ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজে’ শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর ছবি প্রকাশ করে নিজ অনুভূতির কথা তুলে ধরেন জাইমা রহমান। এতে তিনি লিখেছেন, ‘পড়ন্ত বিকালের নরম আলো তখন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে রাজধানীর আকাশে।

ঠিক সেই সময় ঢাকার ‘এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজে’ পৌঁছাতেই একঝাঁক শিশুর উচ্ছ্বসিত অভ্যর্থনায় ভরে ওঠে চারপাশ। ছোট ছোট হাতে ফুল, মুখে লাজুক অথচ নির্মল হাসি কোথাও কৌতূহল, কোথাও দুষ্টুমিভরা চঞ্চলতা। তাদের গান, আবৃত্তি ও নৃত্যের নিষ্পাপ কোমল প্রাণচাঞ্চল্যে প্রতিটি মুহূর্ত যেন ছুঁয়ে যায় হৃদয়ের গভীরতম অনুভবকে।’ তিনি আরও লিখেছেন, শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ আর ভালোবাসার স্পর্শে প্রতিটি মুহূর্ত যেন হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছিল। গভীরভাবে আবেগাপ্লুত করে আমাদের।’

বিশ্বের ১৩০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ‘এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজ’ ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে। এতিম ও অসহায় শিশুদের জন্য পারিবারিক পরিবেশে নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা। সংগঠনটি ১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষের জীবনে আলোর স্পর্শ পৌঁছে দিয়েছে। ঢাকার ব্যস্ত নগরজীবনের মধ্যেও শিশুদের জন্য এমন শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশ দেখে মুগ্ধ জাইমা রহমান তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজের এই ৫৫ বছরের পথচলা সত্যিই অসাধারণ এবং অনুকরণীয়। তাই, আজকের বিকালটা নিয়ে গেলাম মনের ভিতরে, অনেকটা সেই ছোট্ট হাতের ফুলগুলোর মতোই।’

সেখানে গিয়ে শিশুদের পাশাপাশি তাদের পালক মায়েদের সঙ্গেও কথা বলেন ব্যারিস্টার জাইমা । জানতে পারেন সংগ্রাম পেরিয়ে উঠে আসা কিছু জীবনের গল্প। যেসব শিশু একসময় পরিবার হারিয়ে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছিল, তারাই এখন এখানে পেয়েছে নতুন আশ্রয়, ভালোবাসা ও ভবিষ্যৎ গড়ার সাহস। পোস্টে আবেগাপ্লুত জাইমা রহমান আরও লেখেন, মানুষের সম্পর্ক শুধু রক্তের বন্ধনে সীমাবদ্ধ নয়; ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়েও গড়ে ওঠে গভীর আত্মীয়তা। আর সেই মানবিক বন্ধনই মানুষকে দেয় এক ধরনের আত্মিক তৃপ্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

আপডেট সময় ০৩:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজে’ শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর ছবি প্রকাশ করে নিজ অনুভূতির কথা তুলে ধরেন জাইমা রহমান। এতে তিনি লিখেছেন, ‘পড়ন্ত বিকালের নরম আলো তখন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে রাজধানীর আকাশে।

ঠিক সেই সময় ঢাকার ‘এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজে’ পৌঁছাতেই একঝাঁক শিশুর উচ্ছ্বসিত অভ্যর্থনায় ভরে ওঠে চারপাশ। ছোট ছোট হাতে ফুল, মুখে লাজুক অথচ নির্মল হাসি কোথাও কৌতূহল, কোথাও দুষ্টুমিভরা চঞ্চলতা। তাদের গান, আবৃত্তি ও নৃত্যের নিষ্পাপ কোমল প্রাণচাঞ্চল্যে প্রতিটি মুহূর্ত যেন ছুঁয়ে যায় হৃদয়ের গভীরতম অনুভবকে।’ তিনি আরও লিখেছেন, শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ আর ভালোবাসার স্পর্শে প্রতিটি মুহূর্ত যেন হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছিল। গভীরভাবে আবেগাপ্লুত করে আমাদের।’

বিশ্বের ১৩০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ‘এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজ’ ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে। এতিম ও অসহায় শিশুদের জন্য পারিবারিক পরিবেশে নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা। সংগঠনটি ১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষের জীবনে আলোর স্পর্শ পৌঁছে দিয়েছে। ঢাকার ব্যস্ত নগরজীবনের মধ্যেও শিশুদের জন্য এমন শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশ দেখে মুগ্ধ জাইমা রহমান তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজের এই ৫৫ বছরের পথচলা সত্যিই অসাধারণ এবং অনুকরণীয়। তাই, আজকের বিকালটা নিয়ে গেলাম মনের ভিতরে, অনেকটা সেই ছোট্ট হাতের ফুলগুলোর মতোই।’

সেখানে গিয়ে শিশুদের পাশাপাশি তাদের পালক মায়েদের সঙ্গেও কথা বলেন ব্যারিস্টার জাইমা । জানতে পারেন সংগ্রাম পেরিয়ে উঠে আসা কিছু জীবনের গল্প। যেসব শিশু একসময় পরিবার হারিয়ে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছিল, তারাই এখন এখানে পেয়েছে নতুন আশ্রয়, ভালোবাসা ও ভবিষ্যৎ গড়ার সাহস। পোস্টে আবেগাপ্লুত জাইমা রহমান আরও লেখেন, মানুষের সম্পর্ক শুধু রক্তের বন্ধনে সীমাবদ্ধ নয়; ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়েও গড়ে ওঠে গভীর আত্মীয়তা। আর সেই মানবিক বন্ধনই মানুষকে দেয় এক ধরনের আত্মিক তৃপ্তি।