ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

বাংলাদেশের উদ্দেশে এলএনজির প্রথম চালান জাহাজে তুলেছে কাতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ এবং আমদানিকারকদের কাছে ‌‘ফোর্স ম্যাজেউর’ (অনিবার্য পরিস্থিতিজনিত কারণে চুক্তি পালনে অক্ষমতা) ঘোষণা করে কাতার।

ব্লুমবার্গের দেওয়া তথ্য মতে, বর্তমানে কাতার সম্ভবত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রথম চালানটি জাহাজে তুলেছে।

ব্লুমবার্গের সংগৃহীত জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার কাতারের এলএনজি রপ্তানি কমপ্লেক্স থেকে একটি ট্যাঙ্কার যাত্রা শুরু করেছে। জাহাজের ড্রাফট লেভেল (পানির নিচে জাহাজের অংশ) বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে যে এতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে।

জাহাজটির সংকেত অনুযায়ী এর পরবর্তী গন্তব্য বাংলাদেশ। আগামী ১৪ মার্চ এটি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই যাত্রা সফল হওয়া অনেকটা নির্ভর করছে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’র পরিস্থিতির ওপর। ওই অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পথটি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। ফলে পথটি উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ট্যাঙ্কারটি মাঝপথে ভাসমান গুদাম হিসেবেও অবস্থান করতে পারে।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরানি ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র বন্ধ করে দেয় কাতার। তবে এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এই জলপথটির গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সম্পন্ন হয়।

এদিকে, জাহাজগুলোতে পুনরায় জ্বালানি পণ্য বোঝাই করা বা সেগুলোর গন্তব্যস্থল সম্পর্কে জানতে কাতারএনার্জির মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে গত ২ মার্চ, কাতারএনার্জি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পেট্রোবাংলাকে তাদের চুক্তির ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী ‘সম্ভাব্য ফোর্স ম্যাজেউর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতির নোটিশ প্রদান করে। সেখানে এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে অঞ্চলটির সাম্প্রতিক সংঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের উদ্দেশে এলএনজির প্রথম চালান জাহাজে তুলেছে কাতার

আপডেট সময় ০৭:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ এবং আমদানিকারকদের কাছে ‌‘ফোর্স ম্যাজেউর’ (অনিবার্য পরিস্থিতিজনিত কারণে চুক্তি পালনে অক্ষমতা) ঘোষণা করে কাতার।

ব্লুমবার্গের দেওয়া তথ্য মতে, বর্তমানে কাতার সম্ভবত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রথম চালানটি জাহাজে তুলেছে।

ব্লুমবার্গের সংগৃহীত জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার কাতারের এলএনজি রপ্তানি কমপ্লেক্স থেকে একটি ট্যাঙ্কার যাত্রা শুরু করেছে। জাহাজের ড্রাফট লেভেল (পানির নিচে জাহাজের অংশ) বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে যে এতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে।

জাহাজটির সংকেত অনুযায়ী এর পরবর্তী গন্তব্য বাংলাদেশ। আগামী ১৪ মার্চ এটি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই যাত্রা সফল হওয়া অনেকটা নির্ভর করছে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’র পরিস্থিতির ওপর। ওই অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পথটি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। ফলে পথটি উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ট্যাঙ্কারটি মাঝপথে ভাসমান গুদাম হিসেবেও অবস্থান করতে পারে।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরানি ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র বন্ধ করে দেয় কাতার। তবে এই হামলার আগে থেকেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এই জলপথটির গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সম্পন্ন হয়।

এদিকে, জাহাজগুলোতে পুনরায় জ্বালানি পণ্য বোঝাই করা বা সেগুলোর গন্তব্যস্থল সম্পর্কে জানতে কাতারএনার্জির মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে গত ২ মার্চ, কাতারএনার্জি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পেট্রোবাংলাকে তাদের চুক্তির ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী ‘সম্ভাব্য ফোর্স ম্যাজেউর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতির নোটিশ প্রদান করে। সেখানে এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে অঞ্চলটির সাম্প্রতিক সংঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়।