আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে বিবৃতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে। সোমবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। উৎপাদন ছিল সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। ৩৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।
মন্ত্রী বলেছেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে, যাতে না থাকে সে জন্য সচেষ্ট আছি। গতকালকে (রোববার) খারাপ ছিল, আজকে সেখান থেকে উত্তরণ করতে পেরেছি।’
লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে রোববার অন্তত সাত জেলায় গ্রাহক বিক্ষোভ করেছেন। নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পল্লী বিদ্যুতের অফিসে ভাঙচুর করা হয়। এই উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ৯ মেগাওয়াট।
রোববার সংসদে বিবৃতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রী জানান, দুটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ হওয়ায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে। এতে লোডশেডিং বেড়েছে। ঢাকায়ও লোডশেডিং দিতে হবে।
সোমবার বিবৃতিতে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বন্ধ থাকা দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সোমবার থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজকে আনন্দের সঙ্গে জানাতে পারি, এখন আমাদের উৎপাদন ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, কিন্তু চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। এখন লোডশেডিং হবে ৩৩৯ মেগাওয়াট।
তিনি বলেন, চেষ্টা করছি ৩৩৯ মেগাওয়াট কমিয়ে আনার জন্য। কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে, যাতে না থাকে সে জন্য সচেষ্ট আছি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















