ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদের দিন রামিসার পরিবারের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ, জানালেন সমবেদনা ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্ভব : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী তদন্তের প্রেক্ষিতে আদ্-দ্বীনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালাল ইরান

ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকির পর ওমানের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে ইরান। তেহরানের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাসকাট যদি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তবে ওমানে হামলা চালানো হবে—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন চরম হুঁশিয়ারির পরই এই প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওমানকে একটি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই হুমকিধমকি ও আগ্রাসী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এর ওপর নজরদারি করবে। একইসঙ্গে ওমানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ওমানকে বাকি সবার মতোই আচরণ করতে হবে, অন্যথায় তাদের ‘উড়িয়ে দেওয়া’ হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আগ্রাসী মন্তব্যের বিপরীতে ইরান অবশ্য শুরু থেকেই স্পষ্ট করে আসছে যে, এই আন্তর্জাতিক জলপথটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এ বিষয়ে যা কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা কেবল ওমানের সঙ্গেই সমন্বয় করে নেওয়া হবে।

এদিকে ওমানকে হুমকির পাশাপাশি ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই ঘটনাকে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তা এই সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষামূলক এবং এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা বলে দাবি করেছেন। তবে মার্কিন এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ অঞ্চলে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় ০৪:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকির পর ওমানের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে ইরান। তেহরানের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাসকাট যদি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তবে ওমানে হামলা চালানো হবে—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন চরম হুঁশিয়ারির পরই এই প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ওমানকে একটি ‘বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই হুমকিধমকি ও আগ্রাসী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এর ওপর নজরদারি করবে। একইসঙ্গে ওমানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ওমানকে বাকি সবার মতোই আচরণ করতে হবে, অন্যথায় তাদের ‘উড়িয়ে দেওয়া’ হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আগ্রাসী মন্তব্যের বিপরীতে ইরান অবশ্য শুরু থেকেই স্পষ্ট করে আসছে যে, এই আন্তর্জাতিক জলপথটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এ বিষয়ে যা কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা কেবল ওমানের সঙ্গেই সমন্বয় করে নেওয়া হবে।

এদিকে ওমানকে হুমকির পাশাপাশি ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই ঘটনাকে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তা এই সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষামূলক এবং এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা বলে দাবি করেছেন। তবে মার্কিন এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ অঞ্চলে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।