আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক ক্ষতির বিবেচনায় দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশ যে জনমিতি লভ্যাংশ পেয়েছিল তা কাজ লাগিয়ে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা যেতো। সেজন্য দরকার ছিলে, জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রুপান্তরিত করা এবং সেই উদ্বৃত্ত জনশক্তি রপ্তানি করা ও দেশে কর্মসংস্থান তৈরি করা। কিন্তু অতিতের কোনো সরকারই এই ধরনের পদক্ষেপ নেয় নাই বরং উদ্বৃত্ত জনশক্তিকে নষ্ট করতে মাদককে প্রশ্রয় দিয়েছে। ফলে আমাদের জনসম্পদ নিস্ক্রিয় হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধ্বংস হয়েছে।
তিনি বলেন, এখন জাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো, মাদক প্রতিরোধ করা। আর মাদক প্রতিরোধের জন্য চাহিদা ও যোগান উভয় দিক নির্মূল করতে হবে। আমরা মাদকের চাহিদা কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা করতে পারি, কিন্তু মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে।
শুক্রবার বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ আয়োজিত ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে সুধী সেমিনার ও আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ জিয়াউল করীমের সভাপতিত্বে সেমিনারে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরেন এবং চরমোনাই ইউনিয়নসহ পুরো দেশকে মাদকমুক্ত করার জন্য রাজনৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক আন্দোলনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, বিএমপির এডিসি (দক্ষিণ) মুহাম্মাদ বেলাল হুসাইন ও বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















