ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএসসিসির অভিযান জাইকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার ওপর নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু জামায়াত-শিবিরের বাঁচার জন্য হলেও বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন: রাশেদ মৃতদেহের মুখে সোনার টুকরো, মিসরে মিলল প্রাচীন সমাধি ও শহর জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনায় আহত সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) নামে জামায়াতের এক নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার দিবাগত রাতে তিনি মারা যান।

নিহত সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি। তিনি উপজেলার ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের ছেলে।

দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্রাটের মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই আব্দুল করিম আকন্দের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৫ জুন দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল করিম আকন্দ তাঁর লোকজন নিয়ে বড় ভাই রফিক আকন্দের ওপর হামলা করেন। বাবাকে রক্ষা করতে গেলে সম্রাট হোসেন বাপ্পাও মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় রফিক আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী জোসনা বেগমও আহত হন। তাঁদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে ২৭ জুন দুপচাঁচিয়া থানায় আব্দুল করিম আকন্দসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে আব্দুল করিম আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আব্দুল করিম আকন্দ ভেলুরচক গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

দুপঁচাচিয়া থানার ওসি তাজমিলুর রহমান বলেন, ‘একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন একজন বিএনপি, অন্যজন জামায়াত। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০৩:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনায় আহত সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) নামে জামায়াতের এক নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার দিবাগত রাতে তিনি মারা যান।

নিহত সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি। তিনি উপজেলার ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের ছেলে।

দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্রাটের মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই আব্দুল করিম আকন্দের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৫ জুন দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল করিম আকন্দ তাঁর লোকজন নিয়ে বড় ভাই রফিক আকন্দের ওপর হামলা করেন। বাবাকে রক্ষা করতে গেলে সম্রাট হোসেন বাপ্পাও মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় রফিক আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী জোসনা বেগমও আহত হন। তাঁদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে ২৭ জুন দুপচাঁচিয়া থানায় আব্দুল করিম আকন্দসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে আব্দুল করিম আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আব্দুল করিম আকন্দ ভেলুরচক গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

দুপঁচাচিয়া থানার ওসি তাজমিলুর রহমান বলেন, ‘একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন একজন বিএনপি, অন্যজন জামায়াত। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে।’