ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকির পর ওমানের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে ইরান। তেহরানের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাসকাট যদি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তবে ওমানে হামলা চালানো হবে—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন চরম হুঁশিয়ারির পরই এই প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওমানকে একটি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই হুমকিধমকি ও আগ্রাসী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এর ওপর নজরদারি করবে। একইসঙ্গে ওমানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ওমানকে বাকি সবার মতোই আচরণ করতে হবে, অন্যথায় তাদের ‘উড়িয়ে দেওয়া’ হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আগ্রাসী মন্তব্যের বিপরীতে ইরান অবশ্য শুরু থেকেই স্পষ্ট করে আসছে যে, এই আন্তর্জাতিক জলপথটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এ বিষয়ে যা কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা কেবল ওমানের সঙ্গেই সমন্বয় করে নেওয়া হবে।

এদিকে ওমানকে হুমকির পাশাপাশি ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই ঘটনাকে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তা এই সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষামূলক এবং এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা বলে দাবি করেছেন। তবে মার্কিন এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ অঞ্চলে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে মিছিলের প্রস্তুতি: আ.লীগের চার কর্মী গ্রেপ্তার

ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় ০৪:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকির পর ওমানের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে ইরান। তেহরানের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাসকাট যদি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তবে ওমানে হামলা চালানো হবে—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন চরম হুঁশিয়ারির পরই এই প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওমানকে একটি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই হুমকিধমকি ও আগ্রাসী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এর ওপর নজরদারি করবে। একইসঙ্গে ওমানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ওমানকে বাকি সবার মতোই আচরণ করতে হবে, অন্যথায় তাদের ‘উড়িয়ে দেওয়া’ হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আগ্রাসী মন্তব্যের বিপরীতে ইরান অবশ্য শুরু থেকেই স্পষ্ট করে আসছে যে, এই আন্তর্জাতিক জলপথটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এ বিষয়ে যা কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা কেবল ওমানের সঙ্গেই সমন্বয় করে নেওয়া হবে।

এদিকে ওমানকে হুমকির পাশাপাশি ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই ঘটনাকে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তা এই সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষামূলক এবং এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা বলে দাবি করেছেন। তবে মার্কিন এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ অঞ্চলে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।