ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর তীরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকায় যমুনা নদীর তীরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনের কারণে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নদীভাঙন রোধে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীভাঙনকবলিত এলাকাগুলো রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক।

এসময় বক্তারা বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনের ফলে প্রতিবছর ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলে নদীভাঙন থেকে হাজারো মানুষ রক্ষা পাবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর তীরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকায় যমুনা নদীর তীরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনের কারণে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নদীভাঙন রোধে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীভাঙনকবলিত এলাকাগুলো রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক।

এসময় বক্তারা বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনের ফলে প্রতিবছর ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলে নদীভাঙন থেকে হাজারো মানুষ রক্ষা পাবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।