ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজের জ্বালানি থাকতে বিদেশ থেকে কেন আমদানি করব: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে’ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী হামের টিকার সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয়-আন্তর্জাতিক তদন্ত হবে : জাহেদ উর রহমান এনবিআর সংস্কার ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয় : অর্থমন্ত্রী ইমরান খানের চিকিৎসা অধিকার ইস্যুতে আইনি লড়াই এবার সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ুর ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ থালাপতি বিজয়ের আরও দুই মামলায় জামিন চাইলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বর্জন; তদন্ত কমিটিতে বাশার পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরও দুই মামলায় জামিন চাইলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগসহ পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল থাকার পর আরও দুই মামলায় জামিন চেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।

মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ ছাড়া সাবেক এই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

একই অভিযোগে ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই দিনে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা।

এ ছাড়া প্লট জালিয়াতির মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগে গত ৪ আগস্ট খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করেন খায়রুল হক। পরে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ চার মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলাতেও জামিন পান তিনি।

পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। তবে গত ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন।

এদিকে এরই মধ্যে নিম্ন আদালতে আরও দুটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাগুলো হলো জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার হত্যা মামলা। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন তিনি।

২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। পরে তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের জ্বালানি থাকতে বিদেশ থেকে কেন আমদানি করব: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আরও দুই মামলায় জামিন চাইলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

আপডেট সময় ১২:০৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগসহ পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল থাকার পর আরও দুই মামলায় জামিন চেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।

মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ ছাড়া সাবেক এই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

একই অভিযোগে ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই দিনে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা।

এ ছাড়া প্লট জালিয়াতির মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগে গত ৪ আগস্ট খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করেন খায়রুল হক। পরে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ চার মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলাতেও জামিন পান তিনি।

পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। তবে গত ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন।

এদিকে এরই মধ্যে নিম্ন আদালতে আরও দুটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাগুলো হলো জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার হত্যা মামলা। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন তিনি।

২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। পরে তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।