অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বৈরী আবহাওয়ায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে রাত ১০টা থেকে সব ধরণের নৌ চলাচল বন্ধ থাকার পর সকাল ৯টা থেকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়া, বৃষ্টি আর তীব্র স্রোতে ফেরি, স্পিডবোট, লঞ্চসহ সকল ধরনের নৌযান বন্ধ রাখা হয়। শিমুলিয়া প্রান্তে আটকে আছে ছয় শতাধিক যান।
পরিবার পরিজন নিয়ে রাতভর শিমুলিয়া ঘাটে বৃষ্টিতে আটকা থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের অবস্থা আরও খারাপ। এসব তথ্য দিয়ে মাওয়া নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ সরোজিৎ কুমার ঘোষ জানান, ঘাটে যাত্রী নিরাপত্তায় পুলিশ কাজ করছে। কোন রকম বিশৃঙ্খলা যাতে না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ সর্তক রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহা ব্যবস্থাপক খন্দকার শাহ নেওয়াজ খালিদ জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই উত্তাল পদ্মায় সকল যান চলাচলে বিঘ্নিত হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়ায় নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার সকাল থেকে পদ্মা উত্তাল হতে শুরু করলে বেলা পৌনে ১২ টার দিকে সম্পূর্ণ ভাবে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ডাম্পফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাতাস আর স্রোত ক্রমেই বাড়ছে। বিকেল পর্যন্ত কোন রকমে ফেরি সচল রাখতে পারলেও রাতে আর সম্ভব হয়নি। এতে করে উভয় পাড়ে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা।
বৈরী আবহাওয়া এবং তীব্র ঢেউয়ের কারণে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকার পর সকাল থেকে ২টি ফেরির মাধ্যমে যানবাহন পারাপার সীমিত আকারে শুরু হয়
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























