েই নিজের নামটি বসিয়ে দেন নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটারদের তালিকায়। নাম হয়ে ওঠে মি. ফিনিশার। প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে দলকে পথ দেখাতে বেশ পটু হয়ে ওঠেন নাসির হোসেন। কিন্তু এই ধারায় বেশি পথ পাড়ি দেওয়া হয়নি ডানহাতি এই অলরাউন্ডারের। ২০১৫ সালের শেষের দিকে এসে বাংলাদেশ দলে একেবারেই অনিয়মিত হওয় পড়েন নাসির। দলে জায়গা পাওয়াটাই হয়ে ওঠে স্বপ্নের মতো। ২০১৫ সালের নভেম্বরের পর বাংলাদেশের হয়ে মাত্র তিনটি ওয়ানডে খেলেছেন নাসির। সেই দশা এখনো কাটেনি তার। এখনো দলে অনিয়মিত নাসির। তবে শুরু থেকেই পাওয়া জনপ্রিয়তা ঠিকই আছে তার।

যদিও এই জনপ্রিয়তার কারণেই নাকি নাসিরকে নিয়ে এত আলোচনা। এমন ব্যাখ্যা নাসিরেরই। দলে জায়গা হোক আর না হোক নাসির ঠিকই আলোচনায় থাকেন। কখনো ভক্তদের আলোচনায়। আবার কখনো ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনায়। শৃংখলাভঙ্গ, অনিয়মসহ আরো কিছু বিষয়ে নাম জড়িয়েছে তার। নাসির অবশ্য এসবে কান দেন না। তার মতে যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও থাকে। বাংলাদেশের হয়ে ১৭ টেস্ট, ৫৯ ওয়ানডে ও ৩১ টি-টোয়েন্টি খেলা ২৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার বোরবার মিরপুরে অনুশীলন শেষে বলেন, ‘যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়। এটা সত্য কথা। আপনি আমাকে এক চোখে দেখবেন, আরেকজন আমাকে আরেক চোখে দেখবে। আমার চোখ দিয়ে তো আমি সবাইকে এক চোখে দেখতে পারবো না।’

মি. ফিনিশারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক বা প্রত্রিকায় আলোচনা-সমালোচনা দেখা যায়। কিন্তু নাসির নাকি পত্রিকাই পড়েন না। ফেসবুকও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, ‘সত্যি বলতে আমি পেপার পড়ি না। ফেসবুক থাকা না থাকা একই কথা। শুধু তো সবার ব্যক্তিগত নিউজ আর নিউজ। আপনি যখন খেলাধুলা করেন তখন এসব নিউজ আপনার মাথায় থাকে না। খেলার বাইরে মাঝে মাঝে আসে কথাগুলো। খেলার মধ্যে এসব জিনিস আসে না।’ নাসিরকে দলে না নিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলেন ক্রিকেটমোদীরা। প্রায় প্রতি সিরিজের আগেই নাসির নাসির রব ওঠে। ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া এমন ভালোবাসাকে বড় করে দেখেন মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের প্রাথমিক দলে থাকা নাসিরও ভক্তদের বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে চান।

নাসির বলছেন, ‘আমি জানি না কেন মানুষ আমাকে ভালোবাসে। এটা মানুষের কাছ থেকে আমার বড় পাওয়া। এ জিনিসটা সবাই পায় না। আমি তাদের কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমার ওপর যে বিশ্বাস রাখে, অনেক আশা করে, আমি চেষ্টা করবো সেই বিশ্বাস ও আশাটা রাখার জন্য।’