ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করা যায় না : নাহিদ ইসলাম সীমান্ত হত্যা বাড়লে লং মার্চ করার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসির সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পলকের হাড় ভাঙা বা সরে যাওয়ার প্রমাণ মেলেনি:এমআরআই রিপোর্ট সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর ‘পেটোয়া বাহিনী’ থেকে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করেছে পুলিশ: আইজিপি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি জমিয়তের, বিক্ষোভের ডাক নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানার স্টোররুমে মিলল কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ বিজয় দিবসে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : আফরোজা খানম

সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, সরকার ঘোষিত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিববৃন্দ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি একটি অত্যন্ত জনকল্যাণমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সরকারের দলীয় কমিটমেন্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় যারা কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা যেন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের জনগণের প্রতি যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সকলের আন্তরিক ও পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারের এ কর্মসূচির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে।

এ সময় মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ আরও বলেন, কর্মসূচির প্রতিটি কার্যক্রমের ন্যূনতম তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে প্রয়োজনে জনগণের সামনে বাস্তব অগ্রগতি উপস্থাপন করা যায়।

ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কী ধরনের সুবিধা পেয়েছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সহজভাবে অবহিত করতে হবে। শুধু ওয়েবসাইট ভিত্তিক তথ্য প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান ও জনবান্ধব তথ্যপ্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষ করে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচির বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে, যাতে জনগণ আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই এমন একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ গড়ে উঠুক, যেখানে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারব-সরকারের কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং জনগণ তার সুফল পাচ্ছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মন্ত্রণলয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকবৃন্দ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কান চলচ্চিত্র উৎসবে নজর কাড়লেন আলিয়া

সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৬:২৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, সরকার ঘোষিত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিববৃন্দ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি একটি অত্যন্ত জনকল্যাণমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সরকারের দলীয় কমিটমেন্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় যারা কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা যেন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের জনগণের প্রতি যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সকলের আন্তরিক ও পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারের এ কর্মসূচির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে।

এ সময় মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ আরও বলেন, কর্মসূচির প্রতিটি কার্যক্রমের ন্যূনতম তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে প্রয়োজনে জনগণের সামনে বাস্তব অগ্রগতি উপস্থাপন করা যায়।

ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কী ধরনের সুবিধা পেয়েছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সহজভাবে অবহিত করতে হবে। শুধু ওয়েবসাইট ভিত্তিক তথ্য প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান ও জনবান্ধব তথ্যপ্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষ করে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচির বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে, যাতে জনগণ আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই এমন একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ গড়ে উঠুক, যেখানে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারব-সরকারের কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং জনগণ তার সুফল পাচ্ছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মন্ত্রণলয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকবৃন্দ।