ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শিশুবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর : ডা. জাহিদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরের সূচনা করা হয়।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর উপলব্ধি করেছিলেন যে, আগামী প্রজন্মকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে হলে শিশুদের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে শিশু একাডেমির কার্যক্রম জেলা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যদিও পরবর্তীতে নানা কারণে এই প্রতিষ্ঠান শিশুদের বিকাশে প্রত্যাশিত সহায়তা পায়নি।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের মননশীলতা, চিন্তার প্রসার এবং নেতৃত্বদানের সক্ষমতা গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ দেশবাসীকে সঠিক পথে চলতে অনুপ্রাণিত করবে এবং আগামী বৈশাখ আরও সুন্দর হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সচিব ইয়াসমীন পারভীন উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বৈশাখের প্রথম দিন পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে বরণ করার এই মুহূর্ত আমাদের জীবনে নতুন আশা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। তিনি বলেন, শিশু একাডেমির আয়োজনে শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের মধ্যে বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির চেতনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছাঃ আরজু আরা বেগম। এসময় মন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে শিশু একাডেমির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এই নিয়ম কোনোভাবেই মানা যায় না’, লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইস কোচ

শিশুবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর : ডা. জাহিদ

আপডেট সময় ১২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ শিশুদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরের সূচনা করা হয়।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর উপলব্ধি করেছিলেন যে, আগামী প্রজন্মকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে হলে শিশুদের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে শিশু একাডেমির কার্যক্রম জেলা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যদিও পরবর্তীতে নানা কারণে এই প্রতিষ্ঠান শিশুদের বিকাশে প্রত্যাশিত সহায়তা পায়নি।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের মননশীলতা, চিন্তার প্রসার এবং নেতৃত্বদানের সক্ষমতা গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ দেশবাসীকে সঠিক পথে চলতে অনুপ্রাণিত করবে এবং আগামী বৈশাখ আরও সুন্দর হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সচিব ইয়াসমীন পারভীন উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বৈশাখের প্রথম দিন পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে বরণ করার এই মুহূর্ত আমাদের জীবনে নতুন আশা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। তিনি বলেন, শিশু একাডেমির আয়োজনে শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের মধ্যে বাঙালিয়ানা ও সংস্কৃতির চেতনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছাঃ আরজু আরা বেগম। এসময় মন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে শিশু একাডেমির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।