ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত পরিচয়ে যেকেউ অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ৪ উচ্ছৃঙ্খল কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে স্থায়ী হওয়া যায় না : মোনায়েম মুন্না প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা পুশইন : শুভেন্দুর দাবি প্রত্যাখ্যান বিজিবির আলিম পরীক্ষার সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ নাগরিক সেবায় অবহেলা করলে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক আইনজীবী টিটোর মৃত্যু, এক দিন বন্ধ বিচারিক কার্যক্রম পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে সঞ্চালনব্যবস্থা ‘স্মার্ট’ করার নির্দেশ মন্ত্রীর প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

উচ্ছৃঙ্খল কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে স্থায়ী হওয়া যায় না : মোনায়েম মুন্না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মব কালচার ও উচ্ছৃঙ্খলতার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না।

এসময় তিনি বলেছেন, চতুর ও উচ্ছৃঙ্খল কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে বেশিদিন স্থায়ী হওয়া যায় না। রাজপথে সাংগঠনিক শক্তির মাধ্যমে এই অপশক্তিকে মোকাবিলা করবে যুবদল।

সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের হোটেল ভিক্টোরিতে নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় যুবদল নেতাদের সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা ত্যাগীরাই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন’-কমিটি গঠন প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করে যুবদল সভাপতি বলেন, এবারের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডাবাহিনীর মার খেয়ে, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা লড়াকু নেতাদেরই এখানে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হয়েছে। কোয়ালিটি, ডেডিকেশন ও লয়ালিটি বিবেচনা করেই দলের হাইকমান্ড এ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, বিগত কমিটির সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও আমার (মুন্না) আমলের প্রায় ১১৪ থেকে ১১৫ জন সক্রিয় নেতাকে এই নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে।

নতুন কমিটিতে স্থান না পাওয়া ত্যাগী নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের তো কাউকে না কাউকে রেখে কাউকে বাদ দিতেই হতো। তবে পদ না পাওয়া ত্যাগীদের বিষয়ে আমরা অবগত আছি। আমরা দলের হাইকমান্ডের কাছে প্রস্তাব দেব, যেন অন্তত আরও ১০০ জন ত্যাগী নেতাকে এই কমিটিতে সংযুক্ত করে একে একটি পরিপূর্ণ রূপ দেওয়া যায়। তাই কারো হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

কমিটি নিয়ে সিনিয়র-জুনিয়র বিতর্ক সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুবদল সভাপতি বলেন, রাজনীতিতে সিনিয়রিটির চেয়ে রাজপথের ত্যাগ ও অবদান সবচেয়ে বড়। আমি নিজেও পূর্ববর্তী কমিটিতে ৫ নম্বর সহ-সভাপতি ছিলাম, পরে সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। দল যখন যার ডেডিকেশন, কাজের মান ও রাজপথে থাকার কৌশল বিবেচনা করে যোগ্য মনে করবে, তাকেই দায়িত্ব দেবে। এখানে সাংগঠনিক নিয়মের কোনো লঙ্ঘন হয়নি।

সাংগঠনিকভাবে অপশক্তি দমন করা হবে জানিয়ে আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, যুবদল বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত অঙ্গ সংগঠন। আমরা রাজপথে আমাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করে এই অপশক্তিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব।

মতবিনিময় সভায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নসহ নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও সাংগঠনিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত পরিচয়ে যেকেউ অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান

উচ্ছৃঙ্খল কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে স্থায়ী হওয়া যায় না : মোনায়েম মুন্না

আপডেট সময় ১১:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মব কালচার ও উচ্ছৃঙ্খলতার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না।

এসময় তিনি বলেছেন, চতুর ও উচ্ছৃঙ্খল কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে বেশিদিন স্থায়ী হওয়া যায় না। রাজপথে সাংগঠনিক শক্তির মাধ্যমে এই অপশক্তিকে মোকাবিলা করবে যুবদল।

সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের হোটেল ভিক্টোরিতে নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় যুবদল নেতাদের সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা ত্যাগীরাই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন’-কমিটি গঠন প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করে যুবদল সভাপতি বলেন, এবারের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডাবাহিনীর মার খেয়ে, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা লড়াকু নেতাদেরই এখানে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হয়েছে। কোয়ালিটি, ডেডিকেশন ও লয়ালিটি বিবেচনা করেই দলের হাইকমান্ড এ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, বিগত কমিটির সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও আমার (মুন্না) আমলের প্রায় ১১৪ থেকে ১১৫ জন সক্রিয় নেতাকে এই নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে।

নতুন কমিটিতে স্থান না পাওয়া ত্যাগী নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের তো কাউকে না কাউকে রেখে কাউকে বাদ দিতেই হতো। তবে পদ না পাওয়া ত্যাগীদের বিষয়ে আমরা অবগত আছি। আমরা দলের হাইকমান্ডের কাছে প্রস্তাব দেব, যেন অন্তত আরও ১০০ জন ত্যাগী নেতাকে এই কমিটিতে সংযুক্ত করে একে একটি পরিপূর্ণ রূপ দেওয়া যায়। তাই কারো হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

কমিটি নিয়ে সিনিয়র-জুনিয়র বিতর্ক সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুবদল সভাপতি বলেন, রাজনীতিতে সিনিয়রিটির চেয়ে রাজপথের ত্যাগ ও অবদান সবচেয়ে বড়। আমি নিজেও পূর্ববর্তী কমিটিতে ৫ নম্বর সহ-সভাপতি ছিলাম, পরে সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। দল যখন যার ডেডিকেশন, কাজের মান ও রাজপথে থাকার কৌশল বিবেচনা করে যোগ্য মনে করবে, তাকেই দায়িত্ব দেবে। এখানে সাংগঠনিক নিয়মের কোনো লঙ্ঘন হয়নি।

সাংগঠনিকভাবে অপশক্তি দমন করা হবে জানিয়ে আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, যুবদল বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত অঙ্গ সংগঠন। আমরা রাজপথে আমাদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করে এই অপশক্তিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব।

মতবিনিময় সভায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নসহ নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও সাংগঠনিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।